যেকোনো রোগই আমাদের কষ্ট দেয়।
সাধারণত অণুজীবের দ্বারা রোগ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটি রোগ।
মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ হয়।
ইঁদুরের মশার মাধ্যমে রোগ হয়।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়।
বিভিন্ন কারণে মানুষ রোগাক্রান্ত হতে পারে।
জীবাণু শরীরে প্রবেশ করলে রোগ সৃষ্টি হয়।
অনেক সময় পুষ্টিহীনতার কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।
বায়ু দূষণের কারণে চর্মরোগ হয়।
বংশগত কারণেও বেশ কিছু অসংক্রামক রোগ হতে পারে।
কখনো আবার ভিটামিনের অভাবেও রোগ হয়।
বিভিন্ন মাধ্যমে রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে।
ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া রোগের জীবাণু বহন করে মশা ।
সর্দি হলে নাক দিয়ে অনবরত তরল পড়তে থাকে।
ডায়রিয়া হলে শরীর পানিশূন্য হয়ে চামড়া কুঁচকে যায়।
ম্যালেরিয়া জ্বরে কিছু সময় পর পর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে।
ডায়াবেটিস রোগীর ঘন ঘন পানির পিপাসা পায়।
ফুসফুসের যক্ষ্মা রোগ হলে দীর্ঘমেয়াদি কাশি থাকে।
সংক্রামক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ মানুষ থেকে দূরে রাখা উচিত।
রোগীর কফ-থুথু নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলতে হবে।
রোগ প্রতিরোধের অন্যতম উপায় দূষণমুক্ত নির্মল পরিবেশ।
বংশগত কারণেও অসংক্রামক রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
সুস্থ থাকার জন্য নিরাপদ পানি ব্যবহার করা খুবই জরুরি।
কোমল পানীয় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।
বেশির ভাগ সংক্রামক রোগ ছড়ায় দূষিত পানির মাধ্যমে।
Related Question
View Allযেকোনো রোগই আমাদের কষ্ট দেয়।
সাধারণত অণুজীবের দ্বারা রোগ সৃষ্টি হয়।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী মাদকাসক্তি একটি রোগ।
মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গু রোগ হয়।
ইঁদুরের মশার মাধ্যমে রোগ হয়।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!