ঈশ্বরের ত্রাতা রূপকে বলা হয় অবতার l
পরশুরাম ছিলেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার।
রাম যেমন ছিলেন বীর তেমনি বিনয়ী ও প্রজাবৎসল l
মহাসমারোহে রামের রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন হয়।
মিথিলার রাজার নাম ছিল জনক l
রামের জন্ম হয় চৈত্র মাসে।
বহুরূপে সম্মুখে তোমার, ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর; l
ভগিনী নিবেদিতা উত্তর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।
জীবসেবা করলেই ঈশ্বরসেবা হয়।
একমাত্র হরিনামের মাধ্যমেই ঈশ্বরকে লাভ করা সম্ভব।
হরিচাঁদ ঠাকুর ভক্তদের বারোটি উপদেশ দিয়েছেন।
পৃথিবীটা খুব সুন্দর।
অনেক সময় অত্যাচারীরা ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
সাধারণ মানুষ খোঁজে কোনো ত্রাতাকে l
অবতারগণ যুগে যুগে অবতীর্ণ হন।
ঈশ্বর
ঈশ্বর সকল প্রাণীর দেহে আত্মারূপে অবস্থান করেন।
ঈশ্বর কখনো নিরাকার ব্রহ্ম l
যদা যদা হি ধর্মস্য গ্লানির্ভবতি ভারত।
পৃথিবীতে ঈশ্বরের আবির্ভাবকে অবতার বলা হয়।
ত্রেতা যুগে ক্ষত্রিয় রাজারা খুব অত্যাচারী হয়ে ওঠেন।
ভৃগুরাম মহাদেবের তপস্যা করেন।
কার্তবীর্য নামে প্রবল শক্তিশালী এক রাজা ছিলেন।
কার্তবীর্য আশ্রম লণ্ডভণ্ড করেন এবং কামধেনু হরণ করেন।
পরশুরাম প্রতিজ্ঞা করেন পৃথিবীকে ক্ষত্রিয়শূন্য করবেন।
ব্রহ্মার বরে রাবণ অজেয় হন।
দশরথ ছিলেন ইক্ষাকু বংশের রাজা।
রাম হরধনুঃ ভেঙে সীতাকে বিয়ে করেন।
ভরতের স্ত্রী হলেন মান্ডবী ।
দাসী মন্থরা রানি কৈকেয়ীকে কুপরামর্শ দেয়।
প্রথম বরে ভরতকে রাজা করতে হবে।
রাম সবকিছু জেনে পিতৃসত্য পালনের জন্য বনবাসে যান.।
ভরত রামের পাদুকা সিংহাসনে রাখেন।
বনবাসকালে রাবণ সীতাকে হরণ করে লঙ্কাপুরীতে নিয়ে যান।
অত্যাচারী রাবণের মৃত্যুতে সর্বত্র শান্তি ফিরে আসে।
রামরাজত্বে প্রজারা সুখে-শান্তিতে বাস করত।
রাম বিষ্ণুর সপ্তম অবতার।
রামের পিতৃভক্তির তুলনা নেই।
ভরতের অনুরোধে রাম রাজ্যভার গ্রহণ করেন।
বিশ্বনাথ দত্ত পুত্রের নাম রাখেন নরেন্দ্রনাথ l
মাতা ভুবনেশ্বরী দেবী সন্তানের নাম রাখেন বীরেশ্বর ।
নরেন্দ্র ছিল খুবই দুরন্ত, তবে অত্যন্ত-মেধাবী l
নরেন্দ্রনাথ ছিল সত্যবাদী নির্ভীক।
দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িতে সাধক রামকৃষ্ণের সাথে নরেন্দ্রনাথের সাক্ষাৎ হয়।
রাজপুতনার ক্ষেত্রী রাজা অজিত সিং নরেন্দ্রনাথ দত্তকে স্বামী বিবেকানন্দ নামটি দিয়েছিলেন।
সম্মেলনে বক্তৃতার শুরুতে বিবেকানন্দ উপস্থিত সকলকে ভগিনী ও ভ্রাতৃবৃন্দ বলে সম্বোধন করেন।
স্বামী বিবেকানন্দের শিক্ষা হলো শিবজ্ঞানে জীবসেবা l
১৮৯৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতায় মহামারি আকারে প্লেগ রোগ দেখা দেয়।
মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রধান আচার্য ছিলেন হরিচাঁদ ঠাকুর ।
ছোটোবেলায় হরিচাঁদ ঠাকুরের নাম ছিল হরিদাস l
হরিচাঁদ ঠাকুর ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও প্রখর বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন l
ছোটোবেলা থেকেই হরিচাঁদ ঠাকুর ভাবুক প্রকৃতির ছিলেন।
হরিণাম সংকীর্তনের এই সাধন-ভজনের পথ বা মতবাদের নাম মতুয়াবাদ l
মতুয়া অর্থ হচ্ছে যারা হরিপ্রেমে মত্ত থাকে।
হরিচাঁদ ঠাকুর সবাইকে নিরলসভাবে কাজ করতে বলেছেন।
হরিচাঁদ ঠাকুর ১৮৭৮ সালের ৬ মার্চ পরলোকগমন করেন।
নারীকে মাতৃজ্ঞান করবে।
সকল ধর্মের প্রতি মাতৃজ্ঞান থাকবে।
নিবেদিতার পিতা স্যামুয়েল রিচমন্ড নোবল একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
একটি আধ্যাত্মিক পরিমণ্ডলে নিবেদিতা বেড়ে ওঠেন।
মার্গারেট অসাধারণ মেধা ও প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।
মার্গারে স্বামীজির -শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
ভগিনী নিবেদিতার অসামান্য ব্যক্তিত্বের পরিচয় পাওয়া যায় তাঁর ত্যাগধর্মে।
Related Question
View Allঈশ্বরের ত্রাতা রূপকে বলা হয় অবতার l
পরশুরাম ছিলেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার।
রাম যেমন ছিলেন বীর তেমনি বিনয়ী ও প্রজাবৎসল l
মহাসমারোহে রামের রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন হয়।
মিথিলার রাজার নাম ছিল জনক l
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!