হজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
হজরত ইবরাহিম (আ.) বর্তমান ইরাকের প্রাচীন বাবেল শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত ইবরাহিম (আ.) যখন নবুয়ত লাভ করেন তখন সে দেশের বাদশাহ ছিল নমরুদ ।
বাদশাহ নমরুদ তাঁকে পুড়িয়ে মারার জন্য বিশাল অগ্নিকুণ্ড তৈরি করল।
মা হাজেরা পানির সন্ধানে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি করেছিলেন।
হজরত নুহ (আ.)-এর সময় মহাপ্লাবনে কাবাঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রাচীনকালে মিশরের বাদশাহদের উপাধি ছিল ফিরাউন ।
ফিরাউন এক রাতে আশ্চর্যজনক এক স্বপ্ন দেখল।
মহান আল্লাহর সঙ্গে হজরত মুসা (আ.) এ সময় সরাসরি কথা বলতেন।
হজরত মুসা (আ.) তাঁর অনুসারীদের নিয়ে নীলনদের তীরে উপস্থিত হন।
এ সময় মহান আল্লাহর আদেশে হজরত মুসা (আ.) তাঁর : লাঠি দিয়ে পানিতে আঘাত করেন।
তিনি ছিলেন মানবজাতির এক মহান শিক্ষক ও অনুকরণীয় আদর্শ
তাঁর পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা l
সবাই তাকে 'আল-আমিন' ও আস-সাদিক বলে ডাকত।
এটি 'হারবুল ফিজার' বা অন্যায় যুদ্ধ নামে পরিচিত।
পিতার নাম খাত্তাব এবং মাতার নাম হানতামা।
হজরত আবু বকর (রা.)-এর মৃত্যুর পর তিনি দ্বিতীয় খলিফা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মদ্যপানের অপরাধে নিজপুত্র আবু শাহমাকে তিনি কঠোর শাস্তি দিয়েছিলেন।
হজরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.)৬১৩; খ্রিস্টাব্দে মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন।
হজরত আয়েশা (রা.) শিশু বয়সে খেলাধুলা করতে ভালোবাসতেন ।
হজরত আয়েশা (রা.) রাসুলুল্লাহ (স.)-এর সঙ্গে বিভিন্ন সময় সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করতেন।
Related Question
View Allহজরত ইবরাহিম আ.)-কে খলিলুল্লাহ বা আল্লাহর বন্ধু বলা হয়।
হজরত মুসা (আ.) ছিলেন খুবই সৎ, সাহসী ও ন্যায়পরায়ণ একজন নবি।
মহানবি (স.) ছিলেন ধৈর্যশীল কর্মঠ ও ধীরস্থির প্রকৃতির।
কৈশোর থেকে মহানবি (স.) অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেন।
দেশের অশান্তি দূর করার জন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
গৃহকর্মীদের সঙ্গে বসে খাবার গ্রহণ হজরত উমর (রা.)। এর একটি অনুসরণীয় আদর্শ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!