সমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
যে পানিতে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে।
উৎসের ভিত্তিতে পানিকে দুই ভাগ করা যায়।
হাত বা মুখ ধোয়ার পর পানির কলটি বন্ধ করে পানির অপচয় রোধ করতে পারি।
পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ পানি।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
প্রাকৃতিক উৎসের মধ্যে সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি বৃষ্টির পানি।
পৃথিবী পৃষ্ঠের পানিই হলো ভূপৃষ্ঠের পানি।
ভূপৃষ্ঠের পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে।
নলকূপের মাধ্যমে আমরা ভূগর্ভস্থ পানি পাই।
পানি দুই প্রকার স্বাদু পানি ও লবণাক্ত পানি।
পৃথিবীর অধিকাংশ পানিই লবণাক্ত ।
আমরা সাগর ও মহাসাগর থেকে লবণাক্ত পানি পাই।
সবধরনের পানি পান করা নিরাপদ নয়।
নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
আর্সেনিকযুক্ত পানি ব্যবহারে চর্মরোগ ও ক্যান্সার হতে পারে।
পানির অপর নাম জীবন ।
সবুজ রং করা নলকূপের পানি নিরাপদ ।
লাল রং করা নলকূপের পানি অনিরাপদ ।
মানুষের শরীরের প্রায় ৬০ - ৭০ শতাংশ পানি।
জীবের বেঁচে থাকার জন্য পানি প্রয়োজন।
পানির তীব্র অভাবকে খরা বলে।
পানিকে কোনোভাবেই অপচয় করা উচিত নয়।
পানির ট্যাপ নষ্ট হলে দ্রুত মেরামত করতে হবে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allসমুদ্র হলো পানির প্রাকৃতিক উৎস।
যে পানিতে লবণ থাকে, তাকে লবণাক্ত পানি বলে।
উৎসের ভিত্তিতে পানিকে দুই ভাগ করা যায়।
হাত বা মুখ ধোয়ার পর পানির কলটি বন্ধ করে পানির অপচয় রোধ করতে পারি।
পৃথিবীর উপরিভাগের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগ পানি।
পানির উৎসকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!