বিভিন্ন জীবাণু শরীরে প্রবেশের ফলে সৃষ্ট রোগ হচ্ছে সংক্রামক রোগ।
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের দেহে ছড়ায় সংক্রামক রোগ
ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত সংক্রামক রোগ।
আমাশয় হলো পানিবাহিত সংক্রামক রোগ।
ভিন্ন ধরনের সংক্রামুক্ত রোগ হচ্ছে এইডস
ডায়রিয়া, কলেরা হচ্ছে পানিবাহিত রোগ।
ফ্লু, ইবোলা হলো ছোঁয়াচে রোগ।
হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রামক রোগের জীবাণু ছড়ায়
ক্রমাগত বমি ও তীব্র মাথা ব্যথা হলে ডাক্তারের কাছে যাবে।
সোয়াইন ফ্লু বায়ুর মাধ্যমে ছড়ায়
সংক্রামক রোগ হাঁচি-কাশির মাধ্যমে একজন থেকে আরেক জনে ছড়াতে পারে।
টাইফয়েডের জীবাণু পানির মাধ্যমে ছড়াতে পারে।
ম্যালেরিয়া বা ডেঙ্গু রোগের বাহক হচ্ছে মশা ।
এইচআইভি ভাইরাস এইডস রোগের কারণ।
এইডস এইচআইভি ভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ায়।
রোগাক্রান্ত ব্যক্তির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংস্পর্শে ছোঁয়াচে রোগ হয়।
প্রাণী ও পোকামাকড়ের মাধ্যমে জীবাণুবাহিত রোগ ছড়ায়।
কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগ ছাড়ায়।
সংক্রামক রোগ জীবাণুর মাধ্যমে হয়ে থাকে
হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু, রুমাল দিয়ে মুখ ঢেকে আমরা সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করতে পারি।
রোগাক্রান্ত হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে
বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের মাংসপেশি সুগঠিত হয়।
মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকাল ৮ -১৩ বছর বয়সে শুরু হয়।
ছেলেদের বয়ঃসন্ধিকাল ৯-১৫ বছর বয়সে শুরু হয়।
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের গলার স্বরের পরিবর্তন হয়।
বয়ঃসন্ধিকালে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে শারীরিক, মানসিক ও আচরণিক পরিবর্তন হয়।
বয়ঃসন্ধিকালে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করতে হবে।
স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে আমরা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে পারি এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরেও আমরা রোগাক্রান্ত হই। আমরা কেন রোগাক্রান্ত হই? আমরা কীভাবে রোগ প্রতিরোধ এবং রোগের প্রতিকার করতে পারি?
Related Question
View Allবিভিন্ন জীবাণু শরীরে প্রবেশের ফলে সৃষ্ট রোগ হচ্ছে সংক্রামক রোগ।
প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে একজন মানুষ থেকে আরেকজন মানুষের দেহে ছড়ায় সংক্রামক রোগ
ডায়রিয়া একটি পানিবাহিত সংক্রামক রোগ।
আমাশয় হলো পানিবাহিত সংক্রামক রোগ।
ভিন্ন ধরনের সংক্রামুক্ত রোগ হচ্ছে এইডস
ডায়রিয়া, কলেরা হচ্ছে পানিবাহিত রোগ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!