পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।
পরিবর্তিত জলবায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য গৃহীত কর্মসূচিই হলো অভিযোজন ।
সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি হলো নবায়নযোগ্য শক্তি।
জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রতি বছর উঠানামা করছে।
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড হ্রাস করতে পারি
আবহাওয়ার দীর্ঘ সময়ের গড় অবস্থা হলো জলবায়ু ।
বনভূমি ধ্বংসের ফলে বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
কার্বন ডাইঅক্সাইড তাপ ধরে রাখে
ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা হলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ ।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়াই হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য আমরা দুইটি কৌশল অবলম্বন করতে পারি।
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে পৃথিবীর জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রতি বছর উঠানামা করছে।
বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে পৃথিবীর জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে
তাপমাত্রা বাড়লে প্রাকৃতিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলছে।
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে আমরা বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাইঅক্সাইড হ্রাস করতে পারি।
আবহাওয়ার উপাদানগুলোর উল্লেখযোগ্য স্থায়ী পরিবর্তন হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
গ্রিন হাউজ হলো কাচের তৈরি ঘর।
পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী কার্বন ডাইঅক্সাইড
গ্রিন হাউজে তীব্র শীতেও গাছপালা উষ্ণ ও সজীব থাকে।
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল গ্রিন হাউজের ন্যায় কাজ করে।
Related Question
View Allপৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ছে।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাওয়াকে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন বলে।
পরিবর্তিত জলবায়ুতে বেঁচে থাকার জন্য গৃহীত কর্মসূচিই হলো অভিযোজন ।
সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি হলো নবায়নযোগ্য শক্তি।
জলবায়ু ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়।
পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রতি বছর উঠানামা করছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!