সতত, হে নদ, তুমি পড় মোর মনে!

সতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে;

সতত (যেমতি লোক নিশার স্বপনে

শোনে মায়া-মন্ত্রধ্বনি) তব কলকলে

জুড়াই এ কান আমি ভ্রান্তির ছলনে!

বহু দেশে দেখিয়াছি বহু নদ-দলে

কিন্তু এ স্নেহের তৃষ্ণা মিটে কার জলে?

দুগ্ধ-স্রোতোরূপী তুমি জন্মভূমি-স্তনে।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে 'মানস' শব্দের অর্থ মন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

প্রশ্নোক্ত কথাটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, নদীর জল কখনো একই জায়গায় অবস্থান করে না।

পৃথিবী গতিময় ও পরিবর্তনশীল। সবকিছুই সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তিত হয়। নদীর পানি প্রবাহিত হয়ে চলে যায়। সেই পানি পুনরায় আর ফিরে আসে না। জীবন-নদীর ধর্মও নদীর মতো। এখানে কেউ অমরত্ব লাভ করতে পারে না।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

স্মৃতিকাতরতার দিক দিয়ে উদ্দীপকের সঙ্গে 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

মানুষ স্বদেশকে কখনই ভুলে থাকতে পারে না। পৃথিবীর কোনো মায়াই মানুষের স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা এক বিন্দু কমাতে পারে না। এ কারণেই প্রবাসে থেকেও মানুষের স্বদেশের প্রতি স্মৃতিকাতরতা বারবার তাড়িত করে।
'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির গভীর শ্রদ্ধা ও একাগ্রতা প্রকাশ পেয়েছে। কবি প্রবাসজীবনে থেকেও নিজের মাতৃভূমিকে ভুলতে পারেননি। এজন্য কবি স্মৃতিবিজড়িত স্বদেশের কাছে বারবার মিনতি করেছেন, দেশমাতা যেন তাঁকে স্মরণে রাখে। উদ্দীপকের কবিতাংশেও মাতৃভূমির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। জন্মভূমির স্মৃতি কবিকে বারবার তাড়িত করে। এই দিক থেকেই উদ্দীপকের সাথে 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার সাদৃশ্য রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
উত্তরঃ

"উদ্দীপকে 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার বিষয়বস্তুর আংশিক ভাবের প্রতিফলন ঘটেছে।" মন্তব্যটি যথার্থ।

মানুষ স্বদেশের কাছ থেকে দূরে গিয়েও স্বদেশকে কখনো ভুলে থাকতে পারে না। স্বদেশের নানা অনুষঙ্গের স্মৃতি তার বারবার মনে পড়ে। স্বদেশের প্রতি গভীর দেশপ্রেম থেকেই এমনটি ঘটে ।

উদ্দীপকের কবিতাংশে কবি স্বদেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে স্মৃতিবিজড়িত নদের কথা স্মরণ করেছেন। সেই নদের কথা কবির সবসময় মনে পড়ে। দূরে গিয়ে বহু দেশের বহু নদ-নদী দেখেও কবি স্বদেশের প্রিয় নদের কথা ভুলতে পারেননি। 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায়ও স্বদেশের প্রতি স্মৃতিকাতরতার পাশাপাশি তীব্র ভালোবাসার প্রতিফলন ঘটেছে। কবি প্রবাসজীবনে থেকেও জন্মভূমির স্মৃতিকে ভুলে থাকতে পারেননি। এজন্য কবি জন্মভূমির মাটিতে অমর হয়ে থাকতে চেয়েছেন। দেশকে মায়ের মতো ভেবে কবি দেশমাতার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। কবি বিনয়ের সঙ্গে দেশমাতার কাছে মিনতি জানিয়েছেন, তিনি যেন দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকতে পারেন।

'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও একাগ্রতা তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে। সেই সাথে দেশকে মায়ের মতো কল্পনা করে জন্মভূমির প্রতি কবির গভীর মিনতি বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু উদ্দীপকে আলোচ্য কবিতার সঙ্গে মিল রেখে স্মৃতিকাতরতার বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে মাত্র। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার বিষয়বস্তুর আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
103

রেখো, মা, দাসেরে মনে,      এ মিনতি করি পদে।
                           সাধিতে মনের সাধ
                           ঘটে যদি পরমাদ,
মধুহীন করো না গো।           তব মনঃকোকনদে।
                         প্রবাসে, দৈবের বশে,
                         জীব-তারা যদি খসে
এ দেহ-আকাশ হতে,          নাহি খেদ তাহে।
                         জন্মিলে মরিতে হবে, 

                       অমর কে কোথা কবে,
চিরস্থির কবে নীর,               হায় রে, জীবন-নদে?
                      কিন্তু যদি রাখ মনে,
                     নাহি, মা, ডরি শমনে;

 মক্ষিকাও গলে না গো        পড়িলে অমৃত-হ্রদে।
                     সেই ধন্য নরকুলে,
                  লোকে যারে নাহি ভুলে,
মনের মন্দিরে সদা             সেবে সর্বজন
                কিন্তু কোন গুণ আছে, 

                  যাচিব যে তব কাছে,
হেন অমরতা আমি,            কহ, গো, শ্যামা জন্মদে।
                  তবে যদি দয়া কর,

                  ভুল দোষ, গুণ ধর
অমর করিয়া বর            দেহ দাসে, সুবরদে! !
                ফুটি যেন স্মৃতি-জলে, 

                 মানসে, মা, যথা ফলে
মধুময় তামরসকী          বসন্ত, কী শরদে

Related Question

View All
উত্তরঃ

কবি দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকার জন্য বর প্রার্থনা করেন।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর জন্মভূমিকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন। তিনিও চান তাঁর প্রিয় জন্মভূমি যেন তাকে মনে রাখেন, হৃদয়ে স্থান দেন। দেশমাতৃকার স্মৃতিতে পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকার মধ্য দিয়ে তিনি অমরতা লাভ করতে চান। কবি আকুলভাবে তাঁর স্বদেশের কাছে সেই বর প্রার্থনা করেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
619
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রথম কবিতাংশে বাংলার প্রকৃতিতে কবির অমরতা লাভের আকাঙ্ক্ষা ও স্বদেশপ্রেম প্রকাশ পেয়েছে। 'ফুটি যেন স্মৃতি-জলে' চরণটির মধ্য দিয়েও এ কথাই প্রকাশ পায়।

সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি। এদেশের প্রতি রয়েছে আমাদের সীমাহীন ভালোবাসা। বাংলা-মায়ের কোলে তাই সব বাঙালি অনন্তকাল স্থান পেতে চায়।

উদ্দীপকের প্রথম স্তবকের কবি মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম হলে মানুষ অথবা শঙ্খচিল-শালিকের বেশে বাংলা-মায়ের কোলে ফিরে আসার আকুতি প্রকাশ করেছেন। কবির এ আকুতির মধ্য দিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে অমরতা লাভের ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে অকৃত্রিম স্বদেশপ্রেম। কবির এই স্বদেশপ্রেমের অনুভূতি ও অমরতা লাভের আকাঙ্ক্ষা 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার প্রশ্নোক্ত চরণটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। একজন বাংলা-মায়ের কাছে ফিরে আসতে চেয়েছেন, অন্যজন বাংলা-মা যেন তাঁকে মনে রাখে এবং তিনি যেন মায়ের স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে থাকতে পারেন অনন্তকাল সেই মিনতি জানিয়েছেন।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
222
উত্তরঃ

"দ্বিতীয় কবিতাংশ এবং 'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতার মূল সুর একই"- মন্তব্যটি যথার্থ।

আমাদের জন্মভূমি বিচিত্র উপাদানে সজ্জিত। যেমন প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর তেমনই এ দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে।

'বঙ্গভূমির প্রতি' কবিতায় স্বদেশের প্রতি কবির শ্রদ্ধা ও একাত্মতা তীব্রভাবে প্রকাশ পেয়েছে। কবি স্বদেশকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। স্বদেশের প্রতিটি বস্তু তাঁকে আকর্ষণ করে। তাই কবি বাংলা-মাকে আকুতি জানিয়েছেন তিনি যেন ছেলেকে ভুলে না যান। আকাঙ্ক্ষা জানিয়েছেন চির স্মরণীয় হওয়ার এবং দেশমাতার স্মৃতিতে পদ্ম ফুলের মতো ফুটে থাকার। উদ্দীপকের দ্বিতীয় কবিতাংশেও দেশ বা পৃথিবীর প্রতি কবির ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। কবি দেশ, দেশের মানুষের মাঝে তথা এ সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে চান। মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই প্রকৃতি এই পৃথিবী ছেড়ে চিরতরে চলে যেতে চান না।

দেশমাতৃকার প্রতি উদ্দীপকের কবি ও আলোচ্য কবিতার কবি উভয়েরই টান সীমাহীন। উভয় জায়গায়ই দেশ ও দেশের প্রকৃতিকে ভালোবাসা এবং মানবহৃদয়ে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশ পেয়েছে স্বদেশের স্মৃতিতে ঠাঁই পাওয়ার আকুলতা। তাই বলা যায় যে, প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
205
উত্তরঃ

সুখ-দুঃখ নিয়েই মানুষের জীবন চলমান বলে জীবন-নদের নীর স্থির নয়।

জাগতিক নিয়মে জীবন বয়ে চলে। কখনো জীবনে দুঃখ এসে ভর করে, কখনোবা আবার সুখের স্রোতে ভেসে চলে। নদীর ধারা যেমন প্রতিনিয়ত বয়ে চলে, জীবনও তাই। প্রকৃতির নিয়মেই রাতের শেষে
দিন হয়, আবার দিনের শেষে রাত আসে। জীবনেও এমন দুঃখ-দুর্দশায় মেঘ ঘনিয়ে অন্ধকার রাত হয়, আবার হাসি-আনন্দে জীবন ভরে ওঠে। এভাবে প্রকৃতির নিয়মেই জীবন-নদের নীর স্থির নয়।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
278
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews