উত্তরঃ

"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্‌ + মাসিক

উত্তরঃ শে + অন

সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।

অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।

        
  • নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
  •     
  • উদাহরণ: শে + অন = শয়ন

এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
উত্তরঃ বিদ্যুৎ + বেগ

বিদ্যুদ্বেগ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে, 'বিদ্যুৎ' শব্দের শেষ ধ্বনি 'ত্' এবং 'বেগ' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ব' এর মধ্যে সন্ধি হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ত্' এর পর কোনো ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন- ব, গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, হ ইত্যাদি) থাকলে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়। এই নিয়ম অনুসারে, 'বিদ্যুৎ' এর 'ত্' 'দ্'-তে রূপান্তরিত হয়ে 'বিদ্যুদ্বেগ' গঠিত হয়েছে। এটি ঘোষবর্ণের সাথে অঘোষবর্ণের সন্ধির একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত, যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির জটিলতা বোঝাতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
উত্তরঃ পরি + আলােচনা

পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
উত্তরঃ

অতি + ইব


‘অতীব’ শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে ‘অতি’ শব্দের শেষ বর্ণ ‘ই’ এবং ‘ইব’ শব্দের প্রথম বর্ণ ‘ই’ মিলিত হয়ে ‘ঈ’ (দীর্ঘ ই-কার) হয়েছে। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ই’ (হ্রস্ব ই-কার) অথবা ‘ঈ’ (দীর্ঘ ই-কার)-এর পর ‘ই’ অথবা ‘ঈ’ থাকলে উভয় মিলে ‘ঈ’ হয়। এই নিয়ম অনুসারে, অতি + ইব = অতীব।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
উত্তরঃ উৎ + সর্গ

উৎসর্গ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো উৎ + সর্গ। এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জন সন্ধি-র একটি উদাহরণ।

এই সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি হলো:

  • যদি ত্/দ্ ধ্বনির পর স্ ধ্বনি থাকে, তাহলে ত্/দ্ পরিবর্তিত হয়ে হয় এবং স্ অপরিবর্তিত থাকে।
  • যেমন: উৎ + সর্গ = উৎসর্গ। এখানে 'উৎ' এর 'ত্' এবং 'সর্গ'-এর 'স্' যুক্ত হয়ে 'ৎস্' হয়েছে।
Satt AI
Satt AI
15 hours ago
371

সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন – আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ আ (1) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (I) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে =তন্মধ্যে, = এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।
সন্ধির উদ্দেশ্য
(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং (খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন। যেমন— ‘আশা' ও ‘অতীত’ উচ্চারণে যে আয়াস প্রয়োজন, ‘আশাতীত’ তার চেয়ে অল্প আয়াসে উচ্চারিত হয়। সেরূপ ‘হিম আলয় বলতে যেরূপ শোনা যায়, ‘হিমালয়’ তার চেয়ে সহজে উচ্চারিত এবং শ্রুতিমধুর। তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি-মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন— কচু + আদা + আলু =কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা কচ্চাম্বাদা হয় না । =
আমরা প্রথমে খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি ও পরে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের সন্ধি সম্বন্ধে আলোচনা করব। উল্লেখ্য, তৎসম সন্ধি মূলত বর্ণ সংযোগের নিয়ম ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্‌ + মাসিক

3.2k
উত্তরঃ শে + অন

সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।

অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।

        
  • নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
  •     
  • উদাহরণ: শে + অন = শয়ন

এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
338
উত্তরঃ বিদ্যুৎ + বেগ

বিদ্যুদ্বেগ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে, 'বিদ্যুৎ' শব্দের শেষ ধ্বনি 'ত্' এবং 'বেগ' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ব' এর মধ্যে সন্ধি হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ত্' এর পর কোনো ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন- ব, গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, হ ইত্যাদি) থাকলে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়। এই নিয়ম অনুসারে, 'বিদ্যুৎ' এর 'ত্' 'দ্'-তে রূপান্তরিত হয়ে 'বিদ্যুদ্বেগ' গঠিত হয়েছে। এটি ঘোষবর্ণের সাথে অঘোষবর্ণের সন্ধির একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত, যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির জটিলতা বোঝাতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
711
উত্তরঃ পরি + আলােচনা

পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
15 hours ago
306
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews