"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্ + মাসিক।
"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষষ্ঠ+মাসিক
সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।
অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।
- নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
- উদাহরণ: শে + অন = শয়ন
এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।
বিদ্যুদ্বেগ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে, 'বিদ্যুৎ' শব্দের শেষ ধ্বনি 'ত্' এবং 'বেগ' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ব' এর মধ্যে সন্ধি হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ত্' এর পর কোনো ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন- ব, গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, হ ইত্যাদি) থাকলে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়। এই নিয়ম অনুসারে, 'বিদ্যুৎ' এর 'ত্' 'দ্'-তে রূপান্তরিত হয়ে 'বিদ্যুদ্বেগ' গঠিত হয়েছে। এটি ঘোষবর্ণের সাথে অঘোষবর্ণের সন্ধির একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত, যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির জটিলতা বোঝাতে সাহায্য করে।
পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অতি + ইব
‘অতীব’ শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে ‘অতি’ শব্দের শেষ বর্ণ ‘ই’ এবং ‘ইব’ শব্দের প্রথম বর্ণ ‘ই’ মিলিত হয়ে ‘ঈ’ (দীর্ঘ ই-কার) হয়েছে। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ই’ (হ্রস্ব ই-কার) অথবা ‘ঈ’ (দীর্ঘ ই-কার)-এর পর ‘ই’ অথবা ‘ঈ’ থাকলে উভয় মিলে ‘ঈ’ হয়। এই নিয়ম অনুসারে, অতি + ইব = অতীব।
উৎসর্গ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো উৎ + সর্গ। এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জন সন্ধি-র একটি উদাহরণ।
এই সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়মটি হলো:
- যদি ত্/দ্ ধ্বনির পর স্ ধ্বনি থাকে, তাহলে ত্/দ্ পরিবর্তিত হয়ে ৎ হয় এবং স্ অপরিবর্তিত থাকে।
- যেমন: উৎ + সর্গ = উৎসর্গ। এখানে 'উৎ' এর 'ত্' এবং 'সর্গ'-এর 'স্' যুক্ত হয়ে 'ৎস্' হয়েছে।
Related Question
View All"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্ + মাসিক।
"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষষ্ঠ+মাসিক
সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।
অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।
- নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
- উদাহরণ: শে + অন = শয়ন
এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।
বিদ্যুদ্বেগ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে, 'বিদ্যুৎ' শব্দের শেষ ধ্বনি 'ত্' এবং 'বেগ' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ব' এর মধ্যে সন্ধি হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ত্' এর পর কোনো ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন- ব, গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, হ ইত্যাদি) থাকলে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়। এই নিয়ম অনুসারে, 'বিদ্যুৎ' এর 'ত্' 'দ্'-তে রূপান্তরিত হয়ে 'বিদ্যুদ্বেগ' গঠিত হয়েছে। এটি ঘোষবর্ণের সাথে অঘোষবর্ণের সন্ধির একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত, যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির জটিলতা বোঝাতে সাহায্য করে।
পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!