উত্তরঃ মরু + উদ্যান

মরুদ্যান (মরু + উদ্যান) শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দুটি একজাতীয় স্বরবর্ণের মিলনে দীর্ঘ স্বরবর্ণের সৃষ্টি হয় (যেমন: 'অ' + 'অ' = 'আ', 'ই' + 'ই' = 'ঈ', 'উ' + 'উ' = 'ঊ')। এই সূত্রানুসারে, 'মরু' শব্দের শেষের 'উ' এবং 'উদ্যান' শব্দের শুরুর 'উ' একত্রিত হয়ে 'ঊ' হওয়ার কথা ছিল, যার ফলস্বরূপ শব্দটি 'মরূদ্যান' হওয়ার কথা।

তবে, 'মরুদ্যান' শব্দটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি-এর অন্তর্ভুক্ত। এর অর্থ হলো, এটি বাংলা ব্যাকরণের প্রচলিত কোনো নির্দিষ্ট সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি, বরং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত ব্যবহার বা ঐতিহ্যগত কারণে এর রূপসিদ্ধি হয়েছে। তাই এর বিচ্ছেদ 'মরু + উদ্যান' হলেও, এর গঠনপ্রক্রিয়াটি একটি ব্যতিক্রমী ধারা অনুসরণ করে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ বন + ঔষধি

বনৌষধি শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো বন + ঔষধি

এটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ। স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'অ' কার কিংবা 'আ' কারের পর 'ও' কার কিংবা 'ঔ' কার থাকলে উভয় মিলে 'ঔ' কার হয়। এই 'ঔ' কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন: এখানে 'বন' শব্দের শেষ ধ্বনি 'অ' এবং 'ঔষধি' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ঔ'। এই 'অ' ও 'ঔ' মিলে 'ঔ' কার হয়েছে, যা 'ন' অক্ষরের সাথে যুক্ত হয়ে 'নৌ' গঠন করেছে এবং শব্দটি 'বনৌষধি' হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ মহর্ষি = মহা + ঋষি

এটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা গুণ সন্ধি নামে পরিচিত। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, ‘অ’ বা ‘আ’-এর পর ‘ঋ’ থাকলে উভয় মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ (র্) রূপে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই নিয়ম অনুযায়ী, ‘মহা’ শব্দের ‘আ’ এবং ‘ঋষি’ শব্দের ‘ঋ’ মিলে ‘অর’ হয়েছে, যা পরবর্তী বর্ণ ‘ষ’ এর উপর রেফ আকারে বসে ‘মহর্ষি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ সঞ্চয় = সম্ + চয়

‘সঞ্চয়’ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘ম’ অথবা ‘ং’ এর পর যদি চ বর্গীয় (চ, ছ, জ, ঝ) ধ্বনি থাকে, তাহলে ‘ম’ অথবা ‘ং’ স্থানে ‘ঞ’ হয়।

        
  • এখানে, সম্ + চয় = সঞ্চয়
  •     
  • ‘ম’ এর পর ‘চ’ থাকায় ‘ম’ স্থানে ‘ঞ’ হয়েছে এবং তা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ‘সঞ্চয়’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।
  •     
  • এটি নত্ব ও ষত্ব বিধির মতো ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
Satt AI
Satt AI
1 month ago
উত্তরঃ তপঃ + বন

তপোবন শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ হলো তপঃ + বন। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ। বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কারের পরস্থিত বিসর্গের (ঃ) পরে ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন: গ, ঘ, ঙ, জ, ঝ, ঞ, ড, ঢ, ণ, দ, ধ, ন, ব, ভ, ম, য, র, ল, হ) থাকলে, বিসর্গটি 'ও'-কারে রূপান্তরিত হয়। এখানে 'তপঃ' শব্দের শেষে 'অ' ধ্বনির পর বিসর্গ (ঃ) এবং তার পরে 'বন' শব্দের 'ব' (ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি) থাকায়, বিসর্গটি 'ও'-কারে পরিণত হয়ে 'তপোবন' শব্দটি গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
184

সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি। যেমন – আশা + অতীত = আশাতীত। হিম + আলয় = হিমালয়। প্রথমটিতে আ + অ আ (1) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (I) হয়েছে। আবার, তৎ + মধ্যে =তন্মধ্যে, = এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।
সন্ধির উদ্দেশ্য
(ক) সন্ধির উদ্দেশ্য স্বাভাবিক উচ্চারণে সহজপ্রবণতা এবং (খ) ধ্বনিগত মাধুর্য সম্পাদন। যেমন— ‘আশা' ও ‘অতীত’ উচ্চারণে যে আয়াস প্রয়োজন, ‘আশাতীত’ তার চেয়ে অল্প আয়াসে উচ্চারিত হয়। সেরূপ ‘হিম আলয় বলতে যেরূপ শোনা যায়, ‘হিমালয়’ তার চেয়ে সহজে উচ্চারিত এবং শ্রুতিমধুর। তাই যে ক্ষেত্রে আয়াসের লাঘব হয় কিন্তু ধ্বনি-মাধুর্য রক্ষিত হয় না, সে ক্ষেত্রে সন্ধি করার নিয়ম নেই। যেমন— কচু + আদা + আলু =কচ্চাদালু হয় না। অথবা কচু + আলু + আদা কচ্চাম্বাদা হয় না । =
আমরা প্রথমে খাঁটি বাংলা শব্দের সন্ধি ও পরে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দের সন্ধি সম্বন্ধে আলোচনা করব। উল্লেখ্য, তৎসম সন্ধি মূলত বর্ণ সংযোগের নিয়ম ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্‌ + মাসিক

3.3k
উত্তরঃ রাজ্ + নী

    "রাজ্ঞী" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো রাজ্ + নী। এটি ব্যঞ্জন সন্ধির (Consonant Sandhi) একটি উদাহরণ। এখানে, 'রাজ্' শব্দের অন্তস্থিত 'জ্' ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে 'নী' প্রত্যয়ের 'ন্' ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন ঘটেছে। ব্যঞ্জন সন্ধির নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী, 'জ্' এবং 'ন্' এর সংযোগে 'জ্ঞ' ধ্বনি সৃষ্টি হয়েছে। 'নী' প্রত্যয়টি এখানে স্ত্রীলিঙ্গবাচক, যা মূল শব্দ 'রাজা' থেকে 'রাজ্ঞী' (রাণী) রূপটি নির্দেশ করে। ব্যঞ্জন সন্ধিতে এমন বর্ণান্তর বা লোপ নির্দিষ্ট ব্যাকরণিক সূত্র মেনে ঘটে থাকে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
345
উত্তরঃ শে + অন

সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।

অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।

        
  • নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
  •     
  • উদাহরণ: শে + অন = শয়ন

এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
368
উত্তরঃ মিথ্ + ইয়া

সন্ধি হলো পাশাপাশি দুটি ধ্বনির মিলন, যেখানে ধ্বনির পরিবর্তন, লোপ বা আগম ঘটে। বাংলা ব্যাকরণে 'মিথ্যা' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো 'মিথ্ + ইয়া'।

এটি মূলত 'মিথ্' ধাতু এবং 'ইয়া' প্রত্যয়ের যোগে গঠিত একটি শব্দ (কৃত্ প্রত্যয় সাধিত)। তবে, বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে এই রূপটিই পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রচলিত এবং স্বীকৃত। এখানে 'ই' কারের পর 'আ' কার যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ ধ্বনিগত রূপ লাভ করেছে, যা কিছু ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়মের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও, এর গঠনগত বিশ্লেষণ প্রত্যয়-নির্ভর।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
936
উত্তরঃ পরি + আলােচনা

পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
336
উত্তরঃ ঈশ্বর + ইক

ঐশ্বরিক শব্দটি একটি তদ্ধিত প্রত্যয়ান্ত শব্দ। এখানে 'ঈশ্বর' মূল শব্দের সঙ্গে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'ঐশ্বরিক' শব্দটি গঠিত হয়েছে।

বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রায়শই মূল শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। যেমন: ঈশ্বর শব্দের প্রথম স্বর 'ঈ' (ই) থেকে 'ঐ' (ঐ) তে রূপান্তরিত হয়েছে। যদিও এটি সরাসরি স্বরসন্ধির প্রচলিত নিয়মের মধ্যে পড়ে না, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সন্ধি বিচ্ছেদ হিসেবে এর বিশ্লেষণ 'ঈশ্বর + ইক' ই গৃহীত হয়, যা মূলত প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত।

Satt AI
Satt AI
1 month ago
571
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews