উত্তরঃ

মহা + ঋষি

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
উত্তরঃ

সম্+মান

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
উত্তরঃ

অহঃ + অহ

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
উত্তরঃ

যথা + ইচ্ছা 

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
উত্তরঃ

রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র।

Prince Mondal
Prince Mondal
2 years ago
134

তৎসম শব্দের স্বরসন্ধি:

স্বরধ্বনির সঙ্গে স্বরধ্বনির মিলনের নাম স্বরসন্ধি ।

১. অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন—

অ + অ আ নর+ অধম = নরাধম। এরূপ-হিমাচল, প্রাণাধিক, হস্তান্তর, হিতাহিত ইত্যাদি। =

অ + আ আহিম + আলয় = হিমালয়। এরূপ - দেবালয়, রত্নাকর, = সিংহাসন ইত্যাদি। আ + অ আ যথা + অর্থ = যথার্থ। এরূপ – আশাতীত, কথামৃত, মহার্ঘ ইত্যাদি ।

=আ + আ আ বিদ্যা+ আলয় = বিদ্যালয়। এরূপ- কারাগার, মহাশয়, সদানন্দ ইত্যাদি।

২. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়; এ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন—

অ + ই = এ শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা।

আ + ই =এ যথা + ইষ্ট = যথেষ্ট।

অ + ঈ=এ  পরম + ঈশ =পরমেশ।

আ + ঈ =এ মহা + ঈশ =মহেশ ।

এরূপ –পূর্ণেন্দু, শ্রবণেন্দ্রিয়, স্বেচ্ছা, নরেশ, রমেশ, নরেন্দ্র ইত্যাদি।

৩. অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়; ও-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনে যুক্ত হয়। যেমন-

অ + উ সূর্য + উদয় = সূর্যোদয় ।

আ + উ = যথা + উচিত যথোচিত।

অ + ঊ =ও গৃহ + ঊর্ধ্ব = গৃহো ।

আ + ঊ = গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি।

এরূপ – নীলোৎপল, চলোর্মি, মহোৎসব, নবোঢ়া, ফলোদয়, যথোপযুক্ত, হিতোপদেশ, পরোপকার, প্রশ্নোত্তর ইত্যাদি ৷

8. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ঋ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ‘অর’ হয় এবং তা রেফ (´ ) রূপে পরবর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন—

অ + ঋ =অর্ দেব + ঋষি = দেবর্ষি । 

আ + ঋ = অর্ মহা + ঋষি = মহর্ষি

এরূপ – অধমর্ণ, উত্তমর্ণ, সপ্তর্ষি, রাজর্ষি ইত্যাদি।

৫. অ-কার কিংবা আ-কারের পর “ঋত’-শব্দ থাকলে (অ, আ+ঋ) উভয় মিলে ‘আর’ হয় এবং বানানে পূর্ববর্তী বর্ণে আ ও পরবর্তী বর্ণে রেফ লেখা হয়। যেমন—

অ + ঋ= আর শীত + ঋত = = শীতার্ত।

আ + ঋ = আর তৃষ্ণা + ঋত = তৃষ্ণার্ত।

এরূপ –ভয়ার্ত, ক্ষুধার্ত ইত্যাদি।

৬. অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার কিংবা ঐ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়; ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন—

অ + এ = ঐ জন + এক জনৈক। 

আ + এ= ঐ  সদা + এব = সদৈব।

অ + ঐ=ঐ  মত + ঐক্য = মতৈক্য।

আ + ঐ = ঐ  মহা + ঐশ্বর্য মহৈশ্বৰ্য ৷

এরূপ— হিতৈষী, সর্বৈব, অতুলৈশ্বর্য ইত্যাদি।

৭. অ-কার কিংবা আ-কারের পর ও-কার কিংবা ঔ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঔ-কার হয়; ঔ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন-

বন + ওষধি বনৌষধি ৷

অ + ও =মহা + ওষধি মহৌষধি ।

আ + ও = ঔ

অ + ঔ =ঔ  পরম + ঔষধ =পরমৌষধ।

আ + ঔ =ঔ মহা + ঔষধ = মহৌষধ ।

৮. ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই-কার কিংবা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ঈ-কার হয়। দীর্ঘ ঈ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন-

ই + ই =ঈ  অতি + ইত = অতীত

ই + ঈ =ঈ  পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা ৷

ঈ + ই= ঈ সতী + ইন্দ্ৰ = সতীন্দ্র ।

ঈ + ঈ =ঈ  সতী + ঈশ = সতীশ ৷

এরূপ— গিরীন্দ্র, ক্ষিতীশ, মহীন্দ্র, শ্রীশ, পৃথ্বীশ, অতীব, প্রতীক্ষা, প্রতীত, রবীন্দ্র, দিল্লীশ্বর ইত্যাদি।

৯. ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ই ও ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে ‘য’ বা য(j) ফলা হয়। য-ফলা লেখার সময় পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে লেখা হয়। যেমন—

ই + অ = য্ + অ অতি + অন্ত = অত্যন্ত।

ই + আ = ষ্ + আ ইতি + আদি = ইত্যাদি ।

ই + উ = ব্ + উ অতি + উক্তি অত্যুক্তি।

ই + ঊ = য্ + ঊ প্ৰতি + ঊষ = প্রত্যূষ।

ঈ+ আ = য্ + আ মসী + আধার = মস্যাধার।

ই + এ= ব্ + এ  প্রতি + এক =প্রত্যেক ।

ঈ + অ = য্ + অ নদী + অম্বু = নদ্যম্বু।

এরূপ-প্রত্যহ, অত্যধিক, গত্যন্তর, প্রত্যাশা, প্রত্যাবর্তন, আদ্যন্ত, যদ্যপি, অভ্যুত্থান, অত্যাশ্চর্য, প্রত্যুপকার ইত্যাদি।

১০. উ-কার কিংবা ঊ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঊ-কার হয়; ঊ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। যেমন—

উ + উ = ঊ মরু + উদ্যান = মরূদ্যান ।

উ + ঊ= উ = বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব।

উ + উ= উ বধূ + উৎসব = বধূৎসব।

উ+ উ=উ  ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব।

১১. উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার ও ঊ-কার ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে উ বা ঊ স্থানে ব-ফলা হয় এবং লেখার সময় ব-ফলা পূর্ববর্তী বর্ণের সাথে লেখা হয়। যেমন-

উ + অ = ব + অ    সু + অল্প = স্বল্প ।

উ + আ = ব + আ     সু + আগত = স্বাগত ।

উ + ই = ব + ই   অনু + ইত = অন্বিত ।

উ + ঈ = ব + ঈ  তনু + ঈ=তন্বী ৷

উ + এ = ব + এ   অনু + এষণ = অন্বেষণ ।

এরূপ- পশ্বধম, পশ্বাচার, অন্বয়, মন্বন্তর ইত্যাদি।

১২. ঋ-কারের পর ঋ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ‘ঋ’ স্থানে ‘র’ হয় এবং তা র-ফলা রূপে পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। যেমন - - পিতৃ + আলয় = পিত্রালয়, পিতৃ + আদেশ = পিত্রাদেশ ।

১৩. এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্

হয়। যেমন-

এ + অ = অয়্ + অ নে + অন = নয়ন। শে + অন = শয়ন ।

ঐ + অ = আহ্ + অ নৈ + অক = নায়ক। গৈ + অক গায়ক।

ও + অ = অব্ + অ পো + অন = পবন। লো + অন = লবণ।

 ঔ + অ = আব্ + অ  পৌ + অক=পাবক ।

ও + আ = অব্ + আ গো + আদি = গবাদি ।

ও + এ = অব্ + এ গো + এষণা = গবেষণা।

ও + ই = অব্ + ই    পো + ইত্ৰ = পবিত্ৰ ৷

ঔ + ই = আব্ + ই নৌ + ইক = নাবিক ।

ঔ + উ = আব্ + উ  ভৌ + উক = ভাবুক ।

১৪. কতগুলো সন্ধি কোনো নিয়ম অনুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। যথা – কুল + অটা - = কুলটা (কুলাটা নয়), গো + অক্ষ = গবাক্ষ (গবক্ষ নয়), প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ় (প্রোঢ় নয়), অন্য + অন্য = অন্যান্য, মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড, শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন।

Related Question

View All
উত্তরঃ

"ষান্মাসিক" শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: ষট্‌ + মাসিক

3.2k
উত্তরঃ শে + অন

সন্ধি হলো দুটি সন্নিহিত ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি মূলত তিন প্রকারের হয়ে থাকে: স্বরসন্ধি, ব্যঞ্জনসন্ধি ও বিসর্গসন্ধি। 'শয়ন' শব্দটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে গঠিত হয়েছে।

অয়াদি স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'এ'-কার (এ) এর পর অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে 'এ' স্থানে 'অয়' হয়।

        
  • নিয়ম: এ + অন্য স্বরধ্বনি = অয়
  •     
  • উদাহরণ: শে + অন = শয়ন

এখানে, 'শে' এর 'এ' ধ্বনির সাথে 'অন' এর 'অ' ধ্বনির মিলন হয়ে 'অয়' রূপান্তর হয়েছে, ফলে শব্দটি 'শয়ন' গঠিত হয়েছে।

Satt AI
Satt AI
29 minutes ago
337
উত্তরঃ বিদ্যুৎ + বেগ

বিদ্যুদ্বেগ শব্দটি ব্যঞ্জন সন্ধির একটি উদাহরণ। এখানে, 'বিদ্যুৎ' শব্দের শেষ ধ্বনি 'ত্' এবং 'বেগ' শব্দের প্রথম ধ্বনি 'ব' এর মধ্যে সন্ধি হয়েছে। ব্যঞ্জন সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো, 'ত্' এর পর কোনো ঘোষ ব্যঞ্জনধ্বনি (যেমন- ব, গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, হ ইত্যাদি) থাকলে 'ত্' পরিবর্তিত হয়ে 'দ্' হয়। এই নিয়ম অনুসারে, 'বিদ্যুৎ' এর 'ত্' 'দ্'-তে রূপান্তরিত হয়ে 'বিদ্যুদ্বেগ' গঠিত হয়েছে। এটি ঘোষবর্ণের সাথে অঘোষবর্ণের সন্ধির একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত, যা বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন সন্ধির জটিলতা বোঝাতে সাহায্য করে।

Satt AI
Satt AI
24 minutes ago
710
উত্তরঃ পরি + আলােচনা

পর্যালােচনা শব্দটি একটি স্বরসন্ধির উদাহরণ। এটি ই-কারের পর ই বা ঈ ভিন্ন অন্য স্বর থাকলে ই বা ঈ স্থানে য হয় এই নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। এখানে 'পরি' শব্দের শেষে থাকা 'ই' কার এবং 'আলােচনা' শব্দের শুরুতে থাকা 'আ' স্বরবর্ণ মিলিত হয়ে 'যা' হয়েছে, যার ফলে 'পর্যালােচনা' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এটি য-ফলা আগমের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ, যা বাংলা ব্যাকরণে সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Satt AI
Satt AI
29 minutes ago
305
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews