নিপা একজন সুগৃহব্যবস্থাপক।
সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা একটি সাধারণ গৃহকে অসাধারণ করে তুলতে পারে। যিনি গৃহ ব্যবস্থাপনার প্রধান দায়িত্বে থাকেন, তিনি হলেন গৃহ ব্যবস্থাপক। তিনি যথাযথভাবে তার দায়িত্ব-কর্তব্য পালনের মাধ্যমে পরিবারে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারেন।
নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারাকে সৃজনশীলতা বা সৃজনীশক্তি বলে। গৃহের পরিবেশকে বৈচিত্র্যময় ও আকর্ষণীয় করার জন্য নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হয়। এজন্য একজন গৃহ ব্যবস্থাপককে সৃজনীশক্তির অধিকারী হতে হয়। এর ফলে তিনি কল্পনাশক্তি দিয়ে নতুনত্ব তৈরি করতে পারেন। সৃজনীশক্তির সাহায্যে গৃহ ব্যবস্থাপকের যেকোনো কাজের পরিকল্পনা করা সহজ হয়; কাজের ফলাফল কী হতে পারে সে সম্পর্কেও সৃজনশীল গৃহ ব্যবস্থাপক অনুমান করতে পারেন। পূর্ব নির্ধারিত কোনো কাজে যদি পরিবর্তন আনতে হয় তাতেও সৃজনীশক্তি প্রয়োগ করে সহজে করা যায়।
নিপা তার কল্পনাশক্তি দিয়ে পারিবারিক কাজে নতুনত্ব তৈরি করতে পারেন। পূর্ব নির্ধারিত কোনো কাজে পরিবর্তন করতে হলে সেটিও সহজে করতে পারেন। অর্থাৎ, নিপার মধ্যে সৃজনীশক্তি গুণটি রয়েছে। তিনি যেকোনো কাজে তার সৃজনীশক্তির পরিচয় দেন। উদাহরণস্বরূপ, বাড়ি পরিবর্তনের কারণে নতুন ঘরের আসবাবপত্র নির্বাচন, ক্রয় ও বিন্যাসের ক্ষেত্রে নিপা তার সৃজনী ও কল্পনাশক্তিকে কাজে লাগিয়ে সঠিক দিক-নির্দেশনা দিতে পারেন।
পরিশেষে বলা যায়, সফল গৃহ পরিচালনায় নিপা একজন সুগৃহ ব্যবস্থাপক।
Related Question
View Allগৃহে যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু গৃহ ব্যবস্থাপক।
গৃহের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের শক্তি, সামর্থ্য, বয়স, কর্মস্পৃহা ইত্যাদির ভিত্তিতে কাজগুলোকে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমেই সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা নিশ্চিত হয়।
সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যাপারে সানজিদা খাতুনের যে গুণটি প্রকাশ পেয়েছে তা হলো পরিবারের সদস্যদের জন্য কাজের উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা।
পরিবারের সকল সদস্য যেন তাদের করণীয় কাজগুলো ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারে সেজন্য সানজিদা খাতুন কাজের উপযুক্ত, উন্নত ও আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করেন। ফলে সদস্যদের কাজ তুলনামূলক সহজ হয়ে যায় এবং তারা উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে সফলতার দিকে অগ্রসর হয়।
সানজিদা খাতুন তার সন্তানদের লেখাপড়ার জন্য আলো-বাতাসপূর্ণ ও কোলাহলমুক্ত স্থান নির্বাচন করেছেন। এছাড়া তিনি তাদের শিক্ষার প্রয়োজনীয় উপকরণসমূহ সঠিকভাবে নির্দিষ্ট স্থানে গুছিয়ে রাখেন। ফলে তার সন্তানেরা নির্বিঘ্নে আরামদায়ক পরিবেশে লেখাপড়া করতে পারে। পরিবারের সদস্যদের কাজের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা প্রত্যেক গৃহ ব্যবস্থাপকের কর্তব্য। সানজিদা খাতুনও তাই করেছেন।
সানজিদা খাতুন বাসায় মেহমান এলে তাদের যত্ন ও আপ্যায়ন করতে প্রায়শ বিরক্ত হন। তার এ আচরণটি দক্ষ গৃহ ব্যবস্থাপকের গুণাবলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মানুষ সামাজিক জীব। আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশী নিয়েই আমাদের জীবন। তাই সকলের সাথে ভালো ব্যবহার ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাড়িতে মেহমান এলে আপ্যায়নের মাধ্যমে তাদের সাথে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু এ সময় যদি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করা হয় তাহলে সম্পর্কের মধ্যে একটা দূরত্ব সৃষ্টি হয় যা সামাজিক জীবনযাপনের অন্তরায়।
সানজিদা খাতুনের মধ্যে গৃহ ব্যবস্থাপকের যে গুণটি নেই তা হলো অভিযোজ্যতা। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাই হলো অভিযোজ্যতা। যিনি যত ভালোভাবে অভিযোজন করতে পারবেন, তিনি তত সহজেই যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন। দক্ষ গৃহ ব্যবস্থাপককে পরিবর্তিত অবস্থার সাথে অভিযোজন করে সকল কাজ করতে হয়। তাই সানজিদা খাতুনের মধ্যে অভিযোজ্যতা গুণটি থাকা প্রয়োজন।
গৃহে যাবতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু গৃহ ব্যবস্থাপক।
গৃহের সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।
পরিবারের সদস্যদের শক্তি, সামর্থ্য, বয়স, কর্মস্পৃহা ইত্যাদির ভিত্তিতে কাজগুলোকে তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার মাধ্যমেই সুষ্ঠু কর্মব্যবস্থা নিশ্চিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!