সবার মনেই আশা-ভরসা থাকে, অনেকের আশা পূর্ণ হয় য় আবার অনেকের হয় না। তেমনি ফারজানার আশা তার পরামর্শ, ও নির্দেশক্রমেই একসময় সংসদে বাজেট উপস্থাপন করা হবে। সে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাজের সমন্বয় করে দিবে। এমন কি সে জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করবে। ফারজানার মা মেয়ের এসব আশা পূর্ণ হওয়ার জন্য খোদার কাছে হাত তুলে দোয়া করেন।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে।

উত্তরঃ

জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর অন্যতম এ জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়.  জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান। বাংলাদেশ সচিবালয়ে জেলাসংক্রান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়। সমন্বয় সাধনসংক্রান্ত বিষয়ে জেল প্রশাসকের ভূমিকা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করেন। জেলা প্রশাসক জেলার উন্নয়নের জন্য জেলার গণ্যমান্য লোকদের সাথে। এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধানের লক্ষ্যে যোগাযোগ রাখা। করে চলেন। এগুলোই জেলা প্রশাসকের সমন্বয়সংক্রান্ত কার্যাবলি।

উত্তরঃ

ফারজানা রাষ্ট্রের যে পদে আসীন হতে চায়, পাঠ্যপুস্তকের আলোকে সেটিকে প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদার অন্তর্ভুক্ত করা যায়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরকারপ্রধান। তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান। তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী যেকোনো মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বলতে পারেন।। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে শাসনব্যবস্থা পরিচালিত হয়। সংসদীয় ব্যবস্থার অধীনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অনেক ওপরে। প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূল স্তম্ভ। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে শাসনক্ষমতা পরিচালিত হয়। তিনি অনেক সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তার শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে জবাবদিহি করেন।

উত্তরঃ

আমি মনে করি, ফারজানার মনের আশা যদি সত্যি হয় অর্থাৎ তিনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন তবে তার ক্ষমতা ও কার্যাবলি হবে অনেক ব্যাপক। 

প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় কার্যকর নেতৃত্ব প্রদান করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন। সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে সংসদের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কার্যাবলি পরিচালিত হয়। প্রধানমন্ত্রী সংসদের সাফল্যজনক পরিচালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। সংসদে সকল সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর "দায়িত্ব অনেক। প্রধানমন্ত্রী আর্থিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতার অধিকারী। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও নির্দেশক্রমে অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে বিল উত্থাপন করেন। সকল মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা। সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতিনির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন। প্রধানমন্ত্রী দেশের শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন, অর্থব্যবস্থার তদারকি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাসহ সর্বক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় ভূমিকা পালন করেন। তিনিই সংসদ নেতা এবং শাসনব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।

সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা যায়, ফারজানার মনের আশা যদি সত্যি হয় তবে তার ক্ষমতা ও কার্যাবলি হবে ব‍্যাপক।

73
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

পৌরসভা বাংলাদেশের শহরাঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থার একটি একক। বাংলাদেশে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, রংপুর, গাজীপুর এবং ময়মনসিংহ মহানগরগুলোর ১২টি সিটি কর্পোরেশন ছাড়া ৩৩১টি পৌরসভা আছে। বৃহত্তম পৌরসভা হলো বগুড়া।

640
উত্তরঃ

'স্থানীয় প্রশাসন' বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা শাসনব্যবস্থাকে বুঝায়। প্রশাসনের সুবিধার্থে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থার সৃষ্টি। এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ন্ত্রণকে নিম্নস্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য।

900
উত্তরঃ

আমাদের দেশে জনাব 'ক'-এর অবস্থান হলো স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোর তৃতীয় স্তরে। অর্থাৎ জনাব 'ক' একজন জেলা প্রশাসক।

বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসনে বিভাগের পরেই জেলার অবস্থান। জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করে জেলার সমগ্র শাসন আবর্তিত হয়। জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি।

তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য। উদ্দীপকে জনাব 'ক'-এর কার্যাবলির সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যাবলির সাদৃশ্য বিদ্যমান থাকায় তাকে আমরা জেলা প্রশাসক হিসেবে অভিহিত করতে পারি। তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা। বিভাগীয় কমিশনারের পরেই তার স্থান। তাই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনার জন্য তাঁকে বহুবিধ কার্য সম্পাদন করত হয়। অতএব নিঃসন্দেহে বলা যায়, জনাব 'ক' আমাদের দেশের একজন জেলা প্রশাসক।

550
উত্তরঃ

উদ্দীপকে জনাব 'ক' একজন জেলা প্রশাসক হিসেবে বহুবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।

একজন জেলা প্রশাসক তার কাজের জন্য বিভাগীয় কমিশনারের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন। জেলা প্রশাসকের কার্যাবলি ব্যাপক। উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি, জেলা প্রশাসক জনাব 'ক' ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর হিসেবে জেলার ভূমিরাজস্ব ও অন্যান্য কর ধার্য ও আদায় করেন। আবার তিনি জেলার একজন প্রথম শ্রেণির বিচারক হিসেবে ফৌজদারি মামলার নিষ্পত্তি করেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ে গৃহীত শাসনসংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত ও নীতিমালা বাস্তবায়ন করা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কাজ তদারক করা, সরকারি নীতি নির্ধারণ এবং সুষ্ঠুভাবে শাসনকার্য পরিচালনায় সরকারকে সর্বাত্মক সাহায্য সহযোগিতা করা জেলা প্রশাসনের শাসনসংক্রান্ত কাজ। আবার সমন্বয় সাধনসংক্রান্ত বিষয়ে জেলা প্রশাসকের ভূমিকাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তিনি জেলার অভ্যন্তরে অবস্থিত সরকারি সকল দপ্তরের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করেন। জেলা প্রশাসক জেলার উন্নয়নের জন্য জেলার গণ্যমান্য লোকদের সাথে এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সেসবের সমাধানের লক্ষ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। স্থানীয় শাসনসংক্রান্ত কাজ, সেবামূলক কাজ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সংক্রান্ত কাজ, শান্তি রক্ষামূলক কাজসহ একজন জেলা প্রশাসক জেলার প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে বহুবিধ দায়-দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জেলার প্রকাশনা ও সংবাদপত্র বিভাগের প্রধান নিয়ন্ত্রক। তিনি জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান। আগ্নেয়াস্ত্র, স্পিরিট, বিষ প্রভৃতির লাইসেন্স প্রদানের দায়িত্ব তার ওপরই ন্যস্ত। এছাড়াও জেলা প্রশাসক জেলার প্রতিরোধমূলক বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। তিনি জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট কাজ পরিচালনা, তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় করে থাকেন। কাজেই জেলা প্রশাসককে জেলার পরিচালক, তত্ত্বাবধায়ক ও নিয়ন্ত্রক বলা হয়।

535
উত্তরঃ

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বোঝায়। সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয় এবং ওই জনগণের নিকট তা দায়িত্বশীল থাকে। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হচ্ছে- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।

523
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews