কোনো দেশের যে ব্যাংকসমূহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে পরিচালিত হয় সেসব ব্যাংককে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলা হয়।
MICR এর পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition |
এটি কাগজি দলিল বিশেষ করে চেকের বৈধতা, যাচাইয়ে ব্যবহার করা হয়। এ পদ্ধতিতে চেকের গায়ে এক ধরনের বিশেষ চুম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়। এ কালি MICR মেশিনের চৌম্বক ক্ষেত্রের সংস্পর্শে এলে সাড়া দেয়। ফলে কেউ চেকের রঙিন প্রতিলিপি দিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উঠাতে গেলে তা সহজেই MICR মেশিনে ধরা পড়ে। কারণ জাল চেকের রঙিন কালি MICR মেশিনে সাড়া দেয় না। তাই বলা যায়, সাধারণ চেক অপেক্ষা MICR চেক অধিক সুবিধাজনক।
উদ্দীপকের সুবজ ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেছিল।
এ কার্ডের মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার হিসাবের জমাকৃত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ পায়। এছাড়াও অর্থ স্থানান্তরসহ কেনাকাটার সুযোগ পায়। তবে এ কার্ডের বিপরীতে জমার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করা যায় না।
উদ্দীপকের সবুজের বৃদ্ধা মা রাত ২ ঘটিকায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক টাকার প্রয়োজন পড়লে সবুজ তার ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত বিশ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। এক্ষেত্রে তিনি ব্যাংক কর্তৃক সরবরাহকৃত কার্ড ব্যবহার করে উত্তোলন করেন। তার কার্ড ব্যবহার করে আরো বেশি টাকা উত্তোলন করা সম্ভব ছিল না। সুতরাং, তার ব্যবহৃত কার্ডটির সাথে ডেবিট কার্ডের সাদৃশ্য রয়েছে। এছাড়াও এ কার্ড ব্যবহার করে তিনি ঋণ সুবিধা পাবেন না। তাই সবুজের কার্ডের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বলা যায়, তিনি ডেবিট কার্ড ব্যবহার করেছিলেন।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সবুজের ডেবিট কার্ড ও মামুনের ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে সুযোগ সুবিধা বিবেচনায় ক্রেডিট কার্ড উত্তম।
ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক টাকা উত্তোলন, কেনাকাটা ও অন্যান্য ব্যাংকিং লেনদেন করতে পারে। এ কার্ড গ্রাহকের হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলেও ব্যবহার করা যায়। কারণ এ কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দেয়।
উদ্দীপকে সবুজের বৃদ্ধা মা রাত ২ ঘটিকায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক টাকার প্রয়োজন হলে সবুজ ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে বিশ হাজার টাকা উত্তোলন করেন। কিন্তু আরো টাকার প্রয়োজন হলেও তার হিসাবে টাকা না থাকায় তিনি আর অর্থ উত্তোলন করতে পারলেন না। এমতাবস্থায় সে তার বন্ধু মামুনের নিকট গেলে সে তার কার্ড ব্যবহার করে পঞ্চাশ হাজার টাকা উত্তোলন করে সবুজকে প্রদান করলেন। যদিও তার হিসাবে তখন পনেরো হাজার টাকা ছিল। অর্থাৎ, মামুনের কার্ডটি ছিল ক্রেডিট কার্ড।
এখানে সবুজের কার্ড দিয়ে তার হিসাবে জমাকৃত টাকা উত্তোলন ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারে করতে পারবেন। বিশেষ প্রয়োজনে জমার অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন না। অন্যদিকে, মামুন তার কার্ড দিয়ে ব্যাংকিং লেনদেন করতে পারবেন। প্রয়োজন হলে কার্ড দিয়ে একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। যা সবুজ তার কার্ড দ্বারা পারবেন না। তাই বলা যায়, ঋণ সুবিধা থাকায় মামুনের ব্যবহৃত ক্রেডিট কার্ড সবুজের ব্যবহৃত ডেবিট কার্ড থেকে তুলনামুলকভাবে সুবিধাজনক ও উত্তম।
Related Question
View Allযে সংস্থা আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে আদান-প্রদান করে তাকে SWIFT বলে।
ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অতিদ্রুত, নির্ভুলভাবে ও সহজে ব্যাংকিং সেবা পাওয়া যায় বলে ই-ব্যাংকিং জনপ্রিয়।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুত নির্ভুল ব্যাংকিং কাজ পরিচালনার নামই ই-ব্যাংকিং। গ্রাহক এর মাধ্যমে যেকোনো সময় দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ব্যাংকিং সেবা পেয়ে থাকে। গ্রাহকের হিসাবের গোপনীয়তা বজায় রেখে ব্যাংক স্বল্প ব্যয়ে এ সুবিধা প্রদান করে। এর মাধ্যমে গ্রাহক ঘরে বসেই অর্থ স্থানান্তরসহ সকল আর্থিক লেনদেন সম্পূর্ণ করতে পারে। তাই ই-ব্যাংকিং এতো জনপ্রিয়।
জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করে।
এটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং-এর অন্যতম একটি সেবা। গ্রাহকের হিসাবে ডেবিট জের থাকলেই কেবল এ কার্ড ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলন, অর্থ স্থানান্তর ও অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধা পাওয়া যায়। এ কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংকে হিসাব খুলেন। ব্যাংক তাকে চেক বই ও চুম্বকীয় প্লাস্টিক কার্ড সরঘরাহ করে। যার মাধ্যমে তিনি ব্যাংকে না গিয়েও টাকা উত্তোলন করতে পারেন। কিন্তু তিনি জমাতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। সাধারণত ডেবিট কার্ডের ক্ষেত্রে ব্যাংকে হিসাব খুলতে হয়। গ্রাহক তার হিসাবে জমাকৃত অর্থের অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন করতে পারেন না। জনাব রহমান তাই অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেছেন। তাই বলা যায়, জনাব রহমানকে ব্যাংক প্রথমে ডেবিট কার্ড সরবরাহ করেছিল।
উদ্দীপকের জনাব রহমানের ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে তার জন্য ক্রেডিট কার্ডই উত্তম বলে আমি মনে করি।
ডেবিট কার্ড ও ক্রেডিট কার্ড দুটিই বহুল ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক সেবা পদ্ধতি। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহক সব ধরনের আর্থিক লেনদেন করতে পারে। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক নয়। এ কার্ডের বিপরীতে নির্দিষ্ট পরিমাণ ঋণ সুবিধাও পাওয়া যায়।
উদ্দীপকে জনাব রহমান একজন ব্যবসায়ী। তিনি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে একটি প্লাস্টিক কার্ড পান। যার মাধ্যমে ব্যাংকে না গিয়েও তিনি টাকা উত্তোলন করতে পারবেন। হঠাৎ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে তার জমাতিরিক্ত টাকার প্রয়োজন হয়। তিনি ব্যাংক থেকে অন্য একটি কার্ড সংগ্রহ করেন। যার সাথে ব্যাংক হিসাবের কোনো সম্পর্ক নেই। এ কার্ড দিয়ে তিনি বিদেশে যাবতীয় খরচাদি সম্পন্ন করতে পারবেন। একজন ব্যবসায়ী হিসেবে জনাব রহমানের প্রতিনিয়ত ব্যাংকিং লেনদেন সম্পাদন করতে হয়। তার প্রথমে ব্যবহৃত ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে তার হিসাবে জমাকৃত অর্থ দ্বারাই শুধু লেনদেন করতে পারবেন। অতিরিক্ত অর্থের প্রয়োজনে কার্ডটি তার কাছে মূল্যহীন। অন্যদিকে, পরবর্তীতে ব্যবহৃত ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে তিনি ঋণ সুবিধা পাবেন। ব্যবসায়ের প্রয়োজনে যেকোনো সময়ই এ জমাতিরিক্ত অর্থ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রয়োজন শেষে উক্ত অর্থ পরিশোধ করে পুনরায় ঋণ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। যা একজন ব্যবসায়ীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বলা যায়, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মধ্যে জনাব রহমানের জন্য ক্রেডিট কার্ড উত্তম বলে আমি মনে করি।
'One Stop Service' বলতে একজন ব্যাংক কর্মকর্তার কাছ থেকে গ্রাহকের প্রয়োজনীয় সার্ভিস লাভকে বোঝায়।
বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মধ্যকার আন্তঃব্যাংকিং দেনা-পাওনা নিষ্পত্তির স্থান হলো নিকাশঘর।
প্রতি কার্যদিবসে একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিকাশঘরের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক হয় এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি এতে সভাপতিত্ব করেন। সদস্য ব্যাংকগুলো বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে প্রাপ্ত চেক, বিল, ড্রাফট প্রভৃতির সমন্বয়ে মোট দেনা-পাওনার বিবরণী তৈরি করে। যেসব ব্যাংকের কাছে টাকা পাওনা আছে সেই সব ব্যাংকের কাছে দাবি সংবলিত রিপোর্টটি উপস্থাপন করা হয়। ফলে খুব সহজেই একটি ব্যাংক তার দেনা-পাওনার হিসাব তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের নিকাশঘর দু'ধরনের পদ্ধতিতে কাজ করে। একটি হলো আন্তঃশাখা নিকাশঘর পদ্ধতি, অপরটি আন্তঃব্যাংক নিকাশঘর পদ্ধতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!