'সবুজ অর্থায়ন' ব্যাপক অর্থে ব্যবহৃত একটি পরিভাষা যেটি টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প এবং উদ্যোগ, পরিবেশগত পণ্য এবং নীতিমালা যা আরো টেকসই অর্থনীতির উন্নয়নকে উৎসাহিত করে এমন খাতে আর্থিক বিনিয়োগকে বুঝায়। সবুজ অর্থায়নের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিভিন্ন প্রবিধি জারি করে থাকে। এক্ষেত্রে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কোন ক্ষেত্রে বা এমন কোন কোম্পানীকে বিনিয়োগে ব্যাংকগুলোকে নিরুৎসাহিত করা হয়। আর পরিবেশের জন্য টেকসই বিষয়গুলোতে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়নের জন্য বা ঋণ প্রদানের জন্য উৎসাহিত করা হয়। যেমনঃ ইট ভাটায় বিনিয়োগ না করে তাঁত বা পাট শিল্পে বিনিয়োগ করা হচ্ছে 'সবুজ অর্থায়ন' এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
Related Question
View AllIDB-এর পূর্ণরূপ - Islamic Development Bank.
IDB-এর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় - ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে OIC-এর অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলনে।
IDB যে সংস্থার বিশেষায়িত ইনস্টিটিউট-- OIC.
বর্তমানে IDB-এর সদস্য -- ৫৬টি (প্রতিষ্ঠাকালিন সদস্য : ২২টি)।
IDB-এর সদর দপ্তর জেদ্দা, সৌদিআরব। বাংলাদেশে IDB-এর কার্যক্রম শুরু করে -- ১৯৮৩ সালে।
মুদারাবা এমন এক অংশীদারী কারবার যেখানে অর্থের মালিক অন্যজনকে মূলধন সরবরাহ করে এবং অন্যপক্ষ শ্রম, অভিজ্ঞতা ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে।
মূলধনের মালিককে ছাহেব আল মাল এবং মূলধন ব্যবহারকারীকে মুদারিব বলে। মুদারাবা কারবারে ছাহেব আল মাল একাধিক হতে পারে এবং মূলধন ব্যবহারকারী উদ্যোক্তাও এক বা একাধিক হতে পারে। ইসলামী ব্যাংক উদ্যোক্তাকে সমস্ত পুঁজি প্রদান করে। ব্যবসায়ের লাভব্যাংক এবং উদ্যোক্তা পূর্ব নির্ধারিত হারে ভাগ করে নেয়। ব্যবসায়ে যদি প্রকৃত লোকসান হয় তবে পুঁজির মালিক হিসেবে ব্যাংকেই সমস্ত লোকসান বহন করে। ইসলামী আইনানুসারে মুদারাবা ব্যবসায় দু'পক্ষের মধ্যে পূর্ব নির্ধারিত হারে লাভ ভাগ করা হয়। এ পদ্ধতিতে যারা পরিশ্রমী অথচ গরিব অর্থাৎ যাদের পুঁজি নেই তাদেরকে প্রতিষ্ঠিত করে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি ও বেকার সমস্যা সমাধানে ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
নেটওয়ার্কে যুক্ত কম্পিউটার সমূহের ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনা থেকে কম্পিউটার সমূহের নেটওয়ার্ক প্রধান চার প্রকার হতে পারেঃ ১. পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা PAN. ২. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা LAN. ৩. মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক বা MAN. ৪. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক বা WAN. নিচে LAN, WAN ও MAN এর মধ্যে পার্থক্য দেওয়া হলোঃ
LAN: সাধারণত ১০ কিমি বা তার কম এলাকার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলে। LAN এর নেটওয়ার্কে সাধারণত ১০ এমবিপিএস পাওয়া যায়। নেটওয়ার্ক উপযোগী LAN এর বিশেষ ডিভাইস যেমনঃ রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার হয়।
WAN: যেসব নেটওয়ার্ক দূরবর্তী স্থানসমূহের মাঝে করা হয়, তাকে WAN বলে। যেমনঃ ঢাকা, চট্টগ্রাম, নিউইয়র্ক এমন শহরগুলোর মধ্যে দিয়ে যদি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়, তবে তাকে WAN বলে। WAN এর নেটওয়ার্ক সাধারণত LAN এর নেটওয়ার্কের চেয়ে ধীর গতিসম্পন্ন হয়। WAN নেটওয়ার্কে অবশ্যই কোনো ইন্টানেটওয়ার্কিং ডিভাইস যেমনঃ রাউটার
MAN: একই শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কিছু কম্পিউটার বা ডিভাইস নিয়ে যে নেটওয়ার্ক গঠন করা হয় তাকে MAN বলে। MAN নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মেগাবিট পার সেকেন্ড এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে গিগাবিট পার সেকেন্ডে স্পীড পওয়া যায়। MAN নেটওয়ার্কের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ডিভাইস যেমনঃ রাউটার, টেলিফোন, এটিএম সুইচ এবং মাইক্রোওয়েভ এন্টেনা ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
MODEM শব্দটি Modulator এবং DEModulator শব্দদ্বয়ের সংক্ষিপ্ত রূপ। মডেম যন্ত্রটি টেলিফোন লাইন এবং কম্পিউটারের মাঝখানে অবস্থান করে। প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা এবং তথ্য প্রেরণ করে। এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে Modulation বলে। গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে। এভাবে টেলিফোন লাইন হতে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে Demodulation বলে। এটি কম্পিউটারের কমিউনিকেশন পোর্টে সংযুক্ত থাকে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!