সমশের উদ্দিন একজন বড় ব্যবসায়ী ও ধনবান ব্যক্তি। তার উদারতার কথা কারো অজানা নয়। তিনি যেমন নম্র, ভদ্র ও চরিত্রবান তেমনি পরোপকারীও বটে। যে কোনো সমস্যা বা দুর্যোগের সময় তিনি মানুষের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন। তার দয়া-দাক্ষিণ্য, উত্তম চরিত্র ও মহত্ত্বের কারণে সকলেই তাকে সম্মান করে। ধর্মীয় ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট আনুগত্যশীল। তিনি এলাকাবাসীর অনুরোধে নিজ খরচে একটি মসজিদ নির্মাণ করে দেন। এতে এলাকাবাসী খুবই খুশি হয়।

Updated: 4 months ago
উত্তরঃ

হযরত ওমর (রা)-এর উপাধি ছিল 'ফারুক' বা সত্য-মিথ্যার প্রভেদকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

হযরত ওমর (রা)-এর কেন্দ্রীয় প্রশাসনের একটি অন্যতম দফতর ছিল দিওয়ান বা রাজস্ব বিভাগ।
সাম্রাজ্যের আয়-ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষণের জন্য হযরত ওমর (রা) দিওয়ান নামক একটি স্থায়ী বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রশাসনিক সুবিধার্থে একে দুভাগে বিন্যস্ত করা হয়। এর প্রথম ভাগে আয় এবং দ্বিতীয় ভাগে ব্যয়ের হিসাব সংরক্ষিত হয়। রাজস্ব আদায়ের উৎসগুলো ছিল- গনিমত, যাকাত, উশর, জিজিয়া, আল খারাজ (ভূমিকর), উশুর, ফাই (রাষ্ট্রীয় ভূমির আয়), আল-হিসা। এসব উৎস থেকে আয়কৃত অর্থ বায়তুল মালের মাধ্যমে জনকল্যাণে ব্যয় করা হতো।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

সমশের উদ্দিন সাহেব ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রা) কে অনুসরণ করে মসজিদের ব্যয়ভার বহন করেছিলেন।

হযরত ওসমান (রা)-এর খিলাফতকালে জনকল্যাণ ও খিলাফতের বিশেষ অগ্রগতি সাধিত হয়। এ সময় মাঝে মাঝে খায়বরের দিক হতে জলোচ্ছ্বাস আসায় জনসাধারণকে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হতো। তাই মদিনার কিছু দূরে হযরত ওসমান (রা) 'মাহজুর' নামক একটি বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে দেন। মসজিদে নববির প্রাসাদের কাজ ২০ হিজরিতে বিশেষ ব্যবস্থাধীনে নতুন করে আরম্ভ করেন। মদিনার পার্শ্ববর্তী জমিগুলো ক্রয় করে দশ মাসের অবিরাম চেষ্টার পর ইট, পাথর ও চুনার সাহায্যে একটি সুদৃঢ় প্রাসাদ নির্মাণ করেন। উদ্দীপকে সমশের উদ্দিন হযরত ওসমান (রা)-এর এ নীতি অনুসরণ করেন।
উদ্দীপকে সমশের উদ্দিন ধর্মানুরাগী ব্যক্তি। তিনি মানুষের অনুভূতিকে সম্মান জানান। তাই এলাকার মানুষ তাকে অনুরোধ জানালে তিনি মসজিদ নির্মাণের ব্যয় ও জায়গার ব্যাপারে যাবতীয় ব্যয়ভার গ্রহণের ঘোষণা দেন। এতে সমশের উদ্দিনের মহানুভবতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। একই বৈশিষ্ট্য হযরত ওসমান (রা)-এর ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়। তিনি মুসলমানদের পানির কষ্ট লাঘবের জন্য এক ইহুদির কাছ থেকে ২০০০০ দিনারের বিনিময়ে মদিনার বীররুমা নামক একটি কূপ ক্রয় করে দান করেন। হযরত ওসমান (রা)-এর এ উদ্যোগ জনকল্যাণে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। সুতরাং বলা যায়, সমশের উদ্দিন মসজিদের ব্যয়ভার বহনের ক্ষেত্রে হযরত ওসমান (রা) কে অনুসরণ করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
উত্তরঃ

আর্তমানবতার সেবায় সমশের সাহেবের মতো মানুষদের ভূমিকা সমাজ উন্নয়ন এবং দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের দুঃখ-কষ্ট দূরীকরণে সহায়ক হবে।ইসলাম মানবতা ও কল্যাণের ধর্ম। মানুষের সর্বাধিক কল্যাণ নিশ্চিতকরণে ইসলামের সকল বিধি-বিধান প্রণীত হয়েছে। আর ইসলামের অনুসারীগণ এসব বিধান অনুসরণ করেই যুগে যুগে মানুষের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করেছেন। রাসুল (স) থেকে শুরু করে চার খলিফার জীবন ছিল আর্তমানবতার সেবায় উৎসর্গকৃত। আর এ মহান ব্যক্তিদের ভূমিকায় একটি সুষ্ঠু, সুন্দর, সাবলীল, ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হয়েছে। উদ্দীপকের সমশের উদ্দিনও তাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেকে মানবতার সেবায় উৎসর্গ করেছেন।
সমশের উদ্দিনের মতো সমাজের অন্যান্য ধনী ব্যক্তিরা যদি দরিদ্র-অসহায়দের কল্যাণে দান করতে উৎসাহী হন, তবে সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ সম্ভব হবে। সেই সাথে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করা হলে সমাজের সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রা) এক্ষেত্রে ধনীদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ। তিনি সমাজ বিনির্মাণে অকাতরে সম্পদ ব্যয় করেছেন। ইসলামের খেদমতে তার বিপুল সম্পদ দান করে দিয়েছেন। ফলে ইসলামের প্রসার ও প্রচারে আর্থিক সমস্যার সমাধান হয়েছে। অন্যদিকে মসজিদ, কূপ নির্মাণে তার অবদান মুসলমানদের ধর্মীয় কাজকে সহজসাধ্য করে দিয়েছে। ফলে মানুষের মধ্যে ধর্ম পালনে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। উদ্দীপকের সমশের উদ্দিনও তার নীতি অনুসরণ করেছেন। এভাবে সমাজের বিত্তবান ও সম্পদশালীরা যদি ইসলামের সেবা ও মানুষের কল্যাণে সম্পদ ব্যয়ে আত্মনিয়োগ করেন; তবে দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নয়নমুখী ও কল্যাণধর্মী সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।
পরিশেষে বলা যায়, ইসলামের নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করে সমশের উদ্দিন যেভাবে সমাজে ভূমিকা রাখছেন, সমাজের প্রত্যেক বিত্তবানদের কর্তব্য সমাজের সার্বিক উন্নয়নে সম্পদ ব্যয় করে সমাজকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
38
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

দক্ষ ও সুকৌশলী বীর সেনাপতি হিসেবে খালিদ বিন ওয়ালিদ ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।
প্রাথমিক জীবনে কুরাইশদের সেনাপতি হিসেবে যুদ্ধ করলেও হুদায়বিয়ার সন্ধির পর (৬২৮ খ্রি.) খালিদ বিন ওয়ালিদ ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর রাসুল (স)-এর সময়ে হুনায়ুনের যুদ্ধ, তায়েফ বিজয়, তাবুক অভিযানে দক্ষতার সাথে যুদ্ধ করে তিনি ইসলামের বিজয় ত্বরান্বিত করেন। তাছাড়া রাসুল (স)-এর মৃত্যুর পর ইয়ামামার যুদ্ধে বীরবিক্রমে যুদ্ধ করে তিনি ভণ্ডনবিদের শায়েস্তা করেন। এরপর জীবিত থাকা পর্যন্ত তিনি ইসলামের সকল যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ইসলামের বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন। ইসলামের খেদমতে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যই তিনি ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
115
উত্তরঃ

সিদ্ধান্ত গ্রহণে নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত ব্যবস্থার সাথে হযরত ওমর (রা)-এর প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্যতম দিক মজলিস-উশ-শুরা বা পরামর্শসভা গঠনের মিল রয়েছে।

হযরত ওমর (রা) ছিলেন গণতন্ত্রমনা। তার প্রশাসনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল গণতান্ত্রিক শাসন। আর এ আদর্শ দ্বারাই তিনি প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ইসলামি গণতন্ত্রের পূর্ণ বিকাশ সাধন করেন। কুরআন-হাদিসের আলোকে জনগণের ইচ্ছার প্রতি খেয়াল রেখে তিনি পরামর্শভিত্তিক প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। আর তার এ বৈশিষ্ট্যেরই প্রতিফলন লক্ষ করা যায় নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত ব্যবস্থার মধ্যে।
কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জনাব 'ক' সকল বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। হযরত ওমর (রা)ও শাসনকার্য পরিচালনার জন্য মজলিস-উশ-শুরা বা পরামর্শসভা গঠন করেছিলেন। যেকোনো সমস্যা তিনি কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক মজলিস-উশ-শূরার সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে সমাধান করতেন। তিনি দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'পরামর্শ ব্যতীত কোনো খিলাফত চলতে পারে না।' তার গঠিত পরামর্শসভা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। যেমন-ক. মজলিস-উল-আম এবং খ. মজলিস-উল-খাস। মহানবি (স)-এর ঘনিষ্ঠ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সাহাবা এবং মদিনার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে মজলিস-উল-আম গঠিত ছিল। এরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। অন্যদিকে দৈনন্দিন কার্যাদি সম্পাদনের জন্য অল্প সংখ্যক মুহাজিরিন নিয়ে মজলিস-উল-খাস গঠিত ছিল। হযরত ওমর (রা) মজলিস-উশ-শুরা ছাড়াও রাজ্য শাসনের ব্যাপারে সাধারণ জনগণের মতামত গ্রহণ করতেন। হযরত ওমর (রা)-এর উল্লিখিত আদর্শেরই প্রতিফলন ঘটেছে নতুন অধ্যক্ষের গৃহীত কর্মকাণ্ডে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
94
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত 'উদ্বৃত্ত অর্থ' বিষয়ে অধ্যক্ষের গৃহীত পদক্ষেপে হযরত ওমর (রা)-এর রাষ্ট্রীয় কোষাগার হিসেবে বায়তুল মাল পুনর্গঠন নীতির প্রতিফলন লক্ষণীয়।

হযরত ওমর (রা) ছিলেন জনকল্যাণকামী ও ন্যায়ের উজ্জ্বল আদর্শ। খলিফা হিসেবে তিনি ইসলামের আদর্শকে ধারণ করে সর্বদা জনকল্যাণে ব্রতী হয়েছেন। তাই খিলাফতে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি যাকাতভিত্তিক অর্থব্যবস্থা গড়ে তোলেন। তিনি ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থার সরকারি কোষাগার হিসেবে বায়তুল মালকে পুনর্গঠন করেন। বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে রাষ্ট্রীয় খরচ বাদে উদ্বৃত্ত অর্থ বায়তুল মাল বা কেন্দ্রীয় অর্থ তহবিলে জমা করা হতো। এ অর্থই বিভিন্ন খাতে সরকারিভাবে বণ্টন করা হতো। উল্লিখিত নীতিরই প্রতিফলন লক্ষ করা যায় উদ্বৃত্ত অর্থ বিষয়ে অধ্যক্ষের নেওয়া পদক্ষেপে।
কলেজের নতুন অধ্যক্ষ কলেজের ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি আর্থিক ফান্ড গড়ে তোলেন। এ ফান্ডে তিনি কলেজের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের পর উদ্বৃত্ত অর্থ জমা রাখেন এবং এ অর্থ কলেজের উন্নয়ন ও বৃত্তি হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বণ্টন করেন। একইভাবে হযরত ওমর (রা) বায়তুল মাল সংস্কার ও পুনর্গঠন করে সকল প্রদেশে এর শাখা প্রতিষ্ঠা করেন। বায়তুল মাল প্রধানত তিন প্রকারের ছিল। ক. বায়তুল মাল আল খাস-এটি ছিল শাসক ও অভিজাতদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি। খ. বায়তুল মাল আল আম-এটি খিলাফতের রাষ্ট্রীয় বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ছিল। গ. বায়তুল মাল আল মুসলেমিন- এটি ছিল ইসলামি রাষ্ট্রের দ্বিতীয় রাজকোষাগার। বায়তুল মালের এ শাখা সমাজকল্যাণমূলক কাজ, যেমন-রাস্তাঘাট, সেতু, মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণ, এতিম ও দরিদ্রের সাহায্যদান ইত্যাদি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত।
পরিশেষে বলা যায়, জনকল্যাণকামী চিন্তা-চেতনা ও কর্মকান্ডের দিক দিয়ে অধ্যক্ষের গৃহীত 'উদ্বৃত্ত অর্থ' বিষয়ক পদক্ষেপটি হযরত ওমর (রা)-এর বায়তুল মাল নীতির আংশিক প্রতিফলন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
93
উত্তরঃ

সাহাবিদের দ্বারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ওসমান (রা) খলিফা নির্বাচিত হন।
খলিফা নির্বাচনের জটিলতা এড়াতে হযরত ওমর (রা) মৃত্যুর পূর্বে একটি নির্বাচনি পরিষদ গঠন করেন। যার সদস্য ছিলেন হযরত ওসমান (রা), হযরত আলী (রা), তালহা, যুবাইর, সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস ও আবদুর রহমান। হযরত ওমর (রা)-এর মৃত্যুর পর (৬৪৪ খ্রি.) খলিফা নির্বাচন নিয়ে একটি বৈঠক বসে। তালহা এ সময় মদিনায় উপস্থিত ছিলেন না এবং আব্দুর রহমান খিলাফতের গুরুভার নিতে সম্মত ছিলেন না। আব্দুর রহমান, যুবাইর, ওসমান ও আলীকে সমর্থন করেন। অন্যদিকে, সাদ ওসমানকে, ওসমান আলীকে এবং আলী ওসমানকে সমর্থন করেন। ফলে এক ভোট বেশি পেয়ে হযরত ওসমান ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় খলিফা নির্বাচিত হন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
4 months ago
92
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews