সমাজকর্মে অধ্যয়নরত নিশি ও দিবা বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে আলোচনা করছিল। নিশি বলে, 'ক' একটি অনুন্নত রাষ্ট্র। উক্ত রাষ্ট্র জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। শুধু সরকারই নয় উক্ত কাজে স্থানীয় জনগণকেও সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। দিবা বলে, উক্ত রাষ্ট্রের সরকার কতকগুলো নীতিও প্রণয়ন করেছে। এসব নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

নয়টি দেশের সমাজকর্ম বিশেষজ্ঞদের নিয়ে 'Study Group' গঠন করা হয়।

উত্তরঃ

সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণে সমাজকর্মীর গুরুত্ব অপরিসীম।

সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের সেবায় বিশেষভাবে নিয়োজিত থাকে। অবহেলিত বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা এবং সর্বোপরি সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে পেশাদার সমাজকর্মীর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ। বিশেষ করে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

উত্তরঃ

নিশির বক্তব্য সমষ্টি সমাজকর্মের ধারণা প্রদান করে।

সমষ্টি সমাজকর্মের অন্যতম একটি দিক হলো সমষ্টি উন্নয়ন। এটি সমাজকর্মের এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে অনুন্নত ও পশ্চাৎপদ জনসমষ্টির আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্যে স্থানীয় জনগণ ও সরকারের প্রচেষ্টাকে সংযুক্ত করা হয়। এ সবসমষ্টিকে জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করে সমাজের সর্বাধিক অগ্রগতিতে পূর্ণভাবে অবদান রাখতে সক্ষম করে তোলা হয়। উদ্দীপকে বর্ণিত নিশি তার বক্তব্যে 'ক' রাষ্ট্রকে একটি অনুন্নত রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করে। উক্ত রাষ্ট্র জনসাধারণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

এ কাজে সরকার স্থানীয় জনগণকেও সম্পৃক্ত করেছে। নিশির এ বক্তব্য সমাজকর্মের মৌলিক পদ্ধতি সমষ্টি সমাজকর্মের অন্তর্ভুক্ত সমষ্টি উন্নয়নকে নির্দেশ করে। কারণ এ পদ্ধতিতে সরকার ও জনগণের যৌথ উদ্যোগে সমাজ উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হয়। মূলত তৃণমূল পর্যায়ের অসহায় ও বঞ্চিতদের উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সমাজকর্মের এ পদ্ধতিটি প্রয়োগ করা হয়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকে বর্ণিত নিশি সমাজকর্মের সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির কথা বলেছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত সামাজিক নীতি 'সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক' দিবার এ বক্তব্যের সাথে আমি একমত পোষণ করছি।

উদ্দীপকে দিবা বলে, 'ক' রাষ্ট্রের সরকার কতকগুলো নীতি প্রণয়ন করেছে এবং উক্ত নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে যা সামাজিক নীতির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আর সামাজিক নীতি সামাজিক পরিবর্তন ও উন্নয়নের নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।

কাঙ্ক্ষিত সামাজিক পরিবর্তন ও সমস্যা মোকাবিলায় কল্যাণমূলক সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই সামাজিক নীতি প্রণীত হয়। সামাজিক নীতি উদ্দেশ্য হিসেবে সকলের কল্যাণ সাধন, সকল এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রমের সমবণ্টন, পূর্ণ কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য নিরসন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উদ্ভাবনও প্রয়োগ প্রভৃতিকে অন্তর্ভুক্ত করা। সামাজিক ও মানবীয় প্রয়োজন এবং সমস্যার কার্যকর মোকাবিলায় সার্বিক পথ নির্দেশনা দান করাই সামাজিক নীতির অন্যতম লক্ষ্য। সামাজিক নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে জনগণের ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখার পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং বিভিন্ন সামাজিক অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ থেকে সমাজের মানুষকে নিরাপদ রাখা হয়। সামাজিক নীতি সমাজে সাম্য ও সমতার বিধান প্রতিষ্ঠা এবং অসহায় ও বঞ্চিত জনগণের অধিকার সংরক্ষণে সচেষ্ট থাকে।

পরিশেষে বলা যায়, সমাজের দেওয়া মানুষকে বিভিন্ন সেবা যেমন- সামাজিক বিমা, সামাজিক সাহায্য, স্বাস্থ্যসেবা প্রভৃতি - ক্ষেত্রকে নিশ্চিত করতে এবং বিভিন্ন কল্যাণমূলক সেবা কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সামাজিক নীতি প্রণয়ন করা হয়।

87
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিবর্তন ও নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত সরকারি নীতিই জনসংখ্যা নীতি।

যে কোনো দেশের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো সে দেশের জনসংখ্যা। অর্থাৎ দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সম্পদের সাথে জনসংখ্যার ভারসাম্য রক্ষা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা আবশ্যক। সঠিকভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে শিক্ষিত ও দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে গৃহীত নীতিকেই জনসংখ্যা নতি বলা হয়।

1.8k
উত্তরঃ

শীলার কর্মকান্ডের সাথে বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক বেগম রোকেয়ার মিল রয়েছে।

বেগম রোকেয়া ছিলেন বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য তাদের সংগঠিত করতে চেষ্টা করেন। তিনি মুসলিম নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, শিক্ষার প্রসার নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯১৬ সালে 'আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম' বা মুসলিম মহিলা সমিতি' নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দরিদ্র বালিকাদের শিক্ষাদান, বিধবা ও আশ্রয়হীন মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করতেন। উদ্দীপকের শীলার কর্মকাণ্ডেও এ বিষয়গুলো পরিলক্ষিত হয়।

শীলা উচ্চ শিক্ষা শেষ করে গ্রামে ফিরে যান। তিনি তার এলাকার অধিকার বঞ্চিত নারীদের সংগঠিত, শিক্ষাদান করে তাদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং অধিকার নিশ্চিত করতে একটি মহিলা সমিতি ও নারী শিক্ষাকেন্দ্র চালু করেছেন। তার এই কর্মকাণ্ড উপরে বর্ণিত বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের শীলার কাজের সাথে বেগম রোকেয়ার কর্মকাণ্ডের মিল রয়েছে।

194
উত্তরঃ

রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান নারীদের উন্নয়নে সরকারের জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন যার কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য রয়েছে।

নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। জাতীয় জীবনের সব ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠা, নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা, দারিদ্র্যের অভিশাপ থেকে রক্ষা, সুস্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিশ্চিত করা প্রভৃতি জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর প্রধান উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয়, সামাজিক ও পারিবারিক জীবন সব ক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে তাদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি প্রদান, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অন্যান্য কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের পুনর্বাসন, অভিভাবকহীন, বিধবা, অসহায় নারীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রভৃতির উদ্দেশ্যও এ নীতির লক্ষ হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।

উদ্দীপকের রূপপুর গ্রামের নারীরা পুরুষের সমান পরিশ্রম করেও তাদের সমান মজুরি পায় না। শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো অধিকার থেকেও তারা বঞ্চিত। নারী-পুরুষের এই বৈষম্য দূরীকরণ ও তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সরকার জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ প্রণয়ন করেছে। আর রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নের জন্য এ নীতি বাস্তবায়নের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।

উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, রূপপুর গ্রামের চেয়ারম্যান তার গ্রামের নারীদের উন্নয়নে সরকার প্রণীত জাতীয় নারী উন্নয়ন নীতি-২০১১ বাস্তবায়নে কাজ করছেন। আর এ নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো নারীর সার্বিক উন্নয়ন ও ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা

213
উত্তরঃ

সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণে সমাজকর্মীর গুরুত্ব অপরিসীম।

সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা সমাজের অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ এবং তাদের সেবায় বিশেষভাবে নিয়োজিত থাকে। অবহেলিত বঞ্চিত ও শোষিত শ্রেণির অধিকার রক্ষা এবং সর্বোপরি সমাজে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সংরক্ষণে পেশাদার সমাজকর্মীর ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ববহ। বিশেষ করে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারে সমাজকর্মীরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

255
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews