সমাজকর্ম শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য ইংল্যান্ডে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম বিকাশ লাভ করে COS- Charity Organization Society প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। ১৮৬৯ সালে গঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তি সমাজকর্ম ও সমষ্টি সংগঠনের ভিত্তি রচনা করে। তবে ইংল্যান্ডে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত হয় ১৯০৮ সালে বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। উদ্দীপকেও এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে সমাজকর্ম শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য দেশটিতে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্য ১৯০৮ সালের পর যেসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সমাজকর্ম প্রশিক্ষণ কাউন্সিল সেগুলোর অন্যতম। এটি ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সমাজকর্মী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট। এছাড়া রয়েছে সমাজকর্মীদের সংগঠন 'British Association of Social Workers', এর সদস্যসংখ্যা ১৪ হাজারেরও বেশি এবং তাদের সবাই পেশাদার সমাজকর্মী। ১৯৭১ সালে 'Central Council for Education and Training in Social Work (CCETSW)' গঠিত হয়। CCETSW সমাজকর্মীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের সমাজকর্ম শিক্ষাকে অনুমোদন দেয়। এছাড়া ১৯৮০ এর দশকে দেশটির সরকার সমাজকর্ম শিক্ষার মান ও দক্ষতা পর্যালোচনার উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরবর্তী সময়ে সমাজকর্ম শিক্ষা তত্ত্বাবধানের জন্য ২০০১ সালে CCETSW এর পরিবর্তে 'General Social Care Council (GSCC)' গঠন করা হয়।
সার্বিক আলোচনা থেকে তাই বলা যায়, ইংল্যান্ডে সমাজকর্ম শিক্ষাকে বেগবান করার জন্য বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে।
Related Question
View Allবাংলাদেশের সার্বিক উন্নয়নের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো- অদক্ষ জনশক্তি।
দানশীলতা বলতে শর্তহীনভাবে স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যের কল্যাণে কোনো কিছু দান করার রীতিকে বোঝায়।
দানশীলতা মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি কল্যাণমূলক ব্যবস্থা। এটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত। তবে প্রত্যেক ধর্মই দুস্থ ও অসহায়দের কল্যাণে ধনী বা সম্পদশালীদের দান করার জন্য উৎসাহিত করে। সুতরাং দানশীলতা হলো মানবপ্রেম থেকে সৃষ্ট একটি মহৎ গুণ, যা দুস্থদের কল্যাণকে ত্বরান্বিত করে।
উদ্দীপকে সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় ঘটেছে।
সমাজসেবা ও সমাজকর্মের মধ্যকার সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ এবং পরিবর্তিত পরিবেশের সাথে সামঞ্জস্য বিধানে তাকে সহায়তা করাই সমাজসেবার মূল লক্ষ্য। বর্তমানে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম সংগঠিত ও পরিকল্পিত উপায়ে পরিচালিত হয়। সমাজের সামগ্রিক কল্যাণে এ দুটি বিষয় পরস্পর নির্ভরশীল। সমাজকর্ম ও সমাজসেবা উভয়ই সুসংগঠিতভাবে সমাজের মানুষের সেবা দিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পরিকল্পনা করে। এ দুটি বিষয়ই ব্যক্তির সামাজিক ভূমিকা পালন ক্ষমতার পুনরুদ্ধার, সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সচেষ্ট এবং কার্যকর মানবীয় সেবা সৃষ্টিতে কাজ করে।
তাই বলা যায়, সমাজকর্মের সাথে সমাজসেবার যৌথ সমন্বয় রয়েছে এবং উভয়ই একে অপরের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল
উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রের মাধ্যমে চীনের সমাজকর্ম শিক্ষার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
চীনে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম শিক্ষার সূত্রপাত হয় ১৯২০ সালে। পেশাদার সামাজিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে চীনে 'Yanjing University' তে ১৯২২ সালে সর্বপ্রথম সমাজকর্ম বিভাগ খোলা হয়। পরবর্তীতে ১৯২৫ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত আটটি বিশ্ববিদ্যালয় সমাজসেবা ও সমাজকর্ম সংশ্লিষ্ট কোর্স চালু করে। ১৯৪৯ সাল
থেকে ১৯৮০-এর দশকের প্রথম দিক পর্যন্ত সামাজিক বিভিন্ন ইস্যুতে 'Civil Affairs Division' এর মাধ্যমে সরকার নিজেই বিভিন্ন সমাজকর্ম ও সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করত। কিন্তু সময়ের প্রেক্ষিতে এই Division সামাজিক বিভিন্ন সমস্যা মোকাবিলায় অকার্যকর হয়ে পড়ে। ফলে নতুনভাবে সমাজকর্ম পেশার আবশ্যকতা দেখা দেয়। CCP, The State council এবং Central Government এর যৌথ উদ্যোগে সমাজকর্ম পেশাকে সামাজিক নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর সার্বিক লক্ষ্য ছিল একটি কাঙ্ক্ষিত সমাজব্যবস্থা গঠন করা।
তাই বলা যায় যে, চীনের সমাজকর্মের শিক্ষাকে সেদেশের দ্রুত উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
ইংল্যান্ডকে সমাজকর্মের সূতিকাগার বলা হয়।
যেসব দেশ প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বাধিক ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকৃত মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে সেসব দেশই উন্নত দেশ হিসেবে পরিচিত।
উন্নত দেশগুলোতে সাধারণত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি হয় এবং এসব দেশের মানুষ উন্নত জীবন যাপনে অভ্যস্ত। বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশের মধ্যে রয়েছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, চীন প্রভৃতি।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!