উদ্দীপকে বর্ণিত সুবর্ণ একটি রিপোর্ট পড়ে জানতে পারে, আধুনিক বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সমাজের মধ্যে বহুবিধ সংযোগ ও সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে যা বিশ্বায়নকে নির্দেশ করে। সমাজের ওপর বিশ্বায়নের কতকগুলো ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।
বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার ফলে পুঁজির আন্তর্জাতিক চলাচল বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও তার বৃহৎ অংশ উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে তথাপি কিছু অংশ তৃতীয় বিশ্বে নিয়োজিত হচ্ছে। ফলে তা কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করছে। বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার পরিণতিতে কৃষির বাণিজ্যিকীকরণের ফলে কৃষিখাতে স্বাভাবিকভাবেই উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে কৃষকের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশ্বায়নের ফলে তথ্য প্রযুক্তির সাথে সাথে জ্ঞানগত সম্পদের আন্তঃরাষ্ট্রীয় প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে উন্নত বিশ্বের জ্ঞান ও দক্ষতা দ্বারা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো লাভবান হচ্ছে। গোষ্ঠী বা জাতিসমূহের আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নতুন ধরনের বিশ্ব রচনার উদ্ভব ঘটেছে। যেমন- মানবাধিকার, নারী সচেতনতা, পরিবেশ সচেতনতা, ক্ষুদ্র জাতি-রাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রভৃতি বিষয়গুলো নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নীতি নির্ধারকরা ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন।
উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, সমাজের ওপর বিশ্বায়নের প্রভাব অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
Related Question
View Allধাতু যুগের প্রধান বৈশিষ্ট্য নগরসভ্যতার উদ্ভব।
স্বামী-স্ত্রী উভয়ই যখন তাদের নিজস্ব বিশ্বাস, চিন্তা, রুচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে অটল থাকেন তখন পরিবারে এক ধরনের অশান্তি বিরাজ করে এবং তা থেকেই জন্ম নেয় ব্যক্তিত্বের সংঘাত। অর্থাৎ যখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্য কোনো বিষয়ে বৈপরীত্য দেখা দেয় তখন ব্যক্তিত্বের সংঘাত অনিবার্য হয়ে ওঠে। আর এই ধরনের মনোভাব স্বামী-স্ত্রীর মধ্য সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়।
গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে উদ্দীপকের আঃ সালামের অবস্থান ধনী কৃষক শ্রেণিতে।
গ্রামীণ সমাজে সামাজিক স্তরবিন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ভূমি মালিকানা, যার ভিত্তিতে গ্রামীণ শ্রেণি বিভাজন নিশ্চিত হয়। গ্রামীণ সমাজব্যবস্থায় যারা অনেক ভূ-সম্পত্তির মালিক এবং ভূমির ওপর নির্ভর করে যথেষ্ট সচ্ছলভাবে দিনযাপন করতে পারে তাদেরকে ধনী কৃষক বলে। সম্পত্তির মালিকানার জোরে তারা গ্রামীণ সমাজে প্রভাব প্রতিপত্তি খাটায়। এদের অনেকে নিজেদের পুরো জমি চাষাবাদ না করে শস্য ভাগাভাগির ভিত্তিতে বর্গাদারদের কাছে জমি বর্গা দিয়ে থাকে। আর্থিক ক্ষমতার কারণে গ্রামীণ ক্ষমতা কাঠামোতে এদের প্রভাবই সর্বাধিক।
উদ্দীপকে হাসাইল গ্রামের আঃ সালাম প্রায় ৫০ একর জমির মালিক। তিনি নিজে কৃষিকাজ না করে বর্গাদারদের মাধ্যমে জমি চাষ করান। গ্রামের সব বিচার-সালিশে তার মতামতই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য।
উপরের আলোচনা এবং আঃ সালামের গ্রামে তার যে অবস্থান তা পর্যালোচনা করলে বলা যায়, তিনি গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসে ধনী কৃষক শ্রেণিভুক্ত।
উদ্দীপকের আঃ সালামের জীবনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়টি অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে।
প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্ন উপাদান মানবজীবনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করে। পরিবেশের পরিবর্তনের ফলে সার্বিক সমাজ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসতে পারে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এদেশের ভূপ্রকৃতিগত অবস্থান। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণেই এখানে প্রতিবছর নানারকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংঘটিত হয়। নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, অতিবৃষ্টি প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং এর সাথে খাপখাওয়ানোর জন্য নতুন পথ, কৌশল অবলম্বনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। যেমন- নদী ভাঙনের ফলে যে সব মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে তারা অনেক সময় বিভিন্ন শহরে উদ্বাস্তুর মত জীবনযাপন করে থাকে। এর ফলে সামাজিক শ্রেণিবিন্যাস ও সামাজিক গতিশীলতায় পরিবর্তন আসে।
উদ্দীপকে লক্ষণীয় যে, পদ্মা নদীতে ভাঙন শুরু হলে গ্রামের ধনী কৃষক আঃ সালাম রাতারাতি নিঃস্ব হয়ে পড়েন। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনধারণের জন্য তিনি শহরে চলে আসেন। এখানে কেউ তাকে চেনে না, কোনো মূল্যও দেয় না। আঃ সালামের জীবনের এ ধরনের পরিবর্তনে প্রাকৃতিক পরিবেশ মূখ্য ভূমিকা পালন করেছে।
ভাষা আন্দোলনে সর্বপ্রথম বাঙালি নারীরা রাজপথে নেমেছিল।
জন্ম ও মৃত্যুহার জনসংখ্যা হ্রাস-বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। কোনো দেশে জন্মহার যদি মৃত্যুহারকে ছাড়িয়ে যায় তবে এর অবশ্যম্ভাবী ফল হচ্ছে জনসংখ্যা বৃদ্ধি। যেমন- বর্তমানে বাংলাদেশে সামাজিক সচেতনতা, মিডিয়ার প্রচার, শিক্ষা বিস্তার প্রভৃতির ফলে মৃত্যুহার হ্রাস পেয়েছে। ফলে দিন দিন জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!