সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা অর্পাকে খুব পীড়া দেয়। তাই সে এসব সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা দূর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চায়। বিষয়টি অর্পা তার বাবার সাথে আলোচনা করলে তার বাবা বলেন, এ কাজের জন্য একটি বিষয় পাঠের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

'আইবিএস'-এর পূর্ণরূপ হলো 'ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ (Institute of Bangladesh Studies) ।'

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠনের ক্ষেত্রে অধ্যাপক নাজমুল করিমের অসামান্য অবদানের জন্যই তাকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। মূলত অধ্যাপক নাজমুল করিমের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সাধনার ফলেই বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন ও আলোচনা বিস্তৃতি লাভ করেছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের যাত্রা শুরু হওয়ার ক্ষেত্রে নাজমুল করিমই সর্বাধিক ভূমিকা রেখেছেন। তাই তাকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

অর্পার বাবার বক্তব্যে সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি পাঠের প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত রয়েছে। 

আমরা জানি, সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের গলদ তথা সামাজিক সমস্যাবলি চিহ্নিত করা যায়। অর্থাৎ যেকোনো রকমের সমাজসংস্কার বা সামাজিক সমস্যা দূর করতে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান প্রয়োজন হয়। কারণ, সমাজবিজ্ঞান সামাজিক সমস্যার কারণ, স্বরূপ ও প্রভাব খুঁজে বের করে। যা সমস্যা সমাধানের উপায় চিহ্নিত করতে সহায়তা করে। উদ্দীপকে দেখা যায়, সমাজে বিদ্যমান বিভিন্ন অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা অর্পাকে খুব পীড়া দেয়। তাই সে এসব সামাজিক সমস্যার প্রকৃতি চিহ্নিত করে তা দূর করার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চায়। বিষয়টি অর্পা তার বাবার সাথে আলোচনা করলে তার বাবা বলেন, এ কাজের জন্য একটি বিষয় পাঠের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। পূর্বোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, অর্পার বাবার এ বক্তব্য মূলত সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি পাঠের প্রয়োজনীয়তাকেই নির্দেশ করে।

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
উত্তরঃ

আমি মনে করি, উদ্দীপক দিয়ে নির্দেশিত বিষয় তথা সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা দূরীকরণের পাশাপাশি আরও অনেক কারণেই পাঠ করা প্রয়োজন। যেমন- 

প্রথমত: সামাজিক জীব হিসেবে আমাদের সমাজ সম্পর্কে ধারণা লাভ করা প্রয়োজন। আর সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজ সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করা যায়।

দ্বিতীয়ত: সমাজে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার কারা, কতটা, কীভাবে ভোগ করছে, আর কারাই বা সমাজের সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে তা নির্ণয় করে সামাজিক পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞানমূলক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তৃতীয়ত: বাংলাদেশ একটি অনুন্নত ও কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের কৃষির বৈশিষ্ট্য, কৃষি সম্পর্ক, কৃষি কাঠামো ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভের মাধ্যমে কৃষি উন্নয়নের সমস্যা দূরীকরণে সমাজবিজ্ঞান পথ নির্দেশ করে থাকে।

চতুর্থত: বাংলাদেশের দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জন অসন্তোষ, সম্পদহীনতা, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে অনুসন্ধান, বিশ্লেষণ ও সম্ভাব্য সমাধান সূত্র নির্ণয়ে সমাজবিজ্ঞান বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

পঞ্চমত: সমাজ যেহেতু প্রধানত স্তরায়িত, তাই সমাজ উন্নয়নে কোনো শ্রেণির বা অর্থনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠীর কী ভূমিকা থাকে তা নিয়ে সমাজবিজ্ঞানে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে আলোচনা করা হয়। উপরের আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে, সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা দূরীকরণ করা ছাড়া আরও সমাজ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কারণেও সমাজবিজ্ঞান বিষয়টি পাঠ করা প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
204

Related Question

View All
উত্তরঃ

সমাজবিজ্ঞান পাঠের মাধ্যমে সমাজের মানুষের অবদান ও অধিকার সম্পর্কে জানা যায়। শুধু সামাজিক অধিকারই নয়, সামাজিক দায়িত্ব-কর্তব্য সম্পর্কেও সমাজবিজ্ঞান আমাদের জ্ঞান দান করে। আর সে কারণেই বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা যেমন জনসংখ্যা সমস্যা, নিরক্ষরতা, অপরাধ ইত্যাদি মোকাবিলায় সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান অপরিহার্য। বস্তুত সামাজিক সমস্যা চিহ্নিত করা ও সমাধানের দিক নির্দেশনা দেওয়া আমাদের সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এসব কর্তব্য পালনের জন্য অর্থাৎ সমাজ সংস্কারের জন্য সমাজবিজ্ঞানের জ্ঞান একান্ত প্রয়োজন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1.3k
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারার পরিচয় ফুটে উঠেছে। কেননা ১৯১৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান পাঠ শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশে সমাজবিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণা শুরু হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বপ্রথম সমাজবিজ্ঞান নামে একটি নতুন বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং উক্ত বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞান চর্চা শুরু হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের জনক এ কে নাজমুল করিম ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্ব গ্রহণ করেন যা উদ্দীপকে বর্ণিত 'ক' দেশের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। 

 

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
355
উত্তরঃ

উত্ত দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা একটিমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে- বক্তব্যটি আমি সমর্থন করি না। এর সপক্ষের যুক্তিগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হলেও পরবর্তীতে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও এটি ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৬৪ সালের ২৪ আগস্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাধ্যমে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানের পঠন-পাঠন শুরু হয়। ১৯৭০ সালে এখানে সম্মান কোর্স চালু হয়। এরপর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭০ সালে সমাজতত্ত্ব নামক আলাদা একটি বিভাগের আত্মপ্রকাশ ঘটে। পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে সিলেটে অবস্থিত শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়। এর পরবর্তী দশকে ২০০২ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের কার্যক্রম শুরু হয়। এছাড়া ২০১২ সাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগ চালু হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কিছু কলেজে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর স্তরে সমাজবিজ্ঞান পড়ানো হচ্ছে।

সুতরাং বলা যায়, বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা কেবল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এ বিষয়ে দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোরও অবদান রয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
771
উত্তরঃ

পঠন পরিসর ও উদ্দেশ্যের কারণে সমাজবিজ্ঞানকে মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান বলা হয়। 

সামাজিক প্রয়োজন ও মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার আলোকেই সমাজবিজ্ঞানের বিকাশধারা প্রবাহিত হয়। উদাহরণস্বরূপ পরিবারের কথা বলা যায়, পরিবার বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন- একক পরিবার, যৌথ পরিবার, পিতৃতান্ত্রিক পরিবার, মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ইত্যাদি। সমাজবিজ্ঞান সবধরনের পরিবারকেই স্বীকৃতি দেয়। আর এ কারণেই সমাজবিজ্ঞান মানবতাবাদী প্রায়োগিক বিজ্ঞান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
2 years ago
1.2k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews