সমাজে সুফি ও দরবেশের গুরুত্ব

শাসকদের উদারতা

গ্রামীণ জীবনে ধর্মীয় উৎসব হতো

                                     ছক-ক

সাল

নির্মাণ

১৬৬৩

ছোট কাটরা

১৬৭৬

হোসেনী দালান

১৬৯০

লালবাগ কেল্লা

                                           ছক-খ

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মধ্যযুগে হিন্দুদের নিকট চরম অধর্ম হিসেবে বিবেচিত হতো গো- মাংস ভক্ষণ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

বিদেশে প্রচুর চাহিদা থাকার কারণে বাংলায় বস্ত্র শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

বাংলায় নির্মিত বস্তুগুলো গুণ ও মানের বিচারে ছিল যথেষ্ট উন্নত। ঢাকা ছিল মসলিন নামক বিশ্বখ্যাত সূক্ষ্ম বস্ত্র শিল্পের প্রধান কেন্দ্র। এখানে তৈরি হতো বিশ্বমানের মসলিন কাপড়। এ কারণে ইউরোপে এর চাহিদা ছিল প্রচুর। এছাড়াও বিদেশে রপ্তানি করার জন্য বাংলায় প্রচুর সাদা কাপড় তৈরি করা হতো। পাট ও রেশমের তৈরি বস্ত্রেও বাংলার কৃতিত্ব ছিল উল্লেখযোগ্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

ছক 'ক' দ্বারা মধ্যযুগের মুসলমান সমাজের নির্দেশ করা হয়েছে।

মধ্যযুগের মুসলমান সমাজের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য ছিল ধর্মপ্রীতি। এ সময় মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় রীতি-নীতি পালনের ব্যাপারে সতর্ক ছিল। মুসলমানদের ঐক্য ও ধর্মীয় চেতনা প্রসারের জন্য তারা এলাকায় মাদ্রাসা, মসজিদ, খানকাহ নির্মাণ করতেন। এ সময় ইসলামী শিক্ষায় অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা সমাজে প্রভাবশালী ছিলেন। মুসলমান সমাজে কতকগুলো ধর্মীয় উৎসবের প্রচলন ছিল, যথা- আকিকা, খতনা, ঈদের নামাজ, জুমার নামাজ, মৃত আত্মার প্রশান্তির জন্য কুরআন পাঠ ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি। এ সময় সুলতান সুবাদার ও নবাবগণ ধর্মীয় উপলক্ষে জনগণের সান্নিধ্যে আসতেন, যা তাদের উদারতা প্রকাশ করে। মুসলমান সমাজে সুফি ও দরবেশ নামে পরিচিত পিরদেরও যথেষ্ট প্রভাব ছিল। তারা ধর্মশাস্ত্রে সুপণ্ডিত ছিলেন এবং সর্বদা আধ্যাত্মিক সাধনায় নিমগ্ন থাকতেন।

ছক 'ক'-তে সমাজে সুফি ও 'দরবেশের গুরুত্ব, শাসকদের উদারতা, ও গ্রামীণ জীবনে ধর্মীয় উৎসবের কথা বলা হয়েছে, যা পূর্বে আলোচিত মধ্যযুগের মুসলমান সমাজব্যবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, ছক 'ক' দ্বারা মধ্যযুগের মুসলমান সমাজকে নির্দেশ করা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

হক 'খ'-এর শিল্পকীর্তিগুলো মুঘলযুগের স্থাপত্যশিল্পের শ্রেষ্ঠ অবদান- বক্তব্যটি যথার্থ।

মধ্যযুগের মুঘল আমল স্থাপত্যশিল্পের জন্যই ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। মুঘল আমলে বাংলায় অসংখ্য ইমারত নির্মিত হয়, যা সে যুগের স্থাপত্যশিল্পের উৎকর্ষের পরিচয় বহন করে।

বাংলায় মুঘল স্থাপত্যের বিকাশের ক্ষেত্রে শায়েস্তা খানের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৬৬৩ সালে শায়েস্তা খান ছোট কাটরা নির্মাণ করেন। এর অভ্যন্তরে একটি মসজিদ ও একটি গম্বুজ আছে। ১৬৭৬ সালে শায়েস্তা খান হোসেনী দালান নির্মাণ করেন। এছাড়া লালবাগের কেল্লা আজও তার শাসনকালকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তার শাসনকালের পূর্বেই এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিনি এটি শেষ করার পদক্ষেপ নেন। তার মৃত্যুর পর ১৬৯০ সালে ইব্রাহিম খানের শাসনামলে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। লালবাগ দুর্গের ভেতর রয়েছে শায়েস্তা খানের কন্যা 'বিবি পরির সমাধি-সৌধ'। মার্কেল পাথরে নির্মিত এ সমাধি ভবনটি এখন পর্যন্ত এদেশে সর্বাধিক সুন্দর মুসলিম স্মৃতি সৌধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

উপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, ছক-খ তে উল্লেখিত ছোট কাটরা, হোসেনী দালান, লালবাগ কেল্লা ইত্যাদি স্থাপত্যকর্মগুলো মুঘলযুগের স্থাপত্যশিল্পের শ্রেষ্ঠ অবদান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
138

সেন বংশের পতন এবং ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির বঙ্গ বিজয়ের মাধ্যমে বাংলার রাজক্ষমতা মুসলমানদের অধিকারে আসে । ফলে বাংলায় মধ্যযুগের সূচনা ঘটে। মুসলমানদের আগমনের পূর্বে বাংলায় বাস করত হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ । এগারো শতক থেকে বাংলায় ইসলাম ধর্ম প্রচার করার জন্য সুফি সাধকগণ আসতে থাকেন । বাংলার সাধারণ হিন্দু ও বৌদ্ধদের অনেকে এ সময় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে । এভাবে ধীরে ধীরে বাংলায় একটি মুসলমান সমাজ কাঠামো গড়ে উঠতে থাকে । এ যুগে বাংলায় হিন্দু আর মুসলমান পাশাপাশি বাস করছিল । ফলে একে অন্যের চিন্তা-ভাবনা ও আচার-আচরণের মিশ্রণ ঘটতে থাকে । এভাবে বাংলায় যে সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিল, তাকেই বলা হয় বাঙালি সংস্কৃতি ।

 

এই অধ্যায় শেষে আমরা-

  •  মধ্যযুগে বাংলার আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তনে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান ব্যাখ্যা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলার ব্যবসায়-বাণিজ্যের প্রসার এবং স্থাপত্য ও চিত্রকলার বিকাশে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান মূল্যায়ন করতে পারব;
  • মধ্যযুগে সুলতানি ও মুঘল শাসনামলে বাংলার ধর্মীয় অবস্থা বর্ণনা করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উদ্ভব ও বিকাশে সুলতান ও মুঘল শাসকগণের অবদান চিহ্নিত করতে পারব;
  • মধ্যযুগে বাংলায় মুসলমানদের আগমনের ফলে বাঙালি জীবনপ্রণালি ও চিন্তাধারার ইতিবাচক পরিবর্তনসমূহ উপলব্ধিতে সক্ষম হব;
  • সুলতানি ও মুঘল আমলের অবদান ও স্থাপত্য নিদর্শনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অনুধাবন করে পরিদর্শনে আগ্রহী হব।
     

Related Question

View All
উত্তরঃ

বাংলার মাটিতে কৃষিজাত দ্রব্যের প্রাচুর্য ছিল। বাংলার কৃষিভূমি অস্বাভাবিক উর্বর হওয়ায় এখানে ধান, গম, পাট, আদা, পিঁয়াজ, তেল, সরিষা, পান, সুপারি, রেশম, ডাল, আম, কাঁঠাল ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হতো। ফলে উদ্বৃত্ত বিভিন্ন পণ্য বিদেশে রপ্তানি করা হতো। এর ফলে বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ঘটেছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
907
উত্তরঃ

রেজা সাহেবের বাড়ির খাওয়া-দাওয়ার সঙ্গে বাংলার সুলতানি আমলের মিল রয়েছে।

সুলতানি আমলে বাংলার অভিজাতরা ভোজনবিলাসী ছিলেন। তাদের খাদ্য তালিকায় ছিল মাছ, মাংস, শাক, সবজি, দুধ, দধি, ঘৃত, ক্ষীর ইত্যাদি। এছাড়াও তাদের খাদ্য তালিকায় আচারের নামও পাওয়া যায়। এসব খাবারের পাশাপাশি কাবাব, রেজালা, কোর্মা আর ঘিয়ে রান্না করা যাবতীয় মুখরোচক খাবার জায়গা করে নেয়। খাদ্য হিসেবে রুটির কথাও পাওয়া যায়। খিচুড়ি ছিল তখনকার সমাজের প্রধান খাদ্য।

উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, রেজা সাহেব গত সপ্তাহে তার মেয়ের জন্মদিনে পোলাও, কাবাব, রেজালা ও মিষ্টির আয়োজন করেন। এ খাবারগুলোর সাথে বাংলার সুলতানি আমলের খাওয়া-দাওয়ার মিল বিদ্যমান।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
523
উত্তরঃ

রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থা সুলতানি আমলের চেয়ে সমৃদ্ধ ছিল না বলে আমি মনে করি।

সুলতানি আমলে বাংলায় অনেক কৃষিপণ্য উৎপন্ন হতো। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ধান, গম, পাট, রেশম, হলুদ, শশা, পিঁয়াজ, তুলা, আদা, জোয়ার, তিল, পান, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা ইত্যাদি। ফলে উদ্বৃত্ত দ্রব্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হতো। এছাড়াও বস্ত্রশিল্পে বাংলার অগ্রগতি ছিল সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। এখানকার নির্মিত বস্ত্রগুলো গুণ ও মানের বিচারে যথেষ্ট উন্নত ছিল বিধায় বিদেশে এগুলোর প্রচুর চাহিদা ছিল। এদেশের মসলিন কাপড়ের প্রচুর চাহিদা ছিল ইউরোপের বাজারে।

এছাড়া সুলতানি আমলে বাংলার রপ্তানি পণ্যের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল, সুতি কাপড়, রেশমি বস্ত্র, চিনি, গুড়, আদা, লঙ্কা, লবণ, নানা প্রকার মসলা, আফিম, ঔষধ ইত্যাদি। বাংলায় আমদানি করা হতো স্বর্ণ, রৌপ্য ও মূল্যবান পাথর। ফলে রপ্তানি বেশি হওয়ার কারণে বাংলার অর্থনৈতিক প্রাচুর্য বজায় ছিল সুলতানি আমলে।

উদ্দীপকের রেজা সাহেবের আমদানি ও রপ্তানি দ্রব্যের পরিমাণ খুবই স্বল্প। তাই একথা বলা যায় যে, রেজা সাহেবের অর্থনৈতিক অবস্থার চেয়ে সুলতানি আমলের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও সমৃদ্ধ ছিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
416
উত্তরঃ

বাংলার বহু স্থানে আজও মুঘল শাসকদের শিল্প প্রীতির নিদর্শন রয়েছে। তাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় বহু সংখ্যক মসজিদ, সমাধি ভবন, স্মৃতিসৌধ, মাজার, দুর্গ, স্তম্ভ ও তোরণ নির্মিত হয়েছিল। ফলে স্থাপত্য শিল্পের বিকাশের জন্য মধ্য যুগকে মুঘলদের 'স্বর্ণযুগ' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.6k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews