সম্পদ পরস্পর পরিবর্তনশীল, সম্পদের পরিবর্তন আমরা কয়েকভাবে করতে পারি।
বিকল্প সম্পদ ব্যবহার করে আমরা আমাদের চাহিদা পূরণ করতে পারি। যেমন- ভাতের পরিবর্তে রুটি খেতে পারি। আবার একই সম্পদকে বহুবিধ কাজে ব্যবহার করতে পারি। যেমন- খাবার টেবিল-চেয়ারকে পড়াশোনা, আলোচনা, কাপড় ইস্ত্রি করা ইত্যাদি কাজে ব্যবহার করতে পারি। আবার একটি সম্পদকে অন্য সম্পদে রূপান্তর করতে পারি। যেমন- পুরানো শাড়ি দিয়ে ঘরের পর্দা, শিশুর জামা তৈরি করতে পারি। এতে সম্পদের ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। একটা সম্পদ ব্যবহার করে অন্য সম্পদ সৃষ্টি করতে পারি। যেমন- জমিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করা। এসকল কারণে সম্পদের পরস্পর পরিবর্তনশীলতার প্রয়োজন রয়েছে।
Related Question
View Allশন্তি গুণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ।
বস্তুগত সম্পদ হস্তান্তরযোগ্য। এদের বিনিময় মূল্য আছে এবং এগুলো দুর্লভ ও পরিমাপযোগ্য। যেমন- অর্থ, জমি, বাড়ি, অলংকার ইত্যাদি বস্তুগত সম্পদ। এগুলোর মালিকানা হস্তান্তর করা যায়।
আয়শা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদের পরস্পর পরিবর্তনশীলতা বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটেছে।
সম্পদের পরস্পর পরিবর্তন কয়েক ভাগে করা যায়। যেমন- বিকল্প সম্পদ ব্যবহার। এক্ষেত্রে ভাতের পরিবর্তে রুটি খাওয়ার মাধ্যমে সম্পদের বিকল্প ব্যবহার করা যায়। একই সম্পদকে বহুবিধ কাজে ব্যবহার করা যায়। যেমন- খাবার ঘরের চেয়ার টেবিলকে পড়াশোনা, আলোচনা প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা যায়। এছাড়া একটি সম্পদ ব্যবহার করে অন্য সম্পদ সৃষ্টি করা যায়। যেমন- জমিতে চাষ করে ফসল উৎপাদন করা।
আমাদের সম্পদ সীমিত। এ সীমিত সম্পদ সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে আমাদের প্রয়োজনীয় অভাব মেটাতে হয়। সম্পদের সুষ্ঠু পরিচালনায় অভাব মোকাবিলা করা যায় ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায়। আয়েশা বেগম তার পুরাতন শাড়ি দিয়ে ঘরের পর্দা, পাপোস তৈরি করেন। এর ফলে একটি সম্পদ অন্য একটি সম্পদে রূপান্তরিত হয়েছে। সুতরাং বলা যায়, আয়েশা বেগমের কাজের মাধ্যমে সম্পদ রূপান্তরযোগ্য এই বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
সম্পদ ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো এর ব্যবহার দ্বারা সর্বোচ্চ তৃপ্তি লাভ এবং লক্ষ্য অর্জন করা।
অসীম চাহিদাকে সীমিত সম্পদ দ্বারা পূরণ করতে হলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার প্রয়োজন। তাই আয়েশা বেগম তার নিজস্ব প্রচেষ্টার ফলে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবারের চাহিদা মেটান।
তিনি যেভাবে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করেন তা নিচে দেওয়া হলো-
১. তিনি পরিবারের আয় বাড়াতে ও ব্যয় হ্রাস করার উদ্দেশ্যে সদস্যদের সময়, শক্তি, ক্ষমতা, দক্ষতা, বুদ্ধি ইত্যাদি মানবীয় সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করেন।
২. তিনি সীমিত সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক কাজ সম্পাদন করেন। প্রয়োজনে তিনি পুরাতন কাপড়কে নানাভাবে ব্যবহার করেন।
৩. আয়েশা বেগম বাজেট ও সময় তালিকা করে চলেন। ফলে মানবীয় ও বস্তুগত সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয় এবং অল্প সম্পদ দ্বারাই অধিক তৃপ্তি লাভ করা যায়।
৪. তিনি গৃহের বিভিন্ন সরঞ্জামাদি বিশেষ করে রেফ্রিজারেটর, ইস্ত্রি, প্রেসারকুকার, ওভেন ইত্যাদির সঠিক যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করেন। ফলে এগুলো দ্রুত নষ্ট হয় না, যা পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
পরিশেষে বলা যায়, পরিবারকে সুচারুরূপে পরিচালিত করতে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর আয়েশা বেগম এই কাজটি সুনিপুণ হাতে অত্যন্ত সহজভাবে সম্পন্ন করে থাকেন। তাই তার পরিবারের সকল সদস্য তার কাজে সন্তুষ্ট।
সীমাবদ্ধতা সম্পদের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
সম্পদ গুণগত ও পরিমাণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ। যেমন- শক্তি গুণগত দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ এবং সময় পরিমাণগত দিক থেকে সীমাবদ্ধ। সময়ের সীমাবদ্ধতা সার্বজনীন। আবার শক্তির সীমাবদ্ধতা ব্যক্তি বিশেষে তারতম্য ঘটে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!