কারো ক্ষমতাধীন থাকা সম্পদের একটি বৈশিষ্ট্য।
কোনো জিনিস যদি নিজের ক্ষমতাধীনে না থাকে বা একে যদি কোনো অধিকার দ্বারা কাজে না লাগানো যায়, তাহলে তা সম্পদ নয়। কারণ সম্পদ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। মালিকানা না থাকলে কাজ করা যায় না। তাই কোনো কিছু সম্পদ হতে হলে কারও ক্ষমতাধীনে থাকতে হবে।
গৃহ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিটি কতগুলো ধারাবাহিক স্তরের সমষ্টি। সকল কাজেই স্তরগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়। পারিবারিক বিভিন্ন সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহার করে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য কাজ সহজিকরণের কৌশল জেনে এবং তা প্রয়োগ করে অর্থ, শক্তি ও সময়ের সদ্বব্যবহার করা যায়। গৃহসামগ্রী ক্রয়ের উপায় জানা থাকলে এবং ভোক্তা হিসেবে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হলে সঠিক সামগ্রী ক্রয় করা যায়। তাছাড়া শিল্পনীতি ও শিল্প উপাদান সম্পর্কে জেনে যথাযথভাবে কক্ষসজ্জা করে গৃহকে আকর্ষণীয় ও মনোরম করা যায়।

এই বিভাগ শেষে আমরা-
- গৃহ ব্যবস্থাপনার স্তরগুলো ব্যাখ্যা করতে পারব।
- গৃহসম্পদের শ্রেণিবিভাগ ও তালিকা তৈরি করতে পারব।
- গৃহের কাজ সহজিকরণের কৌশল প্রয়োগ করতে পারব।
- গৃহসামগ্রী ক্রয়ের কৌশল ব্যাখ্যা করতে এবং ভোক্তা হিসেবে নিজের অধিকার ব্যাখ্যা করতে পারব।
- গৃহকে আকর্ষণীয় ও মনোরম করার ক্ষেত্রে শিল্প উপাদান ও শিল্পনীতির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে পারব।
Related Question
View Allসম্পদ হচ্ছে চাহিদা পূরণের হাতিয়ার।
আমাদের অভাব অসীম কিন্তু সম্পদ সীমিত। আমরা আমাদের ইচ্ছে মতো সম্পদ সৃষ্টি করতে পারি না। আবার সম্পদকে ইচ্ছে মতো বাড়াতে বা কমাতে পারি না। সম্পদের এই সীমিত ব্যবহারকেই সম্পদের সীমাবদ্ধতা বলা হয়। একটি পরিবারের সীমিত আয় বা জায়গা ঐ পরিবারের সম্পদের সীমাবদ্ধতা নির্দেশ করে।
রান্নার পূর্বে রহিমার গৃহীত পদক্ষেপগুলো হলো- কাজ করার স্থান ও কাজের সরঞ্জামের পরিবর্তন।
স্থান ও সরঞ্জামের প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করলে কাজ সহজে করা যায়। প্রতিটি কাজের একটি নিদিষ্ট স্থান থাকে। সেখানে কাজটি করতে পারলে সময় ও শক্তির অপচয় রোধ হয়।
রান্নাঘরের পাশে খাবার ঘর থাকলে সময় ও শক্তির ব্যয় কম হয়। জিনিসপত্র রান্নাঘর থেকে খাবার ঘরে আনা সুবিধাজনক হয়। আবার প্রত্যেক কাজের সরঞ্জামগুলো নির্ধারিত স্থানে রাখলে কাজের সুবিধা হয় ও সহজেই হাতের কাছে পাওয়া যায়। রহিমার রান্নাঘর থেকে পানির কল দূরে। তাই তিনি বালতিতে পানি ভরে রাখেন। এছাড়া তিনি রান্নার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম হাতের নাগালে রাখেন। এভাবেই রহিমা কাজের স্থান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম একসাথে রাখার মাধ্যমে সময় ও শক্তির অপচয় রোধ করেন।
রহিমা গৃহসম্পদের যথাযথ ব্যবহার করেন- বক্তব্যটি যথার্থ বলে আমি মনে করি।
গৃহের কাজগুলো সম্পাদন করার জন্য যে জিনিসগুলো ব্যবহার করা দরকার তাই হলো গৃহসম্পদ। রহিমা এই সম্পদগুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করেন। আমাদের যে কোনো কাজে সীমিত সম্পদ ব্যবহার করতে হয়।
রহিমা স্বল্প আয়ের সংসারের যাবতীয় চাহিদা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে পূরণ করার জন্য প্রয়োজনীয় সম্পদগুলোর যথাযথ ব্যবহার করেন। রান্নাঘর থেকে পানির চাপকল দূরে বলে তিনি বালতিতে পানি ভরে রাখেন। এতে তার সময় ও শক্তির অপচয় রোধ হয়। এছাড়া তিনি রান্নার জিনিসপত্র মাটির তাকে গুছিয়ে রাখেন। ফলে প্রয়োজনের সময় জিনিসপত্র খুঁজতে হয় না ও সময় সাশ্রয় হয়। তিনি দ্রুত কাজ শেষ করতে পারেন। এতে করে তিনি সন্তানদেরও সময় দিতে পারেন।
এভাবেই রহিমা গৃহসম্পদের যথাযথ ব্যবহার করেন।
গৃহ ব্যবস্থাপনা হলো পারিবারিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য কতগুলো কর্মপদ্ধতির সমষ্টি।
জ্ঞান, দক্ষতা, শক্তি, আগ্রহ ইত্যাদি মানবীয় সম্পদ।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় কারো কোনো বিশেষ কাজের দক্ষতা ও জ্ঞান আছে কিন্তু কাজ করার মনোভাব বা আগ্রহ নেই। তখন কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে না। তাই বলা যায়, মানবীয় সম্পদগুলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!