সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হলে নৈরাজ্য কমে আসবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব পৃথিবীকে মারাত্মক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে এটি শঙ্কার সৃষ্টি করছে। সারা পৃথিবীর সচেতন মানুষ এ পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে শঙ্কিত হয়ে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মানুষ, সমাজ, কৃষি উৎপাদন, স্থলজ ও জলজ প্রাণিকুলকে ক্রমাগত মারাত্মক হুমকির মধ্যে ফেলছে। এর নানা ধরনের নেতিবাচক প্রভাবের কারণেই এটি মানবমনে শঙ্কার সৃষ্টি করছে।
উদ্দীপকের অর্জন বাংলাদেশকে এসডিজি অর্জনে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করবে বলে আমি মনে করি।
জাতিসংঘের হাত ধরে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি দেশ এসডিজি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিবেচনায় এবং সামাজিক সূচকের নিরিখে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে আমরা এসডিজি অর্জনে সফল হতে পারব। উদ্দীপকের দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টে এ তথ্যই দেওয়া হয়েছে। আর এ রিপোর্টের তথ্য থেকে জানা যায়, উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার শর্ত পূরণ করতে পারায় বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এর ফলে আমরা আর্থসামাজিক সক্ষমতা অর্জনে সক্ষম হয়েছি এবং এসডিজি অর্জনের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে আমাদের দেশে। যার ফলশ্রুতিতে দেশে দারিদ্র্যের অবসান হবে, আয় ও ভোগের ভারসাম্য তৈরি হবে এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান বিরাজ করবে। ফলে এসডিজি অর্জন করা বাংলাদেশের পক্ষে সহজ হবে। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের অর্জন বাংলাদেশকে এসডিজি অর্জনে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করবে।
উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থা এসডিজির সম্ভাব্য ফলাফল নিশ্চিতকরণে অবশ্যই সহায়তা করবে বলে আমি মনে করি।
বাংলাদেশ এমডিজি অর্জনে অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে। এর পথ ধরে এসডিজি অর্জনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এসডিজির সম্ভাব্য ফলাফল বাংলাদেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। উদ্দীপকে দেখা যায়, বাংলাদেশ মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক-এ তিনটির যেকোনো দুটি অর্জন করতে পেরেছে বিধায় উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি পেয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের অগ্রগতি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পক্ষে এসডিজির সম্ভাব্য ফলাফল নিশ্চিত করা সহজ হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে দারিদ্র্যসীমা ধীরে ধীরে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসবে, মৌলিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে, নারী নির্যাতন হ্রাস পাবে, টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি বৃদ্ধিতে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করবে এবং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিরসন হবে। এগুলো এসডিজি অর্জনের সম্ভাব্য ফলাফল, যা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে অর্জন করতে সক্ষম হবে।
পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত বক্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন। তারা যদি উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে চায় তাহলে অংশীজন হিসেবে তাদের কিছু দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকে। সেই দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিকমতো পালন করলে উন্নয়নে তাদের অংশীদারিত প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নয়ন কর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। তাই যার যতটুকু দায়িত্ব তা স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে পালন করতে হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এসডিজি অর্জন করা অসম্ভব। তাই টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
দৃশ্যকল্প-১ ও ২ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ বিষয়টিকে নির্দেশ করছে।
এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের পারস্পরিক দায়িত্ব পড়েছে বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশের ওপর। কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জনের পথে বাংলাদেশকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ এমনই একটি চ্যালেঞ্জ। দৃশ্যকল্প-১ এ' বালু দিয়ে নদী ভরাট করে জমি বিক্রি এবং দৃশ্যকল্প-২ এ ট্যানারির বর্জ্য পার্শ্ববর্তী খালে ফেলার দৃশ্যপট তুলে ধরা হয়েছে। এ দুটি বিষয়ই পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। আর টেকসই উন্নয়নের একটি প্রধান ক্ষেত্র হলো পরিবেশ সংরক্ষণ করা। কিন্তু জনগণের অসচেতনতা এবং যথেচ্ছ আচরণের দরুন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটছে। তাই আমাদের পরিবেশ প্রতিনিয়তই দূষিত হচ্ছে। আর এ দূষণ রোধ করা বাংলাদেশের এসডিজি অর্জনের পথে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। উদ্দীপকের দৃশ্যকল্পে এমন দুটি বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে, যেগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। তাই বলা যায়, উক্ত বিষয়সমূহ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জের বিষয়টিকেই নির্দেশ করছে।
দৃশ্যকল্প-৩ সকলের অংশীদারিত্বের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে, যা বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এসডিজি অর্জনের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সর্বত্র কল্যাণ নিশ্চিত করা। এ লক্ষ্য অর্জনে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো কাজ করে যাচ্ছে। তবে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশীদারিত্ব ব্যতীত এ লক্ষ্য পূরণ সম্ভব নয়। দৃশ্যকল্প-৩-এ 'ক' সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ নিজ নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছে। এর মাধ্যমে তারা সুন্দর বাসযোগ্য নগর গড়ে তুলতে পেরেছে। এটি এসডিজি অর্জনের পথকে মসৃণ করবে। এসডিজি অর্জন হলো সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা। কেবল সরকারের একার পক্ষে তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অংশগ্রহণ করতে হবে এ লক্ষ্য অর্জন প্রক্রিয়ায়। সকলের সম্মিলিত প্রয়াস ও অংশীদারিত্বই পারে এসডিজি অর্জনের পথকে গতিশীল করতে। উদ্দীপকে 'ক' সিটি কর্পোরেশনের অধিবাসীরা সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। তাদের সম্মিলিত প্রয়াস ও দায়িত্ব-কর্তব্য পালন অংশীদারিত্বেরই নামান্তর, যা এসডিজি অর্জনকে ত্বরান্বিত করে। এর দ্বারাই নিশ্চিত হবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ।
পরিশেষে বলা যায়, প্রশ্নোক্ত উক্তিটি সঠিক হয়েছে।
উন্নয়নের সুফল ভোগকারী গোষ্ঠীই হলো অংশীজন।
সকলের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যায়। উন্নয়নকর্মী বা সরকারের একার পক্ষে উন্নয়ন গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে স্ব-স্ব অবস্থানে থেকে সবাইকে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে এবং উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা যাবে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!