তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে অতিবৃষ্টি, খরা, ঝড়, বন্যা ইত্যাদি হচ্ছে।
মাটির উপযোগিতা বা গুরুত্ব অপরিসীম।
মাটি হচ্ছে প্রকৃতির মূল উপাদান। মাটিতে বিভিন্ন ফসল ফলে, যা আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি। শুধু খাদ্য নয়, জীবনধারণের সবকিছু যেমন বাসস্থান, বস্ত্র, ওষুধ ইত্যাদির জন্য আমরা যে উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল, সেটাও মাটি থেকে পাই। উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনধারণের জন্যও মাটি অপরিহার্য।
উক্ত সম্মেলনে প্রধান আলোচিত বিষয় পরিবেশ দূষণ।
পরিবেশ দূষণের ফলে পরিবেশগত নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।
বর্তমানে পরিবেশগত সমস্যার অন্যতম দিক হলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এ সমস্যার বেশকিছু কারণ রয়েছে। যেমন- পরিবেশের বিভিন্ন উপাদানের বাহুল্যতার কারণে বায়ুমন্ডলের উষ্ণতা বৃদ্ধি পায়। ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পায়। আবার অধিক জনসংখ্যার কারণে এবং অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য সার তৈরি, কাপড়, ওষুধ ও নানা সরঞ্জামসহ মানুষের বিপুল চাহিদা মেটানোর জন্য অধিক কলকারখানা গড়ে তোলা হয়। এসব কারখানার কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও বর্জ্য পানি ও বায়ুকে ব্যাপকভাবে দূষিত করছে। এর প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।
উদ্দীপকে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনের আলোচনায় পরিবেশ দূষণের কারণে ক্রমাগত পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি ও ক্ষতিকর প্রভাবসহ করণীয় বিষয় ওঠে আসে Page ঘটছে পরিবেশ দূষণের ফলে।
তাই বলা যায়, উক্ত সম্মেলনে প্রধান আলোচিত বিষয় পরিবেশ দূষণ।
উদ্দীপকে আলোচিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে মূলত পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরিবেশগত সমস্যা আমাদেরকে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
মানুষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে উজাড় হয়ে যাচ্ছে অক্সিজেনের অফুরন্ত উৎস গাছপালা। নির্বিচারে বনজঙ্গল ধ্বংস করার ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে বাতাসে প্রত্যাশিত অক্সিজেনের পরিমাণ। ঝুঁকিতে পড়ে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি ইত্যাদির যোগান। বাতাসে অক্সিজেনের ভারসাম্য কমায় স্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে নাইট্রোজেন, কার্বন ডাইঅক্সাইডসহ আরও নানাবিধ উষ্ণতা বৃদ্ধিকারী গ্যাসের পরিমাণ। আমাদের আরাম-আয়েশ নিশ্চিত করতে একইভাবে আমরা নিঃশেষ করে চলেছি খনিজসম্পদ, পশুপাখি, নদীনালাসহ প্রকৃতির নানা উপাদান। বিলুপ্ত হয়ে গেছে অনেক প্রজাতি, যা কোনো না কোনোভাবে আমাদের টিকে থাকার লড়াইয়ে সহায়তা করত। ক্রমাগত পৃথিবীর তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে দুই মেরুর বরফ গলে সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। তাতে সমুদ্রের তীরবর্তী দেশগুলোর নিম্নাঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এছাড়া বাংলাদেশ, মালদ্বীপসহ পৃথিবীর অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
Related Question
View Allআলো ও তাপের প্রধান উৎস হলো সূর্য।
মানুষ অত্যন্ত বুদ্ধিমান প্রাণী। বুদ্ধি খাটিয়ে নদীতে বাঁধ দিয়ে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করছে। পানির শক্তি কাজে লাগিয়ে বড় বড় কলকারখানা চালাচ্ছে, শহর গড়ছে, গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহন চালাচ্ছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বানিয়ে নিজেদের আরাম বাড়িয়েছে। এভাবে ক্রমেই মানুষ তার প্রয়োজনমতো প্রকৃতির ওপর আধিপত্য বাড়িয়েছে।
চিত্রে পরিবেশগত সমস্যা তথা পরিবেশ দূষণের চিত্র ফুটে উঠেছে।
আমরা জীবনের জন্য পানি পান করি এবং শ্বাস-প্রশ্বাস নিই। এ দুটি উপাদান দূষিত হওয়ার কারণে মানুষ বিভিন্ন রোগবালাইয়ে ভুগছে এবং অকালে মৃত্যুবরণ করছে। ক্রমবর্ধমান মানুষের চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়াতে হয়। যার ফলে গড়ে উঠেছে অনেক কলকারখানা। এসব কলকারখানার বেশির ভাগ গড়ে ওঠে নদীর উপকূলে। ফলে এর দূষিত বর্জ্য পানিতে মিশে নদীর পানি দূষিত করে। অপরদিকে কলকারখানার কালো ধোঁয়া বাতাসে কার্বন ডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। এভাবে অপরিকল্পিত শিল্পায়ন একটি দেশের পানি ও বায়ু দূষিত করে পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতার সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের চিত্রে দেখা যাচ্ছে, কারখানার বিষাক্ত কালো ধোঁয়া বাতাসে মিশে বায়ুদূষণ করছে। এতে কারখানার বর্জ্য পানিতে মিশে পানি দূষিত করছে। দৃশ্যমান চিত্রে পানি ও বায়ু এ দুটি মৌলিক উপাদান দূষিত হচ্ছে।
উক্ত সমস্যা অর্থাৎ পরিবেশ দূষণ থেকে উত্তরণের জন্য আমার মতো অনেক শিশুর বেশকিছু করণীয় আছে বলে মনে করি।
পরিবেশ আমাদের সবার। তাই এর যথাযথ ব্যবহার ও সংরক্ষণের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা হতে সচেতন হয়ে ভূমিকা পালন করতে হবে। যেমন আমরা অযথা গাছ কাটব না। যেখানে সেখানে মলমূত্র ত্যাগ করব না। যেখানে সেখানে ময়লা ফেলব না। বাড়ির বর্জ্য যথাস্থানে ফেলব। কোনো জলাধারে নোংরা ফেলব না। গাছ লাগাব ও গাছের যত্ন নেব। প্রকৃতির কাছাকাছি থাকব। মানুষের সৃষ্ট পরিবেশ দূষণের কারণগুলো জানব ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতন হব। নিজের খাবার, পোশাক ও. অন্যান্য জিনিস নির্বাচন ও ব্যবহারে পরিবেশের ভারসাম্যের কথা বিবেচনা করব। যেসব গাড়ি কালো ধোঁয়া ছাড়ে, সেগুলো বন্ধ করতে শিক্ষক ও বড়দের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপ নেব।
অতএব বলা যায়, আমি বা আমার মতো শিশুর উল্লিখিত পদক্ষেপগুলো নিজ অবস্থান হতে গ্রহণের মাধ্যমে পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখব।
কমানুষ যখন থেকে চাষবাস করে স্থিতিবস্থায় এসেছে, তখন থেকেই প্রকৃতিকে জয় করার চেষ্টা চালিয়েছে।
প্রকৃতির চারটি মূল উপাদান হলো- মাটি, পানি, বায়ু এবং আলো। মানুষ মাটিকে উৎপাদনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। মাটির উপর জম্মানো গাছপালা, পানি, বায়ু, তাপ ও আলোর সাহায্যে বেড়ে ওঠে। পানি, বাতাস ও তাপের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটলে মানুষের পক্ষে বেঁচে থাকা কঠিন হয়। অতএব বলা যায়, প্রকৃতির মূল উপাদানসমূহ মানুষের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
