বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ।
অপারেশন সার্চলাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি আর্মি যুদ্ধের সূচনা করেছিল।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর রাজনৈতিক সংকট আরো তীব্র হয়। অন্যদিকে সংকট নিরসনের চেষ্টা না করে ইয়াহিয়া খান আলোচনার নামে কালক্ষেপন করে পূর্ব পাকিস্তান আক্রমণের প্রস্তুতি নিতে থাকে। প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে তিনি টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তান আক্রমণের নির্দেশ দেয়। নির্দেশ মোতাবেক টিক্কা খান অপারেশন সার্চলাইট নামে খ্যাত অভিযানের মাধ্যমে ২৫শে মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তান আক্রমণের মাধ্যমে যুদ্ধের ঘোষণা করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর শরণার্থী হওয়া ও দুর্দশাপূর্ণ জীবনের সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের শরণার্থী হিসেবে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনার সামঞ্জস্য পাওয়া যায়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ যুদ্ধে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে বাঙালি জনগণের ওপর ব্যাপক সামরিক, গণহত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। তাদের এ নৃশংসতা হতে মুক্তি পাবার জন্য লাখ লাখ বাঙালি সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে আশ্রয় নেয়। উদ্দীপকেও অনুরূপ ঘটনা লক্ষণীয়।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সম্প্রতি মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও কিছু উগ্রবাদী শত শত বছর ধরে রাখাইনে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্মম জাতিগত নিপীড়ন চালায়। গণহত্যা, লুটতরাজ ও উচ্ছেদের শিকার এই অসহায় মানুষগুলো সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয় গ্রহণ করে। অনুরূপভাবে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী পূর্ব পাকিস্তান তথা বাঙালিদের ওপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়। তারা এদেশের জনগণের বাড়িঘর আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এছাড়া হাজার হাজার মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট করে এবং বাড়িঘর লুটপাট করে ধন-সম্পদ হস্তগত করে। তাদের এসকল নারকীয় হত্যাকাণ্ড ও অত্যাচার হতে মুক্তির জন্য বাংলাদেশের জনগণ পালিয়ে সীমান্তবর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। ভারত সরকার বাংলাদেশি শরণার্থীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করে। বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে ভারত সরকার আশ্রয় দেয়। শুধু শরণার্থীদের আশ্রয় ও প্রতিপালন নয়, ভারত সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করে এবং বিশ্বে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়নের কথা প্রচার করে বাংলাদেশের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানায়। সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের ভারতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকেই ইঙ্গিত করে।
উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনার ফলশ্রুতিতে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যেতে চাইলেও পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রত্যাশা ও অর্জন ভিন্ন ছিল-উক্তিটি যথার্থ।
দীর্ঘ ২২ বছর পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠীর অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার বাঙালির একমাত্র প্রত্যাশা ছিল স্বাধীনতা। তাই তারা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মকভাবে অংশগ্রহণ করে। তারা পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শাসন থেকে নিজেদের মুক্ত করার সংগ্রামে লিপ্ত হয়। তাদের একমাত্র
লক্ষ্য ছিল হয় স্বাধীনতা না হয় মৃত্যু। কিন্তু উদ্দীপকে বর্ণিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাশা পূর্ব পাকিস্তানি জনগণের প্রত্যাশা হতে সম্পূর্ণ আলাদা।
উদ্দীপকের রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মায়ানমারে ফিরে যাওয়াই একমাত্র প্রত্যাশা। স্বাধীনতা অর্জন তাদের আকাঙ্ক্ষা নয়। কিন্তু পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগোষ্ঠী পশ্চিমা হানাদারদের অত্যাচার-নির্যাতন থেকে মুক্ত হতে স্বাধীনতা আন্দোলনের ডাক দেয়। পূর্ব পাকিস্তানের সকল জনগণ স্বাধীনতার জন্য ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করে। ভারতে আশ্রয়প্রার্থী শরণার্থীরাও সেখানে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত হয়। তারা নিজ দেশে ফিরে আসার পাশাপাশি দেশকে স্বাধীন স্বার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিল। এ লক্ষ্যেই পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তারা মরণপণ যুদ্ধ করে। এরই ফলশ্রুতিতে ত্রিশ লক্ষ শহিদের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রে স্থান পায়।
উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে একথা সুস্পষ্ট যে, পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রত্যাশা ও অর্জন উদ্দীপকে উল্লিখিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাশা হতে ভিন্নতর।
Related Question
View Allমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী একটি রাজনৈতিক দল হলো জামায়াত ইসলামি বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন আদায়, সামরিক শাসনের অবসান ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ফলে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে সামরিক শাসনের অবসান, পূর্ব পাকিস্তানে স্বায়ত্ত্বশাসন ও ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
কেননা এতে ক্ষমতার পালা বদলের আশা তৈরি হয়।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ফিলিস্তিনের নির্বাচনের সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের মিল রয়েছে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, নির্বাচনে হামাসের কাছে পিএলও হেরে গেলেও প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকার করে। এতে ফিলিস্তিনের দুই অংশ গাজা ও পশ্চিম তীর বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। উদ্দীপকের নির্বাচন ও ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন ও ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা ছাড়ার অস্বীকৃতির ঘটনার সাদৃশ্য রয়েছে। কেননা ফিলিস্তিনের অনুরুপ ঘটনা পাকিস্তানেও ঘটেছিল। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আইয়ুব খানের পতনের পর ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা গ্রহণ করে ২৬ মার্চ জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে দেশবাসীকে প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে নির্বাচিতদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন। ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই ঘোষণা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। ১৯৭০ সালের ২৮ মার্চ ইয়াহিয়া খান নির্বাচনসংক্রান্ত আইন কাঠামোর ধারাগুলো ঘোষণা করে বলেন ১৯৭০ সালের ১ জুলাই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ ও ৬২১ জন সদস্য নিয়ে এটি প্রাদেশিক পরিষদ হবে। ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ ও ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়। ১২ নভেম্বর ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ংকরী ঝড়ের কারণে ৯টি প্রাদেশিক পরিষদের ১৭টি আসনের নির্বাচন হয় ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি।
বঙ্গবন্ধু এ নির্বাচনে এককভাবে লড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অবতীর্ণ হন। এ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের মোট ৩১৩টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৭টি আসন লাভ করে এবং পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসন লাভ করে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা করতে থাকে। যার প্রেক্ষিতে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক আন্দোলন গড়ে ওঠে।
অতএব উদ্দীপকের নির্বাচন ও নির্বাচনে হেরে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতির ঘটনার সাথে পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের নির্বাচনের সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয়।'
উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থা পাকিস্তানের অবস্থার মতো ছিল না। উক্তিটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত
উদ্দীপকে প্রেসিডেন্ট ইসমাইল হানিয়া ক্ষমতা ছাড়তে অস্বীকৃতি জনালে ফিলিস্তিনের দুই অংশ পশ্চিম তীর ও গাজা প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। হামাসের অধীনে গাজা এবং পিএলও-এর অধীনে থাকে পশ্চিম তীর। যদি উভয়ই ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের অধীনেই থাকে। কিন্তু উদ্দীপকের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার মতো পাকিস্তানের অবস্থা ছিল না। কেননা। ফিলিস্তিন একই রাষ্ট্র থাকলেও ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সৃষ্ট বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও এর প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ফলে একসময় পাকিস্তান রাষ্ট্র ভেঙে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। আওয়ামী লীগ ৭০-এর নির্বাচনে জিতলে ইয়াহিয়া খান ক্ষমতা ছাড়তে টালবাহানা শুরু করে। ১৯৭১ সালে ৩ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন শুরুর কথা থাকলেও ১ মার্চ তিনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেন। বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন স্বাধীনতা আন্দোলনে পরিণত হয়। 'জয় বাংলা' "পদ্মা-মেঘনা-যমুনা/তোমার আমার ঠিকানা" 'বীর বাঙালি অস্ত্র ধর বাংলাদেশ স্বাধীন কর।' স্লোগানে সারাদেশ মুখরিত হয় এবং ২ মার্চ পুলিশের গুলিতে শত শত লোক হতাহত হয়। পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ঢাকার পল্টন ময়দানে আহূত জনসভা থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। অসহযোগ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ইয়াহিয়া খান ২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশ শুরুর ঘোষণা দেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাঙালির বুকের তাজা রক্ত মাড়িয়ে ১০ মার্চে সর্বদলীয় বৈঠক বর্জন করেন। তিনি ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। যার প্রেক্ষিতে গড়ে ওঠে আন্দোলন। পাকিস্তান সরকার এ আন্দোলন দমনে ২৫ মার্চ গণহত্যায় চালায় ফলে ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ৯ মাসের যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জন্ম নেয় বাংলাদেশ নামক নতুন দেশ।
উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে ১৯৭০ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলন ও তার প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে নতুন দেশ সৃষ্টির সাথে উদ্দীপকের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নির্বাচন পরবর্তী অবস্থার ভিন্নতা রয়েছে।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ৩৫ জন আসামি ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি দিক নির্দেশনা ও বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয়।
৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির স্বাধিকার ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ৭ মার্চের ভাষণে লক্ষকোটি জনতার, উপস্থিত অনুপস্থিত শ্রোতার মনে স্বাধীনতার বীজ বপিত হয়। তারা এ ভাষণে উজ্জীবিত হয়ে স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝুঁপিয়ে পড়ে এবং মুক্তির আশা লাভ করে। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে 'ডকুমেন্টরি হেরিটেজ' বা বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!