সম্প্রতি 'X' উপজেলার চেয়ারম্যানের উদ্যোগে শরীফদের এলাকায় 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' অর্জন সম্পর্কে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এই সভার প্রধান অতিথি গবেষক শফিকুল আমিন জাতিসংঘের এই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেন যা ছাড়া উক্ত লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি বলেন 'এই লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে আমরা বিশ্বে সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব।'

Updated: 1 year ago
উত্তরঃ

এসডিজি এর বাংলারূপ হলো টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট।

উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে বাংলাদেশের একটি চ্যালেঞ্জ হলো সম্পদ বৈষম্য।

আমাদের দেশে সম্পদ বৈষম্য ক্রমাগত বাড়ছে। সমাজে একশ্রেণির মানুষ ভূমি দখল, নদী দখল, বন দখল এমনকি অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান কুক্ষিগত করে অপরিমিত সম্পদের মালিক হচ্ছে। এর ফলে ভারসাম্যহীন সমাজ গড়ে উঠছে যা টেকসই উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।

উত্তরঃ

উদ্দীপকের শফিকুল আমিন তার বক্তব্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অংশীদারিত্ব। এজন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণ ও মিলিত প্রচেষ্টায় এ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে একযোগে কাজ করতে হবে। বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত তৎপরতাকে সুসমন্বিত করতে হবে। এভাবে সরকারি-বেসরকারি সংগঠন, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন করা সম্ভব হবে। সকলের অংশীদারিত্ব ছাড়া এ লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

উদ্দীপকে 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' অর্জন সম্পর্কিত আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে গবেষক শফিকুল আমিন এ লক্ষ্য অর্জনে একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। যা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন অসম্ভব। তার গুরুত্বারোপকৃত বিষয়টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে জনগণের অংশীদারিত্বকে নির্দেশ করছে। কেননা এসডিজি কর্মসূচিটি কোনো একটি নির্দিষ্ট দেশ বা অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য গ্রহণ করা হয়নি। এটি বিশ্বের প্রায় সকল দেশের উন্নয়নের জন্য গৃহীত হয়েছে। তাই এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের জন্য সকলের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। কারণ বিশাল এই কর্মসূচির সকল বিষয় একটি প্রতিষ্ঠান, দেশ বা সরকারের একার পক্ষে অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই বলা যায়, গবেষক শফিকুল আমিন টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্বের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন।

উত্তরঃ

শফিকুল আমিনের সর্বশেষ বক্তব্যটি হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের মাধ্যমে আমরা বিশ্বে সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব'- বক্তব্যটি যৌক্তিক।

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনের মাধ্যমে আমাদের দেশের দারিদ্র্যসীমা শূন্যের কাছাকাছি নিয়ে আসা যাবে। মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণ হবে। নারী-পুরুষ বৈষম্য দূর হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। গ্রামে ও শহরে ভালোভাবে বেঁচে থাকার পরিবেশ তৈরি হবে। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমন হবে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় নৈরাজ্য কমে আসবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালী হলে রাজনৈতিক অস্থিরতা হ্রাস পাবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে অংশীদারিত্ব বাড়ার ফলে আমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সমস্যা নিরসন সহজ হবে। সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও জ্ঞানচর্চার দ্বার উন্মোচিত হবে। যোগাযোগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উন্নতির ফলে বিশ্বে বাস করার সকল সুযোগ-সুবিধা আমাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে। এভাবে আমরা সুখী ও সমৃদ্ধশালী হবো। উদ্দীপকের গবেষক শফিকুল আমিনের বক্তব্যেও এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

উদ্দীপকে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন সম্পর্কিত আলোচনাসভার প্রধান অতিথি শফিকুল আমিনও বলেছেন যে, এ লক্ষ্য অর্জন করতে পারলে আমরা বিশ্বে সুখী ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারব।
উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের গবেষক শফিকুল আমিনের সর্বশেষ বক্তব্যটি যৌক্তিক

209

আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর থেকে এর উদ্দেশ্যগুলো অর্জনে সংস্থাটি অনেক সাফল্য লাভ করেছে। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত হয়ে সকলের সম্ভাবনা, মর্যাদা ও সমতা নিশ্চিত করতে জাতিসং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়নের সমন্বয়ে 'টেকসই উন্নয়ন অতীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে জাতিসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। পূর্ববর্তী শ্রেণিতে আমরা এসডিজি সম্পর্কে ধারণা পেয়েছি। জাতিসংঘ নির্ধারিত এসডিজি অর্জনে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে সাথে বাংলাদেশও সমান ভালে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এ কাজ খুব সহজ নয়। এ কাজে সরকার ও জনগণকে একযোগে কাজ করতে হবে। এ অধ্যায়ে এসডিজি অর্জনে অংশীদারিত্বের গুরুত্ব, এসডিজি অর্জনের ফলাফল, এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের করণীয় সম্পর্কে জানব।

  • টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পোস্টার ডিজাইন করতে পারব;
  •  টেকসই উন্নয়ন অতীষ্ট বাস্তবায়নে অনুপ্রাণিত হব ।

Related Question

View All
উত্তরঃ

জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।

Mehrab Hasan
Mehrab Hasan
2 years ago
6k
উত্তরঃ

টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব অত্যাবশ্যক কারণ এটি পরিবেশ, অর্থনীতি ও সমাজের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করে। এককভাবে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব নয়, তাই বিভিন্ন পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য।

সরকার, বেসরকারি সংস্থা, ব্যক্তি খাত এবং সাধারণ জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতার মাধ্যমেই টেকসই উন্নয়ন সম্ভব। প্রতিটি অংশীদার নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদী ও কার্যকর সমাধান সূত্রপাত হয় এবং একটি টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ সহজ হয়।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
2.4k
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প ১ ও ২ পরিবেশ দূষণ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের অবক্ষয়কে নির্দেশ করছে।

পরিবেশ দূষণ বলতে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভৌত, রাসায়নিক ও জৈবিক উপাদানের এমন অবাঞ্ছিত পরিবর্তনকে বোঝায় যা জীবজগৎ ও মানুষের জীবনযাত্রার জন্য ক্ষতিকর। এই পরিবর্তনগুলো সাধারণত মানবসৃষ্ট কার্যক্রমের ফলে ঘটে থাকে এবং এর ব্যাপকতা প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে। শিল্পায়ন, নগরায়ন, কৃষি কার্যক্রমের প্রসার এবং প্রাকৃতিক সম্পদের অপরিকল্পিত ব্যবহার পরিবেশ দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ।

দৃশ্যকল্প ১ এ একটি রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বালু নদীর অংশ ভরাট করে প্লট বিক্রি করার ঘটনাটি নদী দখল, জলাভূমি ভরাট এবং প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র ধ্বংসের মাধ্যমে পরিবেশের অবক্ষয় ঘটাচ্ছে। এটি জলজ পরিবেশের ক্ষতিসাধন করে এবং জীববৈচিত্র্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে, দৃশ্যকল্প ২ এ সাভারে ট্যানারি শিল্পের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না করে পার্শ্ববর্তী খালে ফেলার ঘটনাটি শিল্প বর্জ্য দ্বারা মারাত্মক জল দূষণ ঘটাচ্ছে। এই শিল্প বর্জ্য শুধু খালের জলকেই দূষিত করছে না, বরং মাটি ও বায়ুতেও ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে, যা মানুষের স্বাস্থ্য ও স্থানীয় পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। উভয় দৃশ্যকল্পই মানুষের অপরিকল্পিত ও দায়িত্বজ্ঞানহীন কার্যকলাপের কারণে পরিবেশের গুরুতর ক্ষতি ও দূষণকে স্পষ্ট করে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
1k
উত্তরঃ

দৃশ্যকল্প-৩ এ বর্ণিত ‘ক’ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দায়িত্বশীল আচরণ বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিতের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ। সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ বলতে বোঝায় এমন একটি অবস্থা যেখানে সমাজের প্রতিটি সদস্যের ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত মঙ্গল সাধিত হয় এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় থাকে। এটি কেবল সরকারের একার দায়িত্ব নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীলতার উপর নির্ভরশীল।

উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ ও দৃশ্যকল্প-২ তে যেখানে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে এবং সমাজের সামগ্রিক মঙ্গলের পথে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, সেখানে দৃশ্যকল্প-৩ একটি ভিন্ন চিত্র তুলে ধরে। এখানে ‘ক’ সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকগণ সরকারের উপর নির্ভরশীল না হয়ে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজেদের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের মাধ্যমে শহরটিকে সুন্দর ও বাসযোগ্য করে তুলেছে। এটি প্রমাণ করে যে, টেকসই উন্নয়ন এবং সার্বিক কল্যাণ অর্জনে নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। পরিবেশ সুরক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে নাগরিক সমাজের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

এই ধরণের উদ্যোগ শুধু একটি নির্দিষ্ট কর্পোরেশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং এটি একটি মডেল হিসেবে বিশ্বব্যাপী অনুসরণীয় হতে পারে। যখন প্রতিটি নাগরিক নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হয়, তখন রাষ্ট্রীয় বা বৈশ্বিক পর্যায়ে বড় বড় সমস্যা সমাধানের পথ সুগম হয়। যেমন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, যানজট নিরসন, পরিবেশ দূষণ কমানো এবং জনস্বাস্থ্য উন্নত করার মতো বিষয়গুলো কেবল সরকারি নীতিমালার মাধ্যমে নয়, বরং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই কার্যকরভাবে সমাধান করা সম্ভব। দৃশ্যকল্প-৩ এই সত্যকেই প্রতিষ্ঠিত করে যে, প্রতিটি মানুষের নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণের ভিত্তি স্থাপন করে।

সুতরাং, দৃশ্যকল্প-৩ শুধুমাত্র একটি শহরের উন্নতি নয়, বরং এটি মানবজাতির সামগ্রিক কল্যাণ ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে। এটি প্রমাণ করে যে, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং একটি সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পৃথিবী গড়তে প্রতিটি ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। এই মডেল অনুসরণ করে বিশ্বের প্রতিটি দেশ ও সমাজের নাগরিকরা যদি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করে, তবেই সার্বিক ও সর্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

Satt AI
Satt AI
2 weeks ago
834
উত্তরঃ

জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।

363
উত্তরঃ

সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন

249
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews