সম্রাট 'ক' সুশাসনের জন্য বিকেন্দ্রীকরণ নীতির ওপর জোর দেন। পুরো সাম্রাজ্যকে প্রদেশ, বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় ভাগ করেন। তাকে তার রাজবংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।

Updated: 3 months ago
উত্তরঃ

আল-মাগরিব শব্দের অর্থ পশ্চিম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

ফাতেমি খলিফা আল-হাকিম ১০০৫ খ্রিষ্টাব্দে কায়রোতে একটি বিখ্যাত বিজ্ঞান ভবন নির্মাণ করেন। এটি দারুল হিকমা নামে পরিচিত।
বাগদাদের বায়তুল হিকমার অনুকরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মিশরের বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলী-ইবন-ইউসুফ এ জ্ঞানগৃহ নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। এখানে শিয়া ধর্ম বিষয়ে আলোচনা ও গবেষণা হতো। এখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বহু অমূল্য গ্রন্থরাজি সংগৃহীত ছিল। দেশ-বিদেশের বহু প্রখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি এখানে হাজির হতেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন আলাপ-আলোচনায় অংশগ্রহণ করতেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রখ্যাত দার্শনিক ও পদার্থবিজ্ঞানী ইবনে হায়সাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে সম্রাট 'ক' এর কর্মকান্ডের সাথে ফাতেমি খলিফা আল-মুইজের কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য লক্ষ করা যায়।।
ফাতেমি খলিফা আল-মনসুরের মৃত্যুর পর তার পুত্র আল-মুইজ ৯৫২ সালে ফাতেমি সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি খলিফা হবার পরপরই সাম্রাজ্যের সর্বত্র পরিভ্রমণ করে দেশের অবস্থা সম্বন্দ্বে সম্যক উপলব্ধি লাভ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার সুচিন্তিত পরিকল্পনা ও দৃঢ়নীতি গ্রহণ করেন। তিনি রাজ্যে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্যে বিকেন্দ্রীকরণ নীতির ওপর জোর দেন। পাশাপাশি সাম্রাজ্যকে কয়েকটি প্রদেশ এবং প্রদেশগুলোকে জেলায় বিভক্ত করেন। প্রদেশ ও জেলাগুলোতে তিনি সুযোগ্য কর্মচারী নিয়োগ করেন। এ ছাড়াও তিনি সেনাবাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করেন এবং নৌবাহিনীরও সংস্কার সাধন করেন। এছাড়াও তিনি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর বেতন বৃদ্ধি করেছিলেন।
উদ্দীপকে আমরা লক্ষ করি যে, সম্রাট 'ক' সুশাসনের জন্য বিকেন্দ্রীকরণ নীতির ওপর জোর দেন। পুরো সাম্রাজ্যকে তিনি প্রদেশ, বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় ভাগ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কেন্দ্র থেকে এসব অফিসে প্রেরণ করেন। তিনি সেনাবাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করেন এবং সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর বেতন বৃদ্ধি করেন। এ বিষয়গুলো আমরা ফাতেমি খলিফা আল-মুইজের কর্মকাণ্ডের মাঝেও লক্ষ করি।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
উত্তরঃ

উক্ত খলিফা অর্থাৎ আল-মুইজ অসামান্য অবদানের মাধ্যমে ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদায় অধিষ্ঠিত হয়েছেন।

একজন প্রকৃত শাসকের সফলতা নির্ভর করে রাজ্যে স্থিতিশীলতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে জনকল্যাণমুখী করার ওপর। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা রক্ষা, জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ভিতকে শক্তিশালী করাও শাসকের প্রধান কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত। তার এসব শাসকোচিত গুণাবলিই একজন শাসককে সর্বশ্রেষ্ঠ শাসকে পরিণত করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, সম্রাট 'ক' রাষ্ট্রীয় প্রশাসনকে জনগণের সুখ-সমৃদ্ধির অনুকূলে সাজিয়ে রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করেন। সমৃদ্ধ নগরী নির্মাণ, নৌবাহিনী গঠন প্রভৃতি কাজের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনকে শক্তিশালী করেন। একইভাবে আল-মুইজও সমগ্র সাম্রাজ্যে শান্তি, প্রতিষ্ঠার জন্য সাম্রাজ্যকে প্রদেশ, প্রদেশকে জেলায় বিভক্ত করে সুযোগ্য শাসক ও কর্মচারী নিয়োগ দেন, ভূমি রাজস্ব বৃদ্ধি, সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সংস্কারে তিনি বিশেষ উদ্যোগ নেন। ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতিতে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে তিনি উত্তর আফ্রিকা ও মিসরকে সুখ-সমৃদ্ধির শীর্ষে নিয়ে যান।
আল-মুইজের সংস্কারধর্মী উদ্যোগগুলো জনকল্যাণের স্বার্থে গ্রহণ করা হয়েছিল। তাই তৎকালীন শাসনব্যবস্থা বিশ্লেষণ করে জনগণই তাকে ফাতেমি বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসকের মর্যাদা দিয়েছে, যা উদ্দীপকের শাসকের সাফল্যেরই অনুরূপ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
31
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

জওহর ছিলেন ফাতেমি খলিফা আল-মুইজের সেনাপতি এবং আল কাহিরা (কায়রো) নগরীর গোড়াপত্তনকারী।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
92
উত্তরঃ

ফাতেমি খলিফা আল-মুইজের শাসনামলে মিসরে প্রতিষ্ঠিত রাজধানী 'আল-কাহিরা' নামে পরিচিত।
আল-কাহিরা অর্থ 'বিজয়ী শহর'। চতুর্থ ফাতেমি খলিফা আল-মুইজের সেনাপতি জওহর ৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দে মিসর জয় করেন এবং খলিফার নির্দেশে কায়রোকে রাজধানীর উপযোগী করে নির্মাণ করেন। সরকারিভাবে কায়রোর নামকরণ করা হয় 'আল-কাহিরা' বা বিজয়ী শহর। ৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে 'আল-কাহিরা' বা কায়রো রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
87
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বর্ণিত মুর্তজার ক্ষমতা গ্রহণের সাথে ফাতেমি খলিফা আল-হাকিমের ক্ষমতায় আরোহণের সাদৃশ্য রয়েছে।

ফাতেমি খলিফা আল-আজিজের মৃত্যুর পর পুত্র আল-হাকিম মাত্র ১১ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ (৯৯৬ খ্রি.) করেন। তিনি নাবালক হওয়ায় পিতার আমলের প্রাদেশিক শাসনকর্তা বারজোয়ান তার প্রতিনিধি হিসেবে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। কিন্তু বারজোয়ান ক্ষমতাশালী হয়ে উঠলে এক পর্যায়ে আল-হাকিম গুপ্তচরের সাহায্যে তাকে হত্যা করে নিজে সকল ক্ষমতা গ্রহণ করেন। একই পরিস্থিতি উদ্দীপকে বর্ণিত মুর্তজার ক্ষেত্রেও লক্ষ করা যায়।
পিতার মৃত্যুর পর মুর্তজা গৃহশিক্ষক আসিফের তত্ত্বাবধানে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু আসিফ লোভী ও ক্ষমতালিঙ্গু হয়ে উঠলে মুর্তজা তাকে গুপ্তচরের সহায়তায় হত্যা করে নিজে ক্ষমতা দখল করেন। খলিফা আল-হাকিমও তত্ত্বাবধায়ক বারজোয়ানের অতিরিক্ত লোভ এবং অপতৎপরতাকে বরদাশত করেননি। বারজোয়ান সেনাধ্যক্ষ ইবনে আমরকে পরাজিত ও হত্যা করে নিজেকে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করলে আল-হাকিম তাকে হত্যার নির্দেশ দেন। গুপ্তঘাতক নিযুক্ত করে তিনি তাকে হত্যা করেন এবং নিজে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। সুতরাং উদ্দীপকের মুর্তজা এবং খলিফা আল-হাকিমের ক্ষমতা দখলের ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
67
উত্তরঃ

উদ্দীপকের মুর্তজার মতোই খলিফা আল-হাকিমও রাজ্য শাসনের ক্ষেত্রে উদ্ভট, বিচিত্র ও খামখেয়ালিপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ইতিহাসে এমন অনেক শাসক রয়েছেন, যারা রাজ্য শাসনের ক্ষেত্রে কোনো যুক্তির বাধ-বিচার করেননি। নিজেদের ভালো লাগা এবং খামখেয়ালিপনায় তারা রাজ্য শাসন করেছেন। এমনই দুজন শাসক উদ্দীপকের মুর্তজা এবং ফাতেমি খলিফা আল-হাকিম।
আল-হাকিম জটিল চরিত্রের অধিকারী এবং মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে অনেক ঐতিহাসিক অভিযোগ করেন। তিনি জিম্মিদের প্রতি কঠোর নীতি অবলম্বন করেন এবং বহু খ্যাতনামা লোককে হত্যা করেন। তিনি খ্রিষ্টানদের গির্জা ধ্বংস করে তাদেরকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হওয়ার নির্দেশ দেন। ১০০১ খ্রিষ্টাব্দে খলিফা আদেশ জারি করেন যে, দিনে কোনো কাজকর্ম করা যাবে না; দোকান বন্ধ থাকবে এবং মানুষ আরাম করবে। অন্যদিকে রাতে অফিস-আদালতের কাজকর্ম চলবে এবং বেচাকেনা অব্যাহত থাকবে। তিনি একাকী থাকতে পছন্দ করতেন। রাত্রিবেলা ঘুরে ঘুরে প্রজাদের সুখ-দুঃখ অবলোকন করতেন। তিনি প্রায়ই মুকাত্তাম (কায়রোর নিকটে) পাহাড়ের ওপর একটি নির্জন গৃহে যেতেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি অনবদ্য অবদান রাখেন। তিনি আব্বাসীয়দের অনুকরণে বায়তুল হিকমার আদলে মিসরে দারুল হিকমা নামক বিজ্ঞানাগার নির্মাণ করেন (১০০৫ খ্রি.)। উদ্দীপকের মুর্তজাও এ ধরনের উদ্ভট সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য শাসন করেছেন। তিনিও আল-হাকিমের মতো রাতে ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক কাজ-কর্ম করার এবং দিনে বিশ্রাম নেওয়ার নির্দেশ জারি করেন। তিনি নির্জনতা পছন্দ করতেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি অনুরাগী ছিলেন।
উপর্যুক্ত আলোচনায় দেখা যায়, মূর্তজার মতোই খলিফা আল-হাকিম উদ্ভট ও বিচিত্র সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজ্য শাসন করেছেন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
76
উত্তরঃ

ফাতেমি খলিফা আল-হাকিম ১০০৫ খ্রিষ্টাব্দে কায়রোতে একটি বিখ্যাত বিজ্ঞান ভবন নির্মাণ করেন। এটি দারুল হিকমা নামে পরিচিত। বাগদাদের বায়তুল হিকমার অনুকরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল। মিশরের বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী আলী-ইবন-ইউসুফ এ জ্ঞানগৃহ নির্মাণে পৃষ্ঠপোষকতা করেন। এখানে শিয়া ধর্ম বিষয়ে আলোচনা ও গবেষণা হতো। এখানে জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার বহু অমূল্য গ্রন্থরাজি সংগৃহীত ছিল। দেশ-বিদেশের বহু প্রখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি এখানে হাজির হতেন এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিভিন্ন আলাপ-আলোচনায় অংশগ্রহণ করতেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন প্রখ্যাত দার্শনিক ও পদার্থবিজ্ঞানী ইবনে হায়সাম।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
3 months ago
127
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews