নিজের কাজ নিজে করলে সময়মতো কাজ শেষ করা যায়। অন্যকে দিয়ে কাজ করালে তার উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। তাছাড়া সে তোমার সময় এবং প্রয়োজনের গুরুত্ব নাও বুঝতে পারে। সে যদি সময়মতো কাজ না করতে পারে এতে তুমি সমস্যায় পড়তে পারো। সুতরাং সময়মতো কাজ সম্পাদনের ক্ষেত্রে নিজের কাজ নিজে করাই ভালো।
Related Question
View Allঅর্জিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অনুযায়ী পারিশ্রমিকের বিনিময়ে সামাজিকভাবে স্বীকৃত কোনো সুনির্দিষ্ট কাজ বা বিশেষ কাজ করাকে পেশা বলে।
একটি পরিবার সঠিকভাবে চালাতে হলে পরিবারের জন্য ব্যয় নির্বাহ করতে হয়। সাধারণত এসব ব্যয় করা হয় পরিবারের সদস্যদের ভরণ-পোষণের জন্য। আর এই ভরণ-পোষণের জন্য' পরিবারের যে ব্যয় হয় সেই ব্যয় নির্বাহের জন্য মানুষ কাজ করে।
কারণ কাজ করলে পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।
আলম সাহেবের ছেলে উচ্চ শিক্ষিত হয়েও কৃষিকাজে যুক্ত থাকায় গ্রামের কিছু লোক তার ছেলেকে ঠাট্টা করে।
সাধারণত পড়ালেখা শিখে মানুষ ভালো চাকরি করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু যদি কেউ এটা না করে এর ব্যতিক্রম কিছু করে তাহলে অনেক মানুষ সেটাকে নিয়ে বিদ্রূপ করে থাকে। উদ্দীপকে আলম সাহেব গ্রামের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধ ও সম্মানিত ব্যক্তি।
গ্রামের সবাই তাকে শ্রদ্ধা করে। তিনি ছিলেন একজন কৃষক। তার একটিমাত্র ছেলে। তিনি ছেলেকে লেখাপড়া করিয়ে শিক্ষিত করেছেন। তার ছেলে লেখাপড়া শেষ করে মাছ চাষ করে। কিন্তু গ্রামের কিছু লোকের চিন্তা-চেতনার সাথে এটা মেলে না। তারা ভাবে শিক্ষিত হওয়ার পর এ ধরনের কাজ করা যায় না। শুধু যারা অশিক্ষিত তারাই এ ধরনের কাজ করতে পারে। আর এ কারণেই গ্রামের লোকেরা আলম সাহেবের ছেলেকে নিয়ে ঠাট্টা করে।
সব কাজেরই আলাদা সম্মান আছে বিধায় ছেলের পেশা নিয়েয় আলম সাহেবের খুশি হওয়াটাই স্বাভাবিক।
সব ধরনের কাজ ও পেশায় পরিশ্রম আছে। যে যে কাজই করুক না কেন সব কাজেই পরিশ্রম, মর্যাদা, আর্থিকমূল্য, দক্ষতার ব্যবহারসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করলে সব কাজকে সমানভাবে দেখা ও সম্মান প্রদর্শন করা উচিত।
উদ্দীপকের আলম সাহেব গ্রামের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধ ও সম্মানিত ব্যক্তি। তিনি ছিলেন একজন কৃষক। তার একমাত্র ছেলে পড়ালেখা শেষ করে মাছ চাষ করেন। ছেলের পেশা নিয়ে আলম সাহেবের কোনো দুঃখ নেই; বরং তিনি আনন্দিত। কারণ তিনি জানেন সব কাজেরই আলাদা সম্মান আছে। তাই সব কাজকেই সমান মনে করা উচিত। আলম সাহেবের ছেলে পড়ালেখা শেষ করে মাছ চাষ করে। তিনি ভাবেন এ কাজের মাধ্যমে দেশ ও দশের সেবা করা সম্ভব। শিক্ষিত হওয়ার পরেও কৃষি, মাছ চাষ ইত্যাদি কাজ করা যায়। কারণ এসব কাজে সম্মান ও মর্যাদা সবই আছে এবং দেশের উন্নয়নের অংশীদার হওয়া যায়।
তাই' ছেলের পেশা নিয়ে আলম সাহেবের খুশি হওয়ার বিষয়টি যথার্থ
'আত্ম' অর্থ নিজের এবং 'মর্যাদা' অর্থ সম্মান। অর্থাৎ আত্মমর্যাদার অর্থ হলো নিজের সম্মান।
প্রতিটি মানুষকেই আত্মমর্যাদা বজায় রাখতে হয়। আত্মমর্যাদা বৃদ্ধির চারটি উপায় নিচে লেখা হলো:
১. যেকোনো কাজে নিযুক্ত থাকা। ২. পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয় বহন করা। ৩. সকলের সাথে ভালো ব্যবহার করা।
৪. মিথ্যা কথা না বলা।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
