প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য বিভিন্ন উপকরণের প্রয়োজন হয়। যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এসব উপকরণ সরবরাহ করে তাদেরকে সরবরাহকারী বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allযে সকল পক্ষ, শক্তি বা পারিপার্শ্বিক অবস্থা প্রতিষ্ঠানের বিপণন কর্মকাণ্ডকে পরোক্ষভাবে প্রভাবিত করে তাকে সামষ্টিক পরিবেশ বলে।
যে সকল পক্ষ, শক্তি অথবা উপাদান বিপণন কার্যক্রমকে সরাসরি প্রভাবিত করে তাকে ব্যষ্টিক পরিবেশ বলে।
বিপণনের ব্যষ্টিক পরিবেশের উপাদানগুলো হলো- কোম্পানি, সরবরাহকারী, বিপণন মধ্যস্থব্যবসায়ী, ক্রেতা, প্রতিযোগী ও জনগোষ্ঠী। ব্যষ্টিক পরিবেশের এ উপাদানগুলো বিপণন কার্যক্রমে সরাসরি প্রভাববিস্তার করে। এসকল উপাদান সাধারণত নিয়ন্ত্রণযোগ্য। যেমন- একটি কোম্পানির প্রতিটি বিভাগ ও উপবিভাগের ওপর কোম্পানির সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা থাকে।
এমনিভাবে অন্যান্য উপাদানগুলোও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তাই বলা যায়, বিপণনের ব্যষ্টিক পরিবেশ নিয়ন্ত্রণযোগ্য।
সামষ্টিক পরিবেশের অর্থনৈতিক উপাদানের কারণে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
পরিবেশের যে সকল শক্তি, পক্ষ বা উপাদানসমূহ ভোক্তার ক্রয় ক্ষমতা ও বায়ের ধরনকে প্রভাবিত করে তাকে অর্থনৈতিক পরিবেশ বলে।
সাধারণত ভোক্তার আয়ের পরিবর্তনসমূহ, ব্যয়ধাঁচের পরিবর্তনশীলতা এবং সঞ্চয়ের হার ও ঋণের পরিমাণ অর্থনৈতিক পরিবেশের উপাদান হিসেবে গণ্য হয়।
উদ্দীপকের 'লিলি কেমিক্যালস লিমিটেড' একটি রং ফর্সাকারী ক্রিমের বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের পণ্যের মান ভালো হওয়ায় এবং দাম কম হওয়ায় বেশ সুনাম অর্জন করেছে। কিন্তু সম্প্রতি দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের ভোগের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। অর্থাৎ ভোক্তারা আরও মানসম্মত ও বেশি মূলোর পণ্য ভোগ করতে চাচ্ছে। কেননা মানুষের আয় যখন বেড়ে যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি ব্যয়ের মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদাকে ফুটিয়ে তুলতে চায়। সুতরাং একথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, সামষ্টিক পরিবেশের অর্থনৈতিক উপাদানের অন্তর্গত ভোক্তাদের আয় ও ব্যয়ধাঁচের পরিবর্তনের কারণেই উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে।
উদ্দীপকে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি ব্যবহার করে
পণ্যমান উন্নত করার চিন্তা-ভাবনা যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।
পণ্যমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ অবদান
রাখে। বর্তমানে আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্যের মান
উন্নয়ন ও উৎকৃষ্ট সাধনে অবিরাম চেষ্টা চালাচ্ছে। কারণ এর মাধ্যমে
প্রতিযোগিতা মোকাবিলা ও ক্রেতাসন্তুষ্টি অর্জন অনেকটাই সহজ হয়।
উদ্দীপকের 'লিলি ক্যামিক্যালস লিমিটেড' একটি রং ফর্সাকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের পণ্যের মান ভালো এবং দাম কম হওয়ার কারণে প্রথম দিকে বেশ মুনাফা ও সুনাম অর্জন করে। কিন্তু দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষিতে তাদের ক্রয় ধাঁচের মধ্যে পরিবর্তন দেখা দেয়। তারা আলাদা রং, ডিজাইন, বৈশিষ্ট্য ও ভ্যালুকে গুরুত্ব দিতে থাকে। এক্ষেত্রে পণ্যের মূল্য বেশি হলেও তাদের কোনো আপত্তি নেই। এমতাবস্থায় 'লিলি কেমিক্যালস লিমিটেড' তাদের বর্তমান পণ্যের আরও মানোন্নয়ন এবং নতুন নতুন বৈশিষ্টা যুক্ত করে পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা-ভাবনা করে।
সুতরাং বলা যায়, উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত সমস্যা সমাধানের পদ্ধতিটি অত্যন্ত যৌক্তিক ও সময়োপযোগী।
কোনো পণ্য বা সেবা বিপণনে যে সকল পক্ষ, শক্তি বা পারিপার্শ্বিক উপাদানসমূহ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রভাববিস্তার করে তাকে বিপণন পরিবেশ বলে।
বিপণন পরিবেশের সামষ্টিক উপাদানগুলো অনিয়ন্ত্রণযোগ্য।
যে সকল অনিয়ন্ত্রণযোগ্য শক্তি বিপণন কার্যক্রমে পরোক্ষভাবে প্রভাববিস্তার করে সেগুলোর সম্মিলিত প্রভাবকে সামাষ্টিক পরিবেশ বলে। সামষ্টিক পরিবেশের প্রধান উপাদানগুলো হলো- জনসংখ্যাগত পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিবেশ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, প্রযুক্তিগত পরিবেশ, রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশ। এই বাহ্যিক উপাদানগুলো বৃহত্তর সামাজিক শক্তিসমূহের সমন্বয়ে গঠিত হওয়ায় কোম্পানির কার্যক্রমে প্রভাববিস্তার করে; যা কোম্পানির পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। তাই সামষ্টিক পরিবেশের উপাদানগুলোকে অনিয়ন্ত্রণযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!