সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে বাংলাদেশ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
বাংলাদেশ ২০০০ সাল থেকে ২০১৫ সাল নাগাদ জাতিসংঘ ঘোষিত এমডিজি অর্জনে কাজ করছে। এ কার্যক্রমে দেশটি ইতোমধ্যে অনুসরণীয় সাফল্য দেখিয়েছে। এমডিজির মূল লক্ষ্যপূরণে বাংলাদেশ অনেকটাই এগিয়ে আছে। এদেশের মানুষ পূর্বের হতদরিদ্র অবস্থান থেকে মুক্তি পেয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। সকলের সম্ভাবনা, মর্যাদা ও সমতা অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছে। সার্বিকভাবে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জনে এতটাই সফল যে এদেশকে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের রোল মডেল বলা হচ্ছে।
Related Question
View Allজলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব দূর করতে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করাই হলো জলবায়ু কার্যক্রম।
জলবায়ু কার্যক্রম হলো 'টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট' এর ১৩তম লক্ষ্যমাত্রা।
সবার অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না বলে টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।
অংশীদারিত্ব হলো কোনো উন্নয়ন কার্যক্রমে যার যা দায়িত্ব ও কর্তব্য তা পালন করা। এক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সমাজের সর্বস্তরের অংশগ্রহণসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের অংশীদারিত্ব প্রয়োজন। কাউকে বাদ দিয়ে বা পিছিয়ে রেখে অন্যরা এগিয়ে গেলে সেই উন্নয়ন জাতীয় ও বৈশ্বিকভাবে টেকসই হবে না।
এজন্য টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব প্রয়োজন
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!