সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলতে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বোঝায় যেগুলো একটি দেশের সংবিধান অনুযায়ী গঠিত এবং যাদের দায়িত্ব ও কার্যপ্রণালি সংবিধানে নির্ধারিত থাকে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো রাষ্ট্র পরিচালনায় ভারসাম্য রক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের নামঃ
১। জাতীয় সংসদ।
২। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
৩। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।
৪। বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (CAG) কার্যালয়।
৫। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC).
Related Question
View Allভৌগোলিক নির্দেশক (GI = Geographical Indication) হলো এমন একটি চিহ্ন বা নাম, যা নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের একটি পণ্যের গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে। পণ্যটির উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্রস্তুতপ্রণালি সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের সুনির্দিষ্ট পরিবেশ, জলবায়ু, মাটি ও মানুষের দক্ষতার সাথে সম্পর্কিত হয়।
বাংলাদেশের তিনটি GI পণ্যের নাম:
ক্রমিক | পণ্যের নাম | GI স্বীকৃতি প্রাপ্ত সাল |
| ০১. | জামদানি শাড়ি | ১৭ নভেম্বর, ২০১৬ |
| ০২. | ইলিশ মাছ | ১৭ আগস্ট, ২০১৭ |
| ০৩. | খিরসাপাত আম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) | ২৭ জানুয়ারি, ২০১৯ |
আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নিবন্ধন:
আন্তর্জাতিকভাবে GI বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করে: World Intellectual Property Organization (WIPO) (বাংলা: বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা), সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
বাংলাদেশে GI পণ্যের নিবন্ধন ও সনদ প্রদানকারী সংস্থা: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT), শিল্প মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের তিনটি GI (Geographical Indication) পণ্যের নাম:
১। জামদানি শাড়ি
২। ক্ষীরশাপাত আম
৩। নাটোরের কাঁচাগোল্লা
GI নিবন্ধন প্রদানকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা:
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর অন্তর্গত বিশ্ব মেধাস্বত্ব সংস্থা (WIPO - World Intellectual Property Organization) Geographical Indications সংক্রান্ত নীতিমালা ও সুরক্ষা প্রদান করে।
✅ বাংলাদেশের GI (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্যসমূহ
| ক্র. | পণ্যের নাম | নিবন্ধনের সাল | অঞ্চল/জেলা |
|---|---|---|---|
| ১। | জামদানি শাড়ি | ২০১৬ | নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা |
| ২। | খিরশাপাত/হিমসাগর আম | ২০১৯ | চাঁপাইনবাবগঞ্জ |
| ৩। | নকশিকাঁথা | ২০২০ | রাজশাহী, যশোরসহ অন্যান্য |
| ৪। | শীতল পাটি | ২০২০ | সিলেট, হবিগঞ্জ |
| ৫। | চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাতভাই আলু | ২০২১ | চাঁপাইনবাবগঞ্জ |
| ৬। | নাটোরের কাঁচাগোল্লা | ২০২১ | নাটোর |
| ৭। | রাজশাহীর সিল্ক | ২০২১ | রাজশাহী |
| ৮। | মধুপুরের আনারস | ২০২১ | টাঙ্গাইল (মধুপুর) |
| ৯। | সুন্দরবনের মধু | ২০২১ | খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা |
| ১০। | বগুড়ার দই | ২০২৩ | বগুড়া |
ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। এটি ছিল ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ অধিবেশন। প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় ২০০০ সালে ১৮৮টি দেশে।
অমর একুশে গ্রন্থমেলার সূচনা করেন চিত্তরঞ্জন সাহা। তিনি ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বর্ধমান হাউজ প্রাঙ্গণে একটি চটের ওপর ৩২টি বই সাজিয়ে প্রথমবারের মতো এই বইমেলার গোড়াপত্তন করেন। এই বইগুলো ছিল কলকাতা থেকে আনা, মুক্তিযুদ্ধকালীন শরণার্থী লেখকদের লেখা এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলা সাহিত্য পরিষদ (বর্তমানে মুক্তধারা প্রকাশনী) থেকে প্রকাশিত। এই ক্ষুদ্র উদ্যোগই ধীরে ধীরে রূপ নেয় আজকের 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা'-য়, যা বর্তমানে বাংলা একাডেমি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে অনুষ্ঠিত হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!