সাইদুল গাইবান্ধার সুন্দরগাও গ্রামের বাসিন্দা। তার বসতবাড়ির পাশে একটি পতিত জমি রয়েছে। সে পতিত জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নিল। কিন্তু ব্যবস্থাপনায় অনেক খরচের কথা চিন্তা করে সে পুকুরের উপর হাঁস-মুরগির সমন্বিত খামার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করল।

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

ঝুঁটি হলো মোরগ-মুরগির মাথার উপরের লাল বর্ণের মাংসপিণ্ড।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

যে সকল পাখি মানুষের তত্ত্বাবধানে লালিত-পালিত হয়, বংশবিস্তার করে এবং অর্থনৈতিক উপকারে আসে সেগুলোই পোল্ট্রি। পোল্ট্রির মধ্যে হাঁস, মুরগি, কবুতর ও কোয়েল অন্যতম। আমাদের দেশে গৃহপালিত পোল্ট্রির মধ্যে হাঁস-মুরগির অবস্থান প্রথমে। পোল্ট্রি থেকে আমরা উৎকৃষ্ট মানের আমিষ জাতীয় খাদ্য (মাংস ও ডিম) পেয়ে থাকি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপক সাইদুল তার বসতবাড়ির পতিত জমিতে পুকুর খনন করে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নিল। তার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে যে বিষয়ের ওপর লক্ষ রেখে মাছ নির্বাচন করবে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো-
i. দ্রুত দৈহিক বৃদ্ধি হবে।
ii. পুকুরের সব স্তর থেকে খাদ্য গ্রহণ করবে এবং অন্য প্রজাতির সাথে প্রতিযোগিতা করবে না।
iii. খেতে সুস্বাদু হবে ও বাজারে চাহিদা থাকবে।
iv. প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উভয় উপায়ে পোনা উৎপাদন করা যাবে।
v. অল্প জায়গায় বেশি পরিমাণে উৎপাদন করা যাবে।
vi. রোগ প্রতিরোধী হতে হবে।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
উত্তরঃ

সাইদুলের গৃহীত চাষ পদ্ধতিটি হলো মাছের সাথে হাঁস-মুরগির সমন্বিত চাষ।

বর্তমানে হাঁস ও মাছের সমন্বিত চাষ করে মাছের খাদ্য হিসেবে হাঁস- মুরগির বিষ্ঠা ব্যবহার করা যায়। হাঁস-মুরগির বিষ্ঠায় ৯১% নাইট্রোজেন এবং ০.৩৮% ফসফেট রয়েছে। এটি পুকুরে জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। হাঁস-মুরগির বিষ্ঠায় বিদ্যমান উপাদান পুকুরের পরিবেশ ভালো করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এতে করে পুকুরে আলাদা কোনো সার প্রয়োগের প্রয়োজন হয় না। হাঁস পুকুরের পোকামাকড় ও ব্যাঙাচি খেয়ে পুকুরের পরিবেশ ভালো রাখে। হাঁস পুকুরের পানিতে সাঁতার কাটে বলে বাতাস থেকে অক্সিজেন পানিতে মেশে, ফলে পানিতে অক্সিজেনের সমস্যা হয় না। একই জায়গা থেকে মাছ, মাংস ও ডিম পাওয়া যায় ফলে অধিক খাদ্য উৎপাদন ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

উপরের আলোচনা হতে দেখা যায় যে, সাইদুলের পুকুরের উপরে হাঁস- মুরগির সমন্বিত চাষ পদ্ধতিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
67

Related Question

View All
উত্তরঃ

পুলেট হলো প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন ২০/২২ সপ্তাহ বয়সের মুরগি যাকে এখনো মোরগের সংস্পর্শে দেওয়া হয়নি।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
841
উত্তরঃ

বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক কারণ হাঁস পালনের জন্য জায়গা কম লাগে। হাঁস বছরে প্রায় ৩০০টি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। মুরগির তুলনায় হাঁস ৪০-৪৫টি ডিম বেশি পাড়ে। অধিকাংশ হাঁস নিজের খাবার নিজে সংগ্রহ করে খেতে পারে বিধায় হাঁস পালনে যত্ন, পরিচর্যা ও খরচ কম লাগে। দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এসব কারণে বাংলাদেশে হাঁস পালন লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
2k
উত্তরঃ

সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত। এটি হাঁসের ডাকপ্লেগ ভাইরাস দ্বরা সংক্রমিত মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ। হাঁসের এই রোগ ডাক হারপেস ভাইরাস-১ (DHV-1) এর সংক্রমণে হয়ে থাকে।

এ রোগে হাঁস আলো দেখলে ভয় পায়। সাঁতার কাটতে চায় না। পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখায়। নাক দিয়ে তরল পদার্থ বের হয়। সবুজ ও হলুদ রঙের পাতলা মলত্যাগ করে। পালক এলোমেলো হয়ে ঝুলে পড়ে। মাথা, ঘাড় ও শরীরে কাঁপুনি দেখা দেয়। পা এবং পাখা অবশ হয়ে যায়। চোখ হতে অনবরত পানি ঝরে এবং চোখের ভিতরে সাদা রঙের আবরণ পড়ে চোখ বন্ধ হয়ে যায়। এ রোগে হাঁস খুঁড়িয়ে হাঁটে, ডিম পাড়া হাঁস ডিম পাড়া কমিয়ে দেয় এবং হঠাৎ মারা যায়।

সাবিনার খামারের হাঁসগুলোতে উল্লিখিত লক্ষণগুলো দেখা দেয়। অর্থাৎ সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাকপ্লেগ রোগে আক্রান্ত।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
539
উত্তরঃ

উদ্দীপকের প্রাণী চিকিৎসক সাবিনাকে তার খামারে ডাক প্লেগ রোগের প্রতিকার ও প্রতিরোধের জন্য করণীয় সম্পর্কে জানান।
সাবিনার খামারের হাঁসগুলো ডাক প্লেগ নামক ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। উক্ত রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায় বিশ্লেষণ করা হলো-

i. খামারের জৈব নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

ii. আক্রান্ত হাঁস অন্যত্র সরিয়ে ফেলা।

iii. মৃত হাঁস মাটিতে পুঁতে ফেলা।

iv. খামারে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করা।

V. বাসস্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা।

vi. পরিষ্কার পানি সরবরাহ করা।

vii. হাঁসের ঘর ফিউমিগেশন করা।

viii. বাসস্থানে ঢোকার মুখে ফুটবাথের ব্যবস্থা করা।

ix. প্রতিষেধক হিসেবে খামারে নিয়মিত ডাক প্লেগ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। হাঁসের বাচ্চাকে জন্মের ১৫-২০ দিন পর ১ম মাত্রা, ১ম মাত্রার ২৫ দিন পর বুস্টার বা ২য় মাত্রা এবং ২য় মাত্রার পর প্রতি ৫-৬ মাস অন্তর অন্তর এ টিকা দিতে হয়।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লিখিত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ডাক প্লেগ রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
615
উত্তরঃ

যে সকল ডিম থেকে বাচ্চা জন্ম নেয় না সেগুলোই অনুর্বর ডিম।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
735
উত্তরঃ

কবুতর খুব অল্প জায়গায়, কম খরচে, উঁচুতে দেয়ালের পাশে বা ছাদের উপর বাসা তৈরি করে পালন করা যায়।

কবুতরের রোগবালাই কম হয় এবং খাদ্য খরচও কম লাগে। ৪ সপ্তাহের মধ্যেই কবুতরের বাচ্চা খাওয়ার উপযোগী হয়। এরা ৫-৬ মাস বয়সে ডিম দেয় এবং মাত্র ১৮ দিনে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। কাজের অবসরে পালন করা যায় বলে অতিরিক্ত শ্রমিকের প্রয়োজন হয় না। সময়, শ্রম ও অর্থ কম লাগে বলেই কবুতর পালন অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।

Tamanna
Tamanna
1 year ago
713
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews