পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম আঁকেন গ্রিক বিজ্ঞানীরা।
মমিকে রক্ষা করার জন্য মিশরীয়রা পিরামিড তৈরি করেছিল।
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার অনন্য স্থাপত্যকর্ম পিরামিড। এর বেশ কয়েকটি এখনো সগৌরবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। প্রাচীন মিশরীয়রা মনে করত, মৃত ব্যক্তি আবার একদিন বেঁচে উঠবে। সে কারণে সম্রাটসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দেহ অবিকৃত রাখার জন্য বিশেষ কায়দায় মমি করা হতো। আর এই মমিকে সুরক্ষিত রাখার জন্যই মিশরীয়রা পিরামিড তৈরি করেছিল।
উদ্দীপকের সাইমার দেখা শহরের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ে আলোচিত সিন্ধু সভ্যতার বিলুপ্ত নগরের মিল লক্ষ করা যায়।
সিন্ধু নদের তীরে গড়ে ওঠা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা সিন্ধু সভ্যতা। এটি বিশ্বের নগর সভ্যতার ইতিহাসের একটি অমূল্য নিদর্শন। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা উন্নত নগরকেন্দ্রিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিল। এ সভ্যতার উল্লেখযোগ্য দুইটি শহর হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারো। শহরদুটির নগর পরিকল্পনা ছিল অত্যন্ত উন্নত। সেখানে ছিল প্রশস্ত সোজা ও পাকা রাস্তা, সুন্দর নকশা করা দালানকোঠা, রাস্তার দু'পাশে সারিবদ্ধ লাইট পোস্ট এবং পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা। উদ্দীপকের সাইমা চট্টগ্রাম শহরে গিয়ে প্রশস্ত, সোজা ও পাকা রাস্তা, সুন্দর নকশা করা দালানকোঠা, রাস্তার দু'পাশে সারিবদ্ধ লাইট পোেস্ট, পানি নিষ্কাশনের জন্য সুব্যবস্থা দেখতে পায়। এর ভিত্তিতে বলা যায়, সাইমার দেখা শহরের সাথে আমার পাঠ্যবইয়ের সিন্ধু সভ্যতার মিল রয়েছে।
হ্যাঁ, আমি মনে করি, উক্ত সভ্যতা অর্থাৎ সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ এবং চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখেছে।
সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরাই এ অঞ্চলে প্রথম আধুনিক বাড়িঘর তৈরি করেছিলেন। সেখানে দুই থেকে পঁচিশ কক্ষের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। আবার কোথাও দুই-তিন তলা বাড়ির সন্ধানও পাওয়া গেছে। মহেঞ্জোদারোর স্থাপত্যের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো ৮০ ফুট জায়গা জুড়ে নির্মিত 'বৃহৎ মিলনায়তন'। এছাড়া সেখানে 'বৃহৎ স্নানাগার'-এর নিদর্শনও পাওয়া গেছে। সিন্ধুসভ্যতায় নির্মিত শহরগুলো পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী উঁচু ভিতের উপর নির্মাণ করা হয়েছিল। শহরগুলোর এক পাশে উঁচু ভিত্তির উপর একটি করে নগর দুর্গ নির্মাণ করা হতো। ভাস্কর্যশিল্পেও এ সভ্যতার অধিবাসীদের দক্ষতা ছিল। পাথুরে খোদিত ভাস্কর্যগুলোর শৈল্পিক ও কারিগরি মান ছিল উল্লেখযোগ্য। এ যুগে ভাস্কর্যশিল্পের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম ছিল হরপ্পা ও মহেঞ্জোদারোতে প্রাপ্ত বিচিত্র ধরনের প্রায় ২৫০০ সিল।
তাই আমি মনে করি, সিন্ধু সভ্যতার অধিবাসীরা চমৎকার স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন রেখেছে যা ঐ সভ্যতাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
Related Question
View Allলাতিন রাজা রোমিউলাস (Romulus) রোম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন।
পারস্পরিক ক্ষমতার দ্বন্দ্বের কারণে রোমে তিনজনের শাসন টেকেনি।
রোমে অক্টেভিয়াস সিজার, মার্ক এন্টনি ও লেপিডাসের একত্রিত শাসন ব্যবস্থা 'ত্রয়ী শাসন' বা তিনজনের শাসন বলে পরিচিত। তবে এ শাসন বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কারণ প্রত্যেকেরই আকাঙ্খা ছিল রোমের একচ্ছত্র অধিপতি বা সম্রাট হওয়ার। ফলে খুব শীঘ্রই ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং রোম সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থার সাথে মিশরীয় সভ্যতার নীল নদের অববাহিকার মিল পাওয়া যায়।
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা নীল নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল। নীল নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো। প্রাচীনকালে নীল নদে বন্যা হতো। বন্যার পর পানি সরে গেলে দুই তীরে পলিমাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেত। জমে থাকা পলিমাটিতে জন্মাতো নানা ধরনের ফসল।
উৎপাদিত ফসলের প্রাচুর্যের ওপর ভিত্তি করে মিশরে গড়ে উঠেছিল কৃষি নির্ভর অর্থনীতি। উদ্দীপকেও দেখা যায়, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হওয়ায় প্রায় প্রতিবছরই বন্যায় নদী তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হয়। বন্যার পানি নেমে গেলে তীরবর্তী এলাকায় পলি জমে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। এটি প্রচুর ফসল উৎপাদন এবং সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
উপরে বর্ণিত উভয় অঞ্চলের তুলনামূলক আলোচনায় সুস্পষ্ট যে, উদ্দীপকের বাংলাদেশের অবস্থার সাথে মিশরীয় সভ্যতার নীল নদের অববাহিকার মিল পাওয়া যায়।
পৃথিবীব্যাপী সভ্যতার বিকাশে উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থা তথা নদী অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে ওঠা কৃষিনির্ভর অর্থনীতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রাচীন সভ্যতাগুলোর বিকাশ ও সমৃদ্ধি অর্জনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, প্রায় প্রতিটি সভ্যতাই নদী অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে ওঠা কৃষির ওপর ভিত্তি করে বিকাশ লাভ করেছে। উদাহরণ হিসেবে মিশরীয় ও সিন্ধু সভ্যতার কথা বলা যায়। মিশরীয় সভ্যতা গড়ে উঠেছিল নীল নদের অববাহিকায়। প্রতিবছর নদী অববাহিকা অঞ্চলে বন্যার পানি সরে গেলে দুই তীরে পলি মাটি পড়ে জমি উর্বর হয়ে যেত। স্বাভাবিকভাবেই এ উর্বর জমিতে প্রচুর ফসল জন্মাতো। ফসলের এ প্রাচুর্য মিশরকে করেছিল অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী। আমরা জানি যে, অর্থনৈতিক শক্তিই সভ্যতার বিকাশে মূল ভূমিকা রাখে। মিশরীয় সভ্যতার মতোই সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে। আধুনিক প্রত্নতত্ত্ববিদরা এ বিষয়ে একমত যে, সিন্ধু সভ্যতার অগ্রগতির পিছনে মূল ভূমিকা রেখেছিল সিন্ধু নদ বিধৌত অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি। এসব সভ্যতার মতো উদ্দীপকে বর্ণিত বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও দেখা যায়, অঞ্চলটির সমৃদ্ধির পিছনে নদী বিধৌত অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন মুখ্য ভূমিকা রেখেছে।
উপরের আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সুনিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, সভ্যতার বিকাশে নদী তীরবর্তী অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
স্টোইকবাদী দর্শন রোমে প্রথম প্রচার করেন প্যানেটিয়াস।
প্রাচীন পৃথিবীতে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় এথেন্সে। তবে প্রথম দিকে এখানে ছিল রাজতন্ত্র। খ্রি. পূর্ব সপ্তম শতকে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে এক ধরনের অভিজাততন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে চূড়ান্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন পেরিক্লিস। তিনি নাগরিকদের সব ধরনের রাজনৈতিক দাবি- দাওয়া মেনে নেন এবং এথেন্সে গণতন্ত্রের সূচনা করেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!