প্রকৃতির মধ্যে সব রকমের জীব যে নিয়মে বেঁচে থাকে তাই জীববৈচিত্র্য।
বাংলাদেশে বর্তমানে ঔষধ একটি সম্ভাবনাময় শিল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সম্প্রতি কয়েকটি স্বনামধন্য ঔষধ কোম্পানি গড়ে উঠায় ঔষধ এখন রপ্তানি শিল্পে পরিণত হয়েছে। এসব ঔষধ দেশের চাহিদা পূরণ করার সাথে সাথে বিপুল পরিমাণ টাকার ঔষধ বিদেশে রপ্তানি হয়েছে।
উদ্দীপকের রুবিনা ঢাকায় একটি পোশাক শিল্প কারখানায় কাজ করে।
সম্প্রতিকালে বাংলাদেশে এ শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কেননা এশিল্পের অধিকাংশ কর্মচারী হচ্ছে নারী। এটা মূলত রপ্তানিমুখী শিল্প। বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে পোশাক শিল্প প্রধান ভূমিকা পালন করছে। গত শতকের আশির দশকে এ শিল্পের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। অতি অল্প সময়ে এ শিল্পটি দেশের বৃহত্তম রপ্তানিমুখী শিল্পে পরিণত হয়েছে। দেশে বর্তমানে তিন হাজারেরও অধিক পোশাক শিল্প ইউনিট রয়েছে। যা প্রায় ৪০ লক্ষ শ্রমিকের কাজের ব্যবস্থা করেছে। বাংলাদেশ আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। যা দেশের জনগণের অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে সহায়তা করছে। সে কারণে দেশে দ্রুত আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রুবিনার বাবার বসবাসকৃত জায়গায় অর্থাৎ সাগরের তীরে প্রাপ্ত সম্পদ জাতীয় আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূণ ভূমিকা পালন করে।
বাংলাদেশের দক্ষিণ অঞ্চল জুড়ে বঙ্গোপসাগরের অবস্থান। এ সাগর তীরে গড়ে উঠেছে নানা বন্দর; যেমন- চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর। সাগরের পানি থেকে আমরা লবণ, উৎপন্ন করি। তাছাড়া সাগর থেকে আহরণ করা হয় মাছ। এসব সম্পদকে বলা হয় সমুদ্র সম্পদ যা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। বুবিনার বাবা সমুদ্রতীরে বসবাস করে। আর তার জায়গায় প্রাপ্ত সম্পদ হচ্ছে লবণ ও মৎস্য। সমুদ্র থেকে প্রাপ্ত লবণ আমাদের আয়োডিনের চাহিদা পূরণ করে। তাছাড়া লবণ আহরণে নিয়োজিত থেকে অনেক মানুষ জীবিকা নির্বাহ করছে। এছাড়া সমুদ্রের মৎস্য সম্পদ আমাদের আমিষের চাহিদা পূরণ করছে। মাছ রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে এবং মৎস্যজীবীরা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে।
তাই বলা যায়, রুবিনার বাবার বসবাসকৃত জায়গায় প্রাপ্ত অর্থাৎ বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত সাগরেরর তীরে প্রাপ্তসম্পদ জাতীয় আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে পুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Related Question
View Allপ্রকৃতির কাছ থেকে পাওয়া সব বস্তুকেই প্রাকৃতিক সম্পদ রলা হয়। মানুষ প্রকৃতি থেকেই এসব সম্পদ আহরণ করে। এর ফলে মানুষের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের অগ্রগতি ঘটে।
প্রকৃতির মধ্যে নানা ধরনের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যে রয়েছে- পানি, বায়ু, মাটি, গাছপালা, জীবজন্তু, ফসল, খনিজ দ্রব্য ইত্যাদি।
মাটি বাংলাদেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ। এদেশের সমতল ভূমি খুবই উর্বর। বেশিরভাগ এলাকায় বছরে তিনটি ফসল উৎপন্ন হয়। দেশের ১০ ভাগের এক ভাগ অঞ্চল পাহাড়ি এলাকা। পাহাড়ে প্রচুর প্রাণিজ, বনজ ও খনিজ সম্পদ রয়েছে।
বাংলাদেশে ছোটো-বড়ো, অনেক নদী আছে। নদীগুলো মালামাল পরিবহনের সহজ- মাধ্যম। নদীর পানি প্রবাহ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এছাড়া আমাদের নদ-নদীতে বিপুল পরিমাণ মৎস্যসম্পদ রয়েছে। এসব মানুষের নদ-নদীকেন্দ্রিক জীবনব্যবস্থা এবং জালের মতো ছড়ানো ছিটানো অসংখ্য নদী থাকার কারণে বাংলাদেশকে নদীমাতৃক দেশ বলা হয়।
যেসব পদার্থ মাটির নিচে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকে এবং যেগুলোকে উত্তোলন করে ব্যবহার করা যায় তাকে খনিজ সম্পদ বলে। বাংলাদেশের মাটির নিচে রয়েছে নানা রকম মূল্যবান খনিজসম্পদ। এগুলো মধ্যে কয়লা, গ্যাস, চুনাপাথর, চিনামাটি, সিলিকা বালি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ ২৪.৯৩৮ বর্গকিলোমিটার। দেশের মোট ভূ-ভাগের ১৬ ভাগ হচ্ছে বন। বনে রয়েছে মূল্যবান পাছপালা। এগুলো আমাদের ঘরবাড়ি ও আসবাব তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া বনে রয়েছে পাখি ও প্রাণিসম্পদ। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য রনের গুরুত্ব অপরিসীম।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!