বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ত্রিশ শতাংশ মানুষ শহরে বাস করে।
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও প্রয়োজনের তুলনায় কৃষি উৎপাদন কম ছিল। কিন্তু আধুনিককালে আধুনিক যন্ত্রপাতি, উচ্চ ফলনশীল বীজ, সার ও কীটনাশুল্কের সঠিক ব্যবহার এবং সেচ সুবিধা সম্প্রসারণের ধারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
উদ্দীপকের সাগর ও সৈকতের কাজের খাতটিকে অর্থনীতির ভাষায় কৃষিখাত বলা হয়। আর কৃষি হলো এমন সৃষ্টি সম্বন্ধীয় কাজ যা ভূমি কর্ষণ, বীজ বপন, শস্য-উদ্ভিদ পরিচর্যা, ফসল উৎপাদন, ফসল কর্তন ও উৎপাদন ইত্যাদি থেকে শুরু করে উৎপাদিত পণ্য গুদামজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ পর্যন্ত বিস্তৃত। ফসল উৎপাদন ছাড়াও মাছ ও মৌমাছি চাষ, রনায়ন ও পশুপালন কৃষির অন্তর্ভুক্ত। উদ্দীপকের সাগর ও সৈকত পুকুর ইজারা নিয়ে মাছ ও হাঁস চাষ কৃষিখাতের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া জমি ইজারা নিয়ে উন্নত 'ফসলের চাষ কৃষিখাতের আওতাভুক্ত। সঞ্চিত অর্থ দিয়ে দুগ্ধ খামার প্রতিষ্ঠা এসবই কৃষিখাতের আওতাভুক্ত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত খাতগুলো সামগ্রিকভাবে কৃষিখাতে অন্তর্ভুক্ত।
প্রামীণ অর্থনীতি উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ইত্যাদি কৃষির অগ্রগতির সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। ফলে কৃষিখাতের উন্নয়নে সরকার সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে। 'আমাদের দেশের সবচেয়ে বেশির ভাগ লোক প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এ দেশের জনগণের খাদ্যের যোগানদাতা হিসেবে কৃষিখাতের প্রাধান্য রয়েছে। দেশের মোট শ্রমশক্তির সিংহভাগই কৃষিখাতে নিয়োজিত। ধান, পাট, আম, তুলা, চা এদেশের জনগণের প্রধান ফসল। এছাড়া জনগণের প্রাণিজ আমিষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা, শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহ এবং শিল্পজাত দ্রব্যাদির বাজার সৃষ্টি করে সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের কৃষি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সুতরাং দেখা যায়, অর্থনেতিক উন্নয়নের জন্য উদ্দীপকের খাতগুলো অর্থাৎ কৃষিখাতের অবদান অনস্বীকার্য।
Related Question
View Allবাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ শহরাঞ্চলে বাস করে।
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ কৃষির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। তাই বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়।
গ্রামের অধিকাংশ লোক কৃষিজীবী। কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান অবলম্বন। এমনকি যাদের নিজস্ব জমি নেই তারাও অন্যের জমিতে কাজ করে জীবন নির্বাহ করে। অর্থাৎ দেশের কয়েক কোটি মানুষ তাদের জীবিকার জন্য সরাসরি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। সে কারণে বাংলাদেশকে কৃষিপ্রধান দেশ বলা হয়।
মিসেস জমিলার কাজটি অর্থনীতির কৃষি খাতের বৈশিষ্ট্যের সাথে সংগতিপূর্ণ।
পৃথিবীর অন্য যেকোনো দেশের মতো আমাদের অর্থনীতিরও প্রধান খাতগুলো হলো কৃষি, শিল্প, ব্যবসায় বাণিজ্য ও সেবা খাত। প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি কৃষি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত মিসেস জমিলা তার বাড়ির আঙিনায়, মুরগির খামার তৈরি করে তার থেকে উৎপাদিত প্রায় শতাধিক ডিম বাজারে বিক্রি করে। অর্থাৎ মিসেস জমিলা মুরগি পালনের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। আর মুরগির খামার যেহেতু কৃষি খাতের, আওতাভুক্ত, সেহেতু মিসেস জমিলার কাজটি অর্থনীতির কৃষি খাতের বৈশিষ্ট্যের সাথে সংগতিপূর্ণ।
উদ্দীপকে আশরাফ আলীর কাজটি শিল্প খাতের অন্তর্ভুক্ত আর মিসেস জমিলার কাজটি কৃষি খাতের অন্তর্ভুক্ত। আশরাফ আলী ও মিসেস জমিলার কাজের মধ্যে আশরাফ আলীর কাজটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক সহায়ক বলে আমি মনে করি।
অর্থনীতির খাত শিল্প ও ব্যবসায় বাণিজ্য একটি দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে সহায়তা করে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত আশরাফ আলী লন্ডন ও ইউরোপের কয়েকটি দেশে তার কারখানার উৎপাদিত চামড়ার ব্যাগ রপ্তানি করেন। আর মিসেস জমিলা তার মুরগির খামারে উৎপাদিত শতাধিক ডিম বাজারে বিক্রি করেন। এভাবে মিসেস জমিলার কাজের মাধ্যমে-স্থানীয় চাহিদা পূরণ হচ্ছে আর আশরাফ আলীর কাজের মাধ্যমে স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জিত হচ্ছে।
সূতরাং নির্দ্বিধায় বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে উভয়ের কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মিসেস জমিলার কাজের তুলনায় আশরাফ আলীর কাজটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক সহায়ক বলে আমি মনে করি।
আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান প্রায় ২০ শতাংশ।
যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে সেবা খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আবাসন, পরিবহণ বা যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যাংক, বিমা, জনপ্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এগুলো হলো সেবা খাতের উদাহরণ। সরকারি ও বেসরকারি উভয় উদ্যোগেই এ খাতটি পরিচালিত হয়। যে দেশ যত উন্নত এবং জনগণের কল্যাণকে যত বেশি গুরুত্ব দেয়, সেখানে এ সেবা খাতটি ততই শক্তিশালী।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!