সাদনান এবং শামীমা সম্পর্কে বৈমাত্রেয় ভাই-বোন। সাধারণত এ ধরনের সম্পর্কে রেষারেষি থাকলেও তাদের ক্ষেত্রে ঘটল ঠিক উল্টোটি। শামীমার জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবরটি শোনার সাথে সাথে সাদনান তার জন্মদিন উপলক্ষে জমানো সব টাকা বাবার হাতে তুলে দিল বোনের চিকিৎসার জন্য। ছেলের উদারতা দেখে বাবার চোখে পানি আসল।

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

মানুষকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হারাম।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সাধারণভাবে পৃথিবীতে বসবাসকারী সব মানুষই বিশ্ব উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু বিশেষ বিবেচনায় সব যুগের সাধারণ মানুষকে বিশ্ব উম্মাহর অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং হযরত আদম (আ) থেকে হযরত নূহ (আ)-এর পূর্ব পর্যন্ত সব মানুষ হলো বিশ্ব উম্মাহ। এ সময় তারা কুফর ও শিরক মুক্ত ছিল। তাদের জন্যে নবি প্রেরিত হতেন।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে রক্ত সম্পর্কীয় উখওয়াত বা ভ্রাতৃত্বের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে। রক্ত সম্পর্কীয় ভ্রাতৃত্ব হচ্ছে এক ও অভিন্ন মাতা-পিতা অথবা অভিন্ন পিতা ও ভিন্ন মাতার ঔরসে জন্মগ্রহণের কারণে পরস্পরের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে ওঠা। অভিন্ন মাতা-পিতার সহোদর পিতা ভিন্ন হলে বৈপিত্রেয় এবং মাতা ভিন্ন হলে বৈমাত্রেয় ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। উদ্দীপকে সাদনান এবং শামীমা বৈমাত্রেয় ভাইবোন অর্থাৎ তাদের পিতা এক এবং মাতা ভিন্ন। তাদের মধ্যে এক ধরনের ভ্রাতৃত্ব গড়ে উঠেছে। তাই সাদনান তার অসুস্থ বোনের সুচিকিৎসার জন্য জন্মদিন উদযাপনের জন্য জমানো সব টাকা দিয়ে দিল। এটি রক্তের টানের কারণে সম্ভব হয়েছে। তাই আমরা বলতে পারি উদ্দীপকটিতে রক্ত সম্পর্কীয় ভ্রাতৃত্বের ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

উখওয়াত ধারণাটি উদারতা ও সাম্যবাদভিত্তিক উদ্দীপকে বর্ণিত ঘটনাটিই এর প্রমাণ দেয়। উখওয়াত হলো ভ্রাতৃত্ব অর্থাৎ ভাইদের মাঝে বিদ্যমান সম্পর্ক। উদ্দীপকের সাদনান এবং শামীমা বৈমাত্রেয় ভাই-বোন, অর্থাৎ তাদের মধ্যে রক্ত সম্পর্কীয় ভ্রাতৃত্ব বিদ্যমান। এ ভ্রাতৃত্ব স্থায়ী এবং প্রতিষ্ঠিত নয়। কারণ কখনো কখনো এ ভ্রাতৃত্ব মানুষের মধ্যে সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম দেয় এবং মানুষে মানুষে হানাহানি সৃষ্টি করে। সাদনান রক্ত সম্পর্কের কারণে তার বোনের প্রতি উদারতা দেখালেও এ উদারতা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ ঔরসজাত সহোদর ভ্রাতৃত্বের গোড়ার ইতিহাস আমরা জানি। হযরত আদম (আ) এর দু সন্তানের একজন অন্যজনকে হত্যা করেছিল। এতে বোঝা যায়, ঔরসজাত ভ্রাতৃত্ব উদারতার মাধ্যমে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য সৃষ্টি না করে শত্রুতা সৃষ্টি করে। তবে স্থায়ীভাবে উদারতার মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করে ইসলামি ভ্রাতৃত্ব। কারণ মহান আল্লাহর তাওহিদ এবং মহানবি (স) এর রিসালাত ইসলামি ভ্রাতৃত্বের যোগসূত্রের ভিত্তি। এ কারণে ইসলামি আদর্শের ওপর গড়ে ওঠা ভ্রাতৃত্ব মানুষের মনুষ্যত্বকে জাগিয়ে তোলে এবং মানুষের মৌলিক মানবীয় গুণাবলিকে বিকশিত করে। মহানবি (স) বলেন - "তুমি মুমিনগণকে পরস্পর দয়া প্রদর্শন, পরস্পর ভালোবাসা প্রদর্শন ও পরস্পর সহানুভূতি প্রদর্শনে একটি দেহের ন্যায় দেখতে পাবে। যখন দেহের কোনো একটি অংশ ব্যথা অনুভব করে, তখন সমস্ত দেহ নিন্দ্রাহীনতা ও জ্বরের দ্বারা সাড়া দেয়” (বুখারি, মুসলিম)। রাসুল (স) এর এ বাণীতে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় ইসলামি ভ্রাতৃত্ব মানুষের মানবিক গুণাবলির বিকাশের মাধ্যমে সমাজে স্থায়ীভাবে উদারতা প্রতিষ্ঠিত করে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
141
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

 উখওয়াত অর্থ ভ্রাতৃত্ব, হৃদ্যতা, সৌহার্দ্য ইত্যাদি।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
356
উত্তরঃ

'আমার বিল মারুফ' অর্থ সৎকাজের আদেশ অর্থাৎ কোনো মানুষকে আল্লাহর নির্দেশিত পথে জীবন পরিচালনার জন্য যে আহ্বান করা হয় তাকে সৎকাজের আদেশ বলে। 'নাহি আনিল মুনকার' অর্থ অসৎকাজে নিষেধ অর্থাৎ মানুষকে আল্লাহ যা করতে অথবা যে পথে চলতে নিষেধ করেছেন, সেই দিক নিদের্শনা দেওয়াকে অসৎকাজে নিষেধ বলে। প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য হলো সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে বাধা দেওয়া।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
2.2k
উত্তরঃ

সাকিবের কাজটির জন্য তাকে দাঈ বা ধর্ম প্রচারক বলা হবে। সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে বাধা দেওয়া নামাজ-রোজার মতোই একটি ফরজ ইবাদত। আর যারা এ ধরনের কাজ করে থাকেন তাদেরকে দাঈ বলা হয়। অর্থাৎ ইসলামি আদর্শের প্রতি মানুষকে আহ্বানকারীকে দাঈ বলা হয়। সমাজে সৎকাজের আদেশদান ও অসৎকাজ থেকে নিষেধ করার জন্য সবসময়ই কিছু সংখ্যক লোক বিদ্যমান থাকতে হয়। অন্যথায় সমাজ অন্যায়- অত্যাচার, সন্ত্রাস প্রভৃতি খারাপ কাজে ছেয়ে যায়। তাই মানুষকে অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকা এবং সৎকাজে অনুপ্রাণিত করা মুমিনের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে পরিগণিত এবং এ ধরনের মুমিনকে দাঈ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

উদ্দীপকের সাকিব শিক্ষকের কাছ থেকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধের গুরুত্ব বুঝতে পেরে ঠিক করল যে, সে প্রতিদিন তার সময় ও সুযোগ বুঝে মানুষকে আল্লাহ ও রাসুলের পথে কাজ করার আহ্বান করবে এবং নিজেও সেই মোতাবেক চলবে। আর এক্ষেত্রে সে সর্বপ্রথম টার্গেট বা লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তার বন্ধু-বান্ধব ও নিকট আত্মীয়দের মধ্যেই সে প্রথম দাওয়াতি কাজ করবে। এক্ষেত্রে সে দাওয়াতি কাজটি একাই করবে না বরং তার বন্ধু-বান্ধবদেরকেও করতে উৎসাহিত করবে যাতে এটি প্রসারতা লাভ করে। সাকিবের এই কাজটি মানুষকে ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় তাকে দাঈ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
261
উত্তরঃ

উদ্দীপকে শিক্ষকের বক্তব্যের আলোকে সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। সৎকাজের আদেশ এবং অসৎকাজে নিষেধ একটি ফরজ কাজ। যার নির্দেশনা আল্লাহ তায়ালা অসংখ্য আয়াতের মাধ্যমে দিয়েছেন। আর এটাই আল্লাহর রাসুল হযরত মুহাম্মদ (স)-এর মিশন ছিল। তার দাওয়াতি কাজই ছিল মানুষকে সৎপথে তথা কল্যাণের পথে আহ্বান করা আর অসৎপথে বাধা দেওয়া। শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী- যে ব্যক্তি মানুষকে সৎকাজের আদেশ দিবে না এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে না সে একজন পূর্ণাঙ্গ মুমিন হতে পারবে না।

শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়ার জন্য আল্লাহর প্রতিটি আদেশ ও নিষেধ মানা আবশ্যক। আর এর মধ্যে সৎকাজের আদেশ প্রদান ও অসৎকাজে বাধা প্রদান অন্যতম। এর গুরুত্ব সম্বন্ধে আল্লাহ তায়ালা বলেন- 'তোমরাই শ্রেষ্ঠ জাতি। মানবজাতির কল্যাণের জন্য তোমাদের আবির্ভাব। তোমরা সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর প্রতি ইমান তথা বিশ্বাস রাখবে (সুরা আলে ইমরান-১১০)'।

উল্লিখিত আয়াতের দিকে লক্ষ করলে এটা স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে, আমর বিল মারুফ অর্থাৎ সৎকাজের আদেশ আর নাহি আনিল মুনকার তথা অসৎকাজে নিষেধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা, পারিবারিক ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা এটির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

পরিশেষে বলা যায়, শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী প্রত্যেকে তার সাধ্যমতো মানুষকে সৎকাজের আদেশ দেবে এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখবে। আর এটি একজন মুমিন ব্যক্তির জন্য অবশ্য কর্তব্য।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
271
উত্তরঃ

ইসলামি আদর্শ, বিশ্বাস ও ইসলামের অনুশীলনের ফলে মুসলিমদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে ওঠে তাকে ইসলামি ভ্রাতৃত্ব বলে। ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীগণ পরস্পর ভাই ভাই। মহান আল্লাহর তাওহিদ এবং মহানবি (স) এর রিসালাত মুসলমানদের মধ্যকার ভ্রাতৃত্ব বন্ধনের যোগসূত্র। অর্থাৎ ইসলামের সুমহান আদর্শের ভিত্তিতে বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে ওঠে, তা-ই ইসলামি ভ্রাতৃত্ব।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
1.3k
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews