প্রদত্ত চিত্রটির বিন্দু, রেখা, তল ও কোণ চিহ্নিত করা হলো:

নিচে ইচ্ছেমতো ১০টি বিন্দু এঁকে বিন্দুগুলো দিয়ে একটি আয়ত-এবং একটি বর্গ আঁকা হলো:

উপরের পৃষ্ঠ সমতল এমন পাঁচটি বস্তু হলো; ইট, স্কেল, কার্পেট, লুডুর ছক্কা ও বই।
উপরের পৃষ্ঠ বক্রতল এমন পাঁচটি বস্তু হলো: মার্বেল, ফুটবল, গোলাকার পাইপ, মোচা ও কলম।
৬ সেমি ও ৮ সেমি দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট দুইটি রেখা দিয়ে একটি স্থূলকোণ অঙ্কন করা হলো:

চিত্রে, খকগ একটি স্থূলকোণ।
স্থূলকোণের বৈশিষ্ট্য:
১. স্থূলকোণ সর্বদা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট হয়।
২. এ কোণে একটি সরলরেখার উপর অন্য একটি সরলরেখা লম্বভাবে অবস্থান করেনা।
৩. এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।
যে কোণের পরিমাপ এক সমকোণের চেয়ে ছোট, তাকে সূক্ষ্মকোণ বলে।

চিত্রে কখগ একটি সূক্ষ্মকোণ।
যে চতুর্ভুজের চারটি কোণই সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।

চিত্রে কখগঘ একটি আয়ত।
চারটি সরলরেখা দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্রকে চতুর্ভুজ বলে।

চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।
যে আয়তের প্রত্যেকটি বাহুর দৈর্ঘ্য একই, তাকে বর্গ বলে।

চিত্রে কখগঘ একটি বর্গ।
প্রদত্ত জ্যামিতিক প্যাটার্নটি লক্ষ করলে দেখতে পাই প্রতিটি অবস্থানে পূর্বের থেকে ২টি
বেশি আছে। তাই ফাঁকা স্থানগুলোতে পূর্বের স্থান থেকে ২টি
করে বেশি নিয়ে প্যাটার্নটি পূর্ণ করা হলো:

প্রদত্ত চিত্রটিতে প্যাটার্ন নেই। কারণ ৩য় ধাপে (৭ম চিত্রে)
এর পরিবর্তে
রয়েছে। তাই উক্ত স্থানে
হলে প্যাটার্ন হবে। অতএব প্যাটার্নটি হলো:

এখানে প্রতি ক্ষেত্রে দুই করে বৃদ্ধি পেয়েছে। দুই করে বৃদ্ধি করে প্যাটার্ন সম্পন্ন করা হলো।

দুইটি রেখার মিলিত বিন্দু (শীর্ষবিন্দু) থেকে যে আকৃতি তৈরি হয় তাকে কোণ বলে।

অঙ্কিত কোণটির বৈশিষ্ট্য:
(i) অঙ্কিত কোণটি একটি সমকেণ যার পরিমাপ ৯০°।
(ii) সমকোণের বাহু দুইটি পরস্পর লম্ব হয়।
(iii) এর রেখাদ্বয় শীর্ষবিন্দুতে মিলিত হয়।

অঙ্কিত আয়তটির বৈশিষ্ট্য:
(i) আয়তটির প্রত্যেকটি কোণ এক সমকোণ বা ৯০°।
(ii) এর বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান ও সমান্তরাল।
(iii) এর কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।

অঙ্কিত বর্গের বৈশিষ্ট্য:
(i) অঙ্কিত বর্গটির চারটি বাহুই সমান।
(ii) এর প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ বা ৯০°।
(iii) এর কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখন্ডিত করে।
চিত্রে "কখগঘ" একটি আয়ত এবং গঘঙচ একটি বর্গ। জ্যামিতিক আকৃতিগুলোর একটি আয়ত ও একটি বর্গ। এদের মধ্যে মিল নিম্নরূপ:
(i) এদের বিপরীত বাহুগুলো পরস্পর সমান্তরাল।
(ii) এদের কোণগুলো প্রত্যেকটি এক সমকোণ (৯০°)।
(iii) এদের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে।

প্রত্যেকটি মসৃণ বস্তুর বাইরে একটি আবরণ আছে, যাকে আমরা তল বলি। যেমন: টেবিলের উপরিভাগ, ইট বা বাক্সের চারধার ও উপর-নিচ, খাতার পৃষ্ঠা,
ফুটবলের বাইরের আবরণ ইত্যাদি।
তল দুই প্রকার। যথা- সমতল ও বক্রতল।
চিত্র-১ এ কোণের নাম-হলো সূক্ষ্মকোণ
চিত্র-২ এ কোণের নাম হলো স্থূলকোণ এবং
চিত্র-৩ এ কোণের নাম হলো সরলকোণ।
সমতল ও বক্রতল উভয় আছে এমন পাঁচটি বস্তু হলো: ক্যান, বালতি, টিউব লাইট, পাটা ও গাছের গুড়ি।
আয়তক্ষেত্র ও ট্রাপিজিয়ামের মধ্যে তিনটি পার্থক্য হলো:
আয়তক্ষেত্র | ট্রাপিজিয়াম |
| ১. আয়তক্ষেত্রের দুই জোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল। | ১. ট্রাপিজিয়ামের একজোড়া বিপরীত বাহু সমান্তরাল। |
| ২. প্রত্যেক কোণ সমকোণ। | ২. প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ নয়। |
| ৩. আয়তক্ষেত্রের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। | ৩. ট্রাপিজিয়ামের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমদ্বিখণ্ডিত করে না। |
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allবিন্দুর চলার পথকে রেখা বলে।
বিন্দুর শুধু অবস্থান রয়েছে।
সমকোণের চেয়ে ছোটো কোণকে সূক্ষ্মকোণ বলে।
আয়তের বিপরীত বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য সমান।
বর্গক্ষেত্রের প্রত্যেকটি কোণ সমকোণ।
দুইটি রেখার মিলিত বিন্দুতে কোণ সৃষ্টি হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!






