কম্পিউটার প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে নানাভাবে সমৃদ্ধ ও প্রভাবিত করেছে। আমি নিম্নলিখিত কাজে কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারি।
১. জটিল্ড হিসাব-নিকাশ করার জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারি।
২. লেখচিত্র ও ছরি অঞ্জনের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারি।
৩. কম্পিউটারের সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অন্যদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
৪. অফিসের বিভিন্ন কাজ, ব্যাংক ও বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থায় কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারি।
৫. আধুনিক চিকিৎসা সেবায় কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারি।
দশ বছরে, রাকিব যে পরিমাণ টাকা পেয়েছে তার যোগফল :
৫০০০ × ১০ = ৫০০০০
অপরদিকে, রনি প্রত্যেক বছর পূর্ববর্তী বছর অপেক্ষা দ্বিগুণ টাকা
পাবে, উদাহরণস্বরূপ:
এরূপে,
| ১ম বছর ৫০ | ২য় বছর ১০০ | ৩য় বছর ২০০ | ৪র্থ বছর 800 | ৫ম বছর ৮০০ |
| ৬ষ্ঠ বছর ১৬০০ | ৭ম বছর ৩২০০ | ৮ম বছর ৬৪০০ | ৯ম বছর ১২৮০০ | ১০ম বছর ২৫৬০০ |
ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে পাই, যোগফল ৫১১৫০ টাকা। পার্থক্য
হলো ৫১১৫০-৫০০০০ = ১১৫০
এইভাবে, রনি রাকিব অপেক্ষা ১১৫০ টাকা বেশি পাবে।
ভাজ করার পর কাগজটির পুরুত্ব নির্ণয় করতে হলে ০-১ মিলিমিটারকে ৮ বার ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
ক্যালকুলেটরের সাহায্যে গুণ করি: শুরুতে ON বোতাম চেপে চালু করি। এরপর প্রয়োজনীয় হিসাবের জন্য বোতাম চাপি:
০.১×২×২×২×২×২×২×২×২=২৫-৬
নির্ণেয় পুরুত্ব ২৫.৬
আবার, ৮টি কাগজের জন্য ০.১ মিলিমিটারকে ৮ দিয়ে গুণ করি।
প্রয়োজনীয় হিসাবের জন্য বোতাম চাপি:
০.১০ ৮ = ০-৮
অর্থাৎ ৮টি কাগজের পুরুত্ব ০০৮ উভয় ধরণের কাগজের পুরুত্বের পার্থক্য
= (২৫.৬ – ০.৮) = ২৪.৮ মিলিমিটার।
৮ × {(১১৭০ ২৬ – ১.৬ × ২.৫– ৪-৮) × ৭} -
হিসাবের জন্য ক্যালকুলেটরের বোতাম চাপি :
৮০ (১১৭০÷ ২৬- ১.৬ × ২.৫×১০ – ৪.৮) × ৭} = ১১.২
১. একটি ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে নিচের হিসাবগুলো কর:
Related Question
View Allক্যালকুলেটর একটি হস্তচালিত ইলেকট্রনিক গণনা যন্ত্র।
দৈনন্দিন জীবনে হিসাব নিকাশে সময় কমাতে ক্যালকুলেটরের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পরীক্ষাগারে বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ ক্যালকুলেটর বাড়ির কাজে ও ক্ষুদ্র ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়।
সাধারণ ক্যালকুলেটর সচল করতে ON/AC বোতাম চাপতে হয়।
হিসেবের ফলাফল পেতে = বোতাম চাপতে হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!