ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ইক্যুইটি অংশ এবং ঋণ এই দুটির যোগফলকেই মোট মূলধন বলে।
সঠিক বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত এবং সঠিক মূলধন কাঠামো নির্ণয় করার জন্য মূলধন ব্যয় নিরূপণ করা হয়।
মূলধন ব্যয়ের মাধ্যমে কোম্পানি জানতে পারে তার বিনিয়োগসমূহ থেকে ন্যূনতম কী হারে মুনাফা অর্জন করতে হবে। আবার কোম্পানির সঠিক মূলধন কাঠামো নির্ণয় করার জন্য অর্থাৎ কোন উৎস থেকে কী পরিমাণ মূলধন সংগ্রহ করলে গড় মূলধন খরচ কম হবে সেটি নির্ণয় করার জন্যও মূলধন ব্যয় নিরূপণ করা হয়।
সানজিদা টেক্সটাইল লি.-এর গড় মূলধন ব্যয় নির্ণয়:
দেওয়া আছে
সাধারণ শেয়ারের মূল্য = ১০ টাকা
লভ্যাংশ, = ২ টাকা
যজনাব আকরামের ঋণকৃত মূলধনের ওপর ৩০% কর ধার্য করলে তা ইতিবাচক গুরুত্ব বহন করবে।
উদ্দীপকে জনাব আকরাম নতুন একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। এ প্রকল্পের জন্য তার ৩০,০০,০০০ টাকা প্রয়োজন। এই টাকার মধ্যে তিনি ১৫,০০,০০০ টাকা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অর্থায়ন করতে চান। বাকি ১৫,০০,০০০ টাকা তিনি ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাংক জনাব আকরামকে ১০% সুদে উক্ত টাকা ঋণ দিতে চায়। এই ঋণকৃত টাকার ওপর ৩০% কর ধার্য করলে ঋণের ব্যয় কমে যাবে।
প্রতিষ্ঠান সাধারণত এক বা একাধিক উৎস থেকে অর্থসংস্থান করে। অর্থসংস্থানের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ খুব জনপ্রিয়। ঋণকৃত মূলধনের ওপর কর ধার্য করা হলে প্রতিষ্ঠানের ব্যয় কমে যায়। কারণ ঋণের সুদ বাদ দেওয়ার পর করযোগ্য মুনাফা বের করা হয়। এর ফলে করের জন্য কম টাকা দিতে হয় এবং নিট মুনাফা বেড়ে যায়। যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ইতিবাচক। সুতরাং ৩০% কর ধার্য করা হলে উদ্দীপকের জনাব আকরামের জন্য এটি ইতিবাচক হবে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
