সাফ-কবলা দলিলঃ কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।
এওয়াজ দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।
Related Question
View Allউপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসের পেশকার দপ্তরের দৈনন্দিন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি সেটেলমেন্ট সংক্রান্ত ফাইল, খতিয়ান ও অন্যান্য ভূমি রেকর্ড গ্রহণ, সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ী নোটশিট প্রস্তুত ও ফাইল উপস্থাপন করেন, জমি জরিপ, সংশোধনী ও আপত্তি সংক্রান্ত আবেদন নথিভুক্ত করেন, শুনানির তারিখ নির্ধারণ ও নোটিশ জারিতে সহায়তা করেন, দাপ্তরিক রেজিস্টার ও ডাক ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্য ও কাগজপত্র সরবরাহ করেন।
১ একর জমি = ৬৬০ ফুট ৬৬ ফুট
অর্থাৎ, যদি একটি আয়তকার জমির দৈর্ঘ্য ৬৬০ ফুট এবং প্রস্থ ৬৬ ফুট হয়,
তাহলে তার ক্ষেত্রফল হয়-
৬৬০ ৬৬ = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
আর ৪৩,৫৬০ বর্গফুট = ১ একর
দাখিলা বলতে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধের পর সরকার থেকে যে সরকারি রসিদ দেওয়া হয়, সেটাকেই বোঝায়। এটি প্রমাণ করে যে নির্দিষ্ট মৌজার নির্দিষ্ট দাগ/খতিয়ানের জমির জন্য নির্ধারিত কর নির্দিষ্ট অর্থবছরে পরিশোধ করা হয়েছে।
DCR হলো দাখিলার কার্বন কপি বা অনুলিপি। অর্থাৎ কর পরিশোধের সময় মূল দাখিলার পাশাপাশি যে কপি অফিস রেকর্ড হিসেবে সংরক্ষিত থাকে বা প্রয়োজনে দেওয়া হয়, সেটিই DCR।
নির্ভুলভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ করতে বাংলাদেশ ভূমি জরিপ করতে গ্লোবাল নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম, ফোর্থ জেনারেশন সার্ভে ড্রোন র্ডে ড্রোন বা ইউএভি, গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন সেইসাথে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমঃ জিপিএস, ইলেকট্রনিক টোটাল স্টেশন- ইটিএস, ডাটা রেকর্ডার, প্লটার ইত্যাদি প্রযুক্তি ব্যবহার করার হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!