সাবুর কোলের বাচ্চাটির বয়স কত?

Updated: 9 months ago
উত্তরঃ

সাবুর কোলের বাচ্চাটির বয়স তিন বছর।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
136

একদিন বিকেলে হন্তদন্ত সাবু বাড়ির উঠান থেকে 'মা মা' চিৎকার দিতে দিতে ঘরে ঢুকল। জৈতুন বিবি হকচকিয়ে যায়। রান্নাঘরে পাক করছিল সে। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এসে শুধায়, কী রে-এত চিক্কর পাড়স ক্যান?

  • মা, ঢাকা শহরে গুলি কইরা মানুষ মারছে-
  • কে মারছে?
  • পাঞ্জাবি মিলিটারি।

দেখা যায় সাবু খুব উত্তেজিত। মুখ দিয়ে কথা তাড়াতাড়ি বের করে দিতে চাইলেও পারে না। কারণ, শরীর থরথর কাঁপছে। হাতের মুঠি বারবার শক্ত হয়।

  • মা, একজন দুজন না। হাজার হাজার মানুষ মারছে।
  • কস কী, হাজার হাজার?
  • হ, সব মানুষ শহর ছাইড়া চইলা আইতেছে।

ঢাকা শহর থেকে পঞ্চাশ মাইল দূরবর্তী গাবতলি গ্রাম। কিন্তু যাতায়াতের সুবিধা নেই। তাই সব খবরই দু- দিন বাদে এসে পৌঁছায়। এবার কিন্তু তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। পরদিনই পাওয়া গেছে সব খবর। যারা জওয়ান তারা সোজা হেঁটে হেঁটে বাড়ি পৌঁছেছে। তাই খবর ছড়িয়ে পড়তে দেরি হয় নি। পঁচিশে মার্চের রাত্রে পাঞ্জাবি মিলিটারি ঝাঁপিয়ে পড়ে। জীবন্ত যাকে পাচ্ছে তাকেই হত্যা করছে।

পরদিন সাবুর সামনে গোটা শহর যেন হুমড়ি খেয়ে পড়ল। তাদের বাড়ির পাশ দিয়ে গেছে জেলা বোর্ডের সড়ক। সেই পথে মানুষ আসতে লাগল। একজন দুজন নয়, হাজার হাজার। একদম পিলপিল পিঁপড়ের সারি। গাবতলি গ্রাম তাদের গন্তব্য নয়। আরও দূরে যাবে তারা। কেউ কুমিল্লা, কেউ নোয়াখালি, কেউ ময়মনসিংহ-একদম গারো পাহাড়ের কাছাকাছি, আরও নানা এলাকায়।
দারুণ রোদ্দুর মাথার উপরে। আর ভিড়। নিশ্বাসে নিশ্বাসে তাপ বাড়ে। হাঁটার জন্য ক্লান্তি বাড়ে। সব মিলিয়ে জওয়ান মানুষেরাই খাবি খাচ্ছে। মেয়ে, শিশু এবং বেশি বয়সীদের তো কথাই নেই। ক্ষুধার কথা চুলোয় যাক, পিয়াসে ছাতি ফেটে দুতিন জন রাস্তার ধারেই শেষ হয়ে গেল।

জৈতুন বিবি মুড়ি ভেজে দিয়েছিল খুব ভোর-ভোর উঠে। সাবু চাঙারি বোঝাই করে মুড়ি এনে ওদের খাইয়েছে। নিজেরা কীভাবে চলবে সে কথা ভাবে নি। মুড়ি শেষ হলে সে পানি জোগানোর কাজে এগিয়ে গেছে।
এক প্রৌঢ় নারীকে দেখে সে অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে ছিল। পঞ্চাশের বেশি বয়স! কিন্তু কী ফরসা চেহারা! যেন কোনো ধলা পরি। মুখ দেখে বোঝা যায় অনেক হেঁটেছেন, অথচ তার জীবনে হাঁটার অভ্যেস নেই। সাবুর কাছে এসে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি।

  • মা, পানি খাবেন?
  • দাও, বাবা। প্রৌঢ় নারী মুখ খুললেন। গ্লাস আবার ধুয়ে জালা থেকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল সাবু। খালি গা। পরনে হাফপ্যান্ট, তাও ময়লা। বড় লজ্জা লাগে সাবুর। প্রৌঢ়া পানি খেয়ে তৃপ্ত। হাতে চামড়ার উপর নকশা-আঁকা ব্যাগ থেকে রুমাল বের করে মুখ মুছলেন। তারপর একটা পাঁচ টাকার নোট সাবুর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, বাবা, তুমি কিছু কিনে খেও।
  • এ কী! না-না-
  • নাও, বাবা।
  • মাফ করবেন। টাকা নিলে আমারে মা বাড়ি থাইকা বাইর কইরা দিব। আমারে কইয়া দিছে, শহরের কত গণ্যমান্য মানুষ যাইব রাস্তা দিয়া! পয়সা দিলে নিবি না। খবরদার। সেই প্রৌঢ় নারী একটু হাঁফ ছেড়ে বললেন, তোমার মা কিছু বলবেন না।
  • আমার মা-রে আপনি চেনেন না। মা কন, বিপ পইড়া মানুষ বাড়ি আইলে কিছু লওয়া উচিত না। গরিব হইতাম পারি, কিন্তু আমরা জানোয়ার না। শেষ কথাগুলোর পর নিরুপায় সেই নারী সাবুর মুখের দিকে চেয়ে বললেন, বাবা, যদি কখনো ঢাকা শহরে যাও, আমাদের বাড়িতে এসো।
  • আপনাদের বাড়ি?
  • লালমাটিয়া ব্লক ডি। আমি মিসেস রহমান।

মিসেস রহমান আবার রাস্তা ধরলেন। সাবু বুঝতে পারে, এই গরমে হাঁটার পক্ষে মোটা শরীর আদৌ আরামের নয়। বেচারা নিরুপায়। শরীর তো আর নিজে তৈরি করেন নি। তিনি নিমেষে ভিড়ে মিশে গেলেন। ভিড় নয় স্রোত। শহর থেকে যে শুধু গণ্যমান্য মানুষ আসছে, তা নয়। সাধারণ মজুর-মিস্ত্রিরা পর্যন্ত আসছে। সাবু ভাবে, তা হলে শহরেও গরিব আছে, যারা তাদের মতোই কোনো রকমে দিন কাটায়, তাদেরই মতো যাদের ঠিকমতো বিশ্রাম জোটে না, আহার জোটে না, কাপড় জোটে না। এই সময় সাবুর আরো মনে হয়, একবার শহর দেখে এলে হতো। লোক তো শহর পর্যন্ত আছেই। এই জনস্রোত ধরে উজানে ঠেলে গেলেই সেখানে পৌঁছানো যাবে। কিন্তু তার সাহস হয় না।
একদিন তাদের গ্রামের পাশ দিয়ে গেল আট-নয় জনের একটি পরিবার। সম্ভ্রান্ত জন তারা। সত্তর বছরের বুড়ো তাদের সঙ্গে। তিনটি মাঝ-বয়সী মেয়ে-ত্রিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে বয়স- তাকে ধরে ধরে আনছে। সঙ্গে আরো পাঁচ-ছয়টি কুঁচো ছেলেমেয়ে, কেউ আট বছরের বেশি নয়। আর আছে লুঙ্গি পরা হাফ শার্ট পরিহিত জওয়ান একজন। তার চেহারা জানান দেয় বাড়ির চাকর। বুড়ো ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। কখনো মেয়ে তিনটির সাহায্য নেয়, কখনো জওয়ান চাকরের! পাঁচ-ছটি কুঁচো ছেলেমেয়ের খবরদারিও সহজ নয়। কাজেই এই কাফেলা রীতিমতো নাজেহাল। আকাশে তেমনি কাঠফাটা রোদ।
শোনা গেল, বুড়োর তিন ছেলেকেই তার সামনে পাঞ্জাবি মিলিটারিরা গুলি করে মেরেছে। সঙ্গী মেয়ে তিনটি বিধবা বউ। কুঁচো ছেলেমেয়েগুলো বুড়োর নাতি-নাতনি।
গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে তারা বসেছিল। খবর জানার কৌতূহলে গাবতলি গাঁয়ের অনেকে ছুটে আসে। আজ কিন্তু কাছে এসে সবাই মিলে যায়। সদ্য বিধবা তিনজন। আর সঙ্গে অমন জয়িফ মানুষ। কেউ মিলিটারির জুলুমের খবর জানবার জন্য আগ্রহ দেখায় না। বরং কীভাবে এদের সাহায্য করতে পারে, তাই জিজ্ঞাসা করে।

বুড়ো ভদ্রলোক রাজি ছিল না। তবু কয়েকজন উপযাচক হয়ে বিভিন্ন ভার নিল। সাবুও বাদ গেল না। সে একটা কচি ছেলেকে কোলে তুলে নিল। দুই মাইল দূরে নদীর ঘাট। সবাই মিলে পালা করে কাঁধে নিয়ে বুড়ো মানুষটিকে নদীর ঘাট পর্যন্ত দিয়ে আসবে। তারপর নৌকায় তুলে দেবে।
সাবুর কোলে গোলগাল বাচ্চাটা। বছর তিন বয়স। বেশ ভারি। কিন্তু ক্লান্তি নেই সাবুর। মাঝে মাঝে অন্য কেউ তার বোঝা হালকা করতে চাইলে সে বলে, আর একটু আগাইয়া দেই।
বৃদ্ধ আশেপাশের বাহকদের বলে, তোমরাই আমার ছেলে, বাবা। এই গরমে তোমরা ছাড়া কে আর এমন সাহায্য করত। ছেলে আর কোথায় পাব-
কথা শেষ হয় না, ফোঁপানির শব্দ ওঠে।
আবার বুড়োর ভাঙা ভাঙা গলা শোনা যায়, জীবনে নামাজ কাজা করি নি, বাবা। ইসলামের নাম নিয়ে বলল, পাকিস্তান হলে মুসলমানদের মঙ্গল হবে। হা- এই বয়সে সব ছেলেদের হারিয়ে-বুড়ো কথা শেষ করতে পারে না। দীর্ঘশ্বাস শোনা যায় শুধু।

সমস্ত কাফেলা নীরব। নারীদের মধ্যে একজন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না শুরু করেছিল। তখনই থেমে গেল। কে আর কথা বলবে এমন জায়গায়। মনে হচ্ছিল, কতগুলো লাশ নিয়ে যেন সবাই হাঁটছে।
সাবু কল্পনার চোখে যেন সামনে দেখতে পায়:
খাকি উর্দি পরা কতগুলো সিপাই তার সামনে। আর সে তাদের লাথি মেরে মেরে ফুটবলের মতো গড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অসীম আক্রোশে তার রক্ত টগবগ করে ফুটতে থাকে। সেই সব দুশমন কখনও দেখে নি সে। সেই সব জানোয়ার কখনও দেখে নি সে, যারা তার দেশের মানুষকে বন্যার দিনের পিঁপড়ের মতো ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জুলুমের দাপটে।
অমন জন্তুদের মোকাবিলার জন্য তার কিশোর বুকে আশ্চর্য তোলপাড় শুরু হয়ে যায়।

Related Question

View All
উত্তরঃ

মুক্তিযুদ্ধে বিপদগ্রস্ত মানুষের জন্য কিছু করতে না পারলে দেশপ্রেমিক সাবুর অস্বস্তি বোধ হয়।

পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচারের মাত্রা অনুধাবন করে সাবুর মধ্যে দেশের প্রতি মমতা জেগে ওঠে। আগে ফাই-ফরমাশ খাটতে সে বিরক্তি বোধ করত। আর এখন মানুষের দুর্দিনে তাদের জন্য কিছু করতে না পারলে সে অস্বস্তি বোধ করে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
578
উত্তরঃ

উদ্দীপকে 'তোলপাড়' গল্পের মিসেস রহমানের নিঃস্বার্থ সেবা পাওয়ার ঘটনার মিল রয়েছে।

মানুষ একে অন্যের বিপদে সাহায্য করে। বিপদ থেকে মুক্ত হওয়ার পর কেউ তা ভুলে যায়, অকৃতজ্ঞের মতো আচরণ করে। আবার অনেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।

উদ্দীপকের আমিন সাহেব রিকশার ধাক্কায় ভীষণ ব্যথা পেলে ফারুক তাকে মুক্তিযোদ্ধা জেনে শ্রদ্ধাভরে বন্ধুদের সহযোগিতায় হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। আমিন সাহেব সুস্থ হয়ে ফারুককে কৃতজ্ঞতা জানান। আমিন সাহেব তাকে বকশিশ দিতে চাইলে সে জানায় মুক্তিযোদ্ধার সেবা করতে পারাই তার কাছে বড় বকশিশ। অন্যদিকে 'তোলপাড়' গল্পের মিসেস রহমান ঢাকায় ২৫শে মার্চ পাকিস্তানি সেনারা আক্রমণ চালালে সেখান থেকে গ্রামের দিকে যান। পথে পিপাসার্ত হয়ে পানি চাইলে সাবু তাকে পানি পান করায়। মিসেস রহমান তাকে কৃতজ্ঞতাস্বরূপ পাঁচ টাকার নোট দিতে চান। সাবু তাকে জানায় এই টাকা সে নিতে পারবে না। কারণ সে মনে করে মানুষ বিপদে পড়লে তাকে সাহায্য করার বিনিময়ে কিছু নেওয়া অন্যায়। মূলত উভয় জায়গায় নিঃস্বার্থভাবে সেবা লাভের বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তাই বলা যায় যে, উদ্দীপকে আলোচ্য গল্পের মিসেস রহমানের নিঃস্বার্থ সেবা পাওয়ার ঘটনার মিল রয়েছে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
333
উত্তরঃ

"উদ্দীপকের ফারুকের ভূমিকা 'তোলপাড়' গল্পের সাবুর ভূমিকারই প্রতিচ্ছবি"- মন্তব্যটি সম্পর্কে আমি একমত।

দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি ভালোবাসা শুধু বড়দেরই থাকে না, ছোটদের মধ্যেও নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে পরিলক্ষিত হয়। তারা বিভিন্নভাবে দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

'তোলপাড়' গল্পের সাবু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে বিপদগ্রস্ত মানুষকে নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচার দেখে তাদের প্রতি ঘৃণা জন্মেছে। দেশের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় বিপদ মোকাবিলা করতে চেয়েছে। এই সাবুর ভূমিকার প্রতিচ্ছবি দেখা যায় উদ্দীপকের ফারুকের ভূমিকার মাঝে। ফারুকও এদেশকে যাঁরা স্বাধীন করেছেন সেসব মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধায় আমিন সাহেবকে সাহায্য করেছে এবং বিনিময়ে কিছুই নেয়নি, মুক্তিযোদ্ধার সেবা করাকেই বড় বলে মনে করেছে।

'তোলপাড়' গল্পের সাবু বিপদগ্রস্ত মানুষকে সেবা করাটাই বড় মনে করেছে, বিনিময়ে প্রতিদান আশা করেনি। আর সাবুর এই ভূমিকা উদ্দীপকের ফারুকের মধ্যে প্রতিফলিত। বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে সাহায্য করেছে, বিনিময়ে সেবা করাটাই বড় বখশিশ বলে মনে করেছে। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটির সাথে আমি একমত।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
158
উত্তরঃ

নিজের মায়ের আত্মসম্মানবোধ সম্পর্কে সাবু আলোচ্য কথাটি বলেছে।

পাকিস্তানি সেনাদের ভয়ে পলায়নরত মিসেস রহমানকে সাবু পানি পান করায়। এর জন্য তিনি সাবুকে কিছু কিনে খাওয়ার জন্য পাঁচ টাকা দিতে চান। কিন্তু সাবু তা নিতে অসম্মতি জানায় এবং বলে যে সে যদি টাকা নেয় তবে তার মা তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেবে। তখন তিনি সাবুকে বলেন যে তার মা কিছু বলবে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাবু আলোচ্য কথাটি বলে।

Najjar Hossain Raju
Najjar Hossain Raju
10 months ago
257
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews