'লাল নীল দীপাবলি' গ্রন্থের লেখক হুমায়ুন আজাদ।
ভাষাসৈনিকরা ফাগুন মাসে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে শহিদ হন বলে এই সময় বনে বনে গোলাপ কাঁদে।
বাংলার দামাল ছেলেরা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিতে বদ্ধপরিকর। তাদের আন্দোলন রুখে দিতে পুলিশ 'মিছিলে গুলি চালালে সালাম, জব্বার, রফিক, বরকতসহ অনেকে শহিদ হন।
তাঁদের রক্তে বাংলার রাজপথ রঞ্জিত হয়, শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে এদেশের মানুষ। ফাগুন মাসে ভাষাসৈনিকরা শহিদ হন বলে এই সময় বনে বনে গোলাপ কাঁদতে থাকে।
উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ 'ফাগুন মাস' কবিতার শহিদ মিনারের প্রতিনিধিত্ব করছে।
মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং দেশ ও জাতিকে শত্রুমুক্ত,ও স্বাধীন করতে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন তাঁরা পরম শ্রদ্ধেয়। তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে গড়ে উঠেছে স্মৃতিসৌধ, শহিদ মিনার।
উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে সাভারের স্মৃতিসৌধের কথা। ১৯৭১ সালে এদেশকে স্বাধীন করার জন্য প্রায় ত্রিশ লক্ষ মানুষ প্রাণ দেন। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আমরা সাভারের স্মৃতিসৌধে যাই। 'ফাগুন মাস' কবিতায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদদের কথা বলা হয়েছে। তাঁরা পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ভাষার জন্য সংগ্রাম করে শহিদ হন। আমরা শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে তাঁদেরকে সম্মান জানাই। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ 'ফাগুন মাস' কবিতার শহিদ মিনারের প্রতিনিধিত্ব করছে।
"উদ্দীপকের স্মৃতিসৌধ এবং 'ফাগুন মাস' কবিতার শহিদ মিনার দুটিই বাঙালি জাতির কাছে সমান মর্যাদার।"- মন্তব্যটি যথার্থ।
দেশ ও জাতির সংকটের সময় কোনো দেশপ্রেমিক বসে থাকতে পারেন না। সর্বশক্তি দিয়ে দেশকে প্রতিকূলতা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। এমনকি দেশের জন্য জীবন বিসর্জন দিতেও পিছপা হন না।
উদ্দীপকে ১৯৭১ সালের বীর যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নির্মিত স্মৃতিসৌধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা ইতিহাসে সমুজ্জ্বল। বাঙালি জাতি সেই স্মৃতিসৌধ শ্রদ্ধায় উচ্ছল। 'ফাগুন মাস' কবিতায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে। সেই আন্দোলনের শহিদদের প্রতি সম্মান জানাতে আমরা শহিদ মিনারে যাই।
'ফাগুন মাস' কবিতায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের ফসল হিসেবে বাঙালি জাতি পায় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মায়ের মুখের ভাষা বাংলাকে। উদ্দীপকে বর্ণিত হয়েছে স্বাধীনতা যুদ্ধের শহিদদের কথা। তদের স্মৃতি রক্ষা করতে আমরা স্মৃতির মিনারে সমবেত হই। সেগুলো আমাদের জাতীয় জীবনে সমান মর্যাদার ও গুরুত্বের। এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায়, মন্তব্যটি যথার্থ।
Related Question
View Allআমার পঠিত 'ফাগুন মাস' কবিতার প্রথম চরণে ফাগুনকে ভীষণ দস্যি মাস বলা হয়েছে।
ফাগুন মাস ভাষাশহিদদের স্মৃতিবিজড়িত বলে এ মাসে দুঃখী গোলাপ ফোটে।
'ফাগুন মাস' কবিতায় তুলে ধরা হয়েছে শোক ও বেদনার গভীর অনুভূতি। এ মাসে আমরা ভাষাশহিদদের জন্য অনুভব করি দুঃখ ও মমতা। তাঁদের আত্মদানে একই সঙ্গে আমরা দুঃখী ও সাহসী হয়ে উঠি। আমাদের প্রত্যেকের ভেতরেই গোলাপ ফুলের মতো একেকটা শহিদ মিনার জেগে ওঠে। এই অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কবি বলেছেন 'ফাগুন মাসে দুঃখী গোলাপ ফোটে।'
চিত্রকর্মটিতে আমার পঠিত 'ফাগুন মাস' কবিতার বিষয়গত মিল রয়েছে। এখানে ভাষা আন্দোলন ও ভাষার জন্য আত্মত্যাগের অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছে।
একুশের ভাষা আন্দোলন বাঙালির জাতীয় জীবনে এক গভীর তাৎপর্যময় ঘটনা। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির প্রিয় মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা পায়।
উদ্দীপকের চিত্রটি আমাদের ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এ চিত্রে মাতৃভাষার বর্ণমালা দেখতে পাই যা বাঙালির শ্রেষ্ঠ অহংকার। 'ফাগুন মাস' কবিতায় কবি ফাগুন মাস কেন আমাদের হৃদয়ে চির অম্লান তার বর্ণনা দিয়েছেন। ফাগুন মাসের ৮ তারিখ ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন সংঘটিত হয় এবং অনেকে প্রাণ দেন। মাতৃভাষার জন্য যে আত্মত্যাগ তা কবিতার শেষ কয়টি চরণে' উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব দিক বিবেচনায় উদ্দীপকের চিত্রটি ও পঠিত 'ফাগুন মাস' কবিতা ভাষা আন্দোলন ও আত্মত্যাগের দিকের সঙ্গে অভিন্ন হয়ে উঠেছে।
"চিত্রকর্মটি 'ফাগুন মাস' কবিতার ভাবকে ধারণ করেছে।"-মন্তব্যটি যথার্থ ও যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
বীর বাঙালি জাতি তাদের প্রিয় মাতৃভাষার শত্রুদের প্রচণ্ড সাহস নিয়ে রুখে দিয়েছিল। এদেশের সাহসী সন্তানেরা যেভাবে সংগ্রাম করেছিল সেটা অতুলনীয়। তাঁদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি জাতি বিভিন্ন সংগ্রামে বিজয়ী হয়।
'ফাগুন মাস' কবিতায় বলা হয়েছে বাংলা মায়ের সাহসী সন্তানরা জীবনকে তুচ্ছজ্ঞান করে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন। যার জন্য আমরা আজ বাংলায় কথা বলতে পারছি। দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি অসীম ভালোবাসার কারণেই তাঁরা এ রকম আত্মত্যাগ করতে পেরেছিলেন। উদ্দীপকের চিত্রকর্মটি দেখে ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে শিশুরা জানতে আগ্রহী হবে এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শুনলে তাদের মধ্যেও আত্মত্যাগের মতো মহৎ অনুভূতি জাগ্রত হবে।
উদ্দীপকের চিত্রকর্মটি ভাষার জন্য আত্মত্যাগের বিজয়গাথা এবং বাঙালি জাতির অহংকারের প্রতীক। এভাবেই উদ্দীপকের চিত্রকর্মটি 'ফাগুন মাস' কবিতার ভাবকে ধারণ
'ফাগুন মাস' কবিতার রচয়িতা হুমায়ুন আজাদ।
ফাগুন মাসে গাছে গাছে সবুজ রঙের নতুন পাতা গজায়। এই সবুজের সমারোহকেই 'সবুজের আগুন' বলা হয়েছে।
বসন্ত ঋতুর প্রথম মাস ফাগুন বা ফাল্গুন। এ মাসে গাছে গাছে সবুজ রঙের নতুন পাতা গজিয়ে ওঠে। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে ফোটে অসংখ্য লাল, ফুল। 'সবুজের আগুন' বলতে কবি বসন্ত প্রকৃতিতে সবুজের সমারোহকেই বুঝিয়েছেন।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!