উদ্দীপকে উল্লিখিত সমস্যা হলো শিশুর প্রতিবন্ধিতা। শিশুকে প্রতিবন্ধিতা থেকে মুক্ত রাখার জন্য বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও প্রচার মাধ্যম বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে বলে আমি মনে করি। যথা:
i. গর্ভকালীন সময় পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা।
ii. গর্ভকালীন সময়ে ঔষধ, মাদক, ধূমপান থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে জনগণকে অবগত করা।
iii. শিশু কিশোরকে পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবগত করা।
iv. স্বাস্থ্যকর পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা।
V. যেসব কারণে প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম নিতে পারে সে কারণগুলো সম্পর্কে প্রচারণার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করে তোলা।
vi. বিপজ্জনক কর্ম পরিবেশ থেকে শিশুদের মুক্ত রাখার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারণা চালানো।
vii. বিভিন্ন প্রতিষেধক গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।
viii. আঘাত বা রোগ সংক্রান্ত যেসব বিষয়ে শিশু প্রতিবন্ধী হতে পারে সে সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করে তোলা।
প্রতিবন্ধিতা থেকে শিশুকে মুক্ত রাখার জন্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন জ্ঞানদান করে ও প্রচার মাধ্যমগুলো বিভিন্ন প্রচারণা চালিয়ে উল্লিখিত সমস্যা দূরীকরণে সহায়তা করতে পারে।
Related Question
View Allমা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
কণার শিশুকে প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে শনাক্ত করা যায়।
কণার শিশুটি কোনো বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে না। হাঁটা-চলাতেও তার সমস্যা রয়েছে। এটা মূলত তার রক্তে বিলিরুবিন (Bilirubin) বেড়ে যাওয়ার কারণেই হয়েছে।
রক্তে যদি বিলিরুবিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায় তবে মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় এবং শিশু মানসিক প্রতিবন্ধী হয়। গর্ভকালীন সময়ে কণা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া- দাওয়াও করেনি। অর্থাৎ নিজের প্রতি খেয়াল রাখেনি। ফলে শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য যতটুকু পুষ্টি উপাদানের প্রয়োজন তার ঘাটতি হয়েছে। এ কারণেই কণার শিশুটির হাঁটা-চলার অর্থাৎ অঙ্গ সঞ্চালনমূলক বিকাশ ব্যাহত হয়েছে।
কণার অসচেতনতা তার শিশুর প্রতিবন্ধিতার কারণ বলে আমি মনে করি।
কণার শিশুটি প্রতিবন্ধী। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছিল। তাছাড়া সে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করত না। সে নিজের প্রতি খেয়াল রাখত না।
গর্ভকালীন সময়ে মায়েদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। কারণ গর্ভবতী মায়ের অপুষ্টির ফলে শিশুর শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাছাড়া গর্ভধারণের আগে বিভিন্ন প্রতিষেধক নেওয়াটাও জরুরি। গর্ভকালীন সময়ে কণার ম্যালেরিয়া হয়েছে। গর্ভস্থ শিশুর জন্য এ রোগের প্রভাব অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর ফলে শিশুর শারীরিক বিকলাঙ্গতার পাশাপাশি মানসিক প্রতিবন্ধিতাও হতে পারে। বর্তমানে কণার সন্তান কোনো কিছুর প্রতি বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। এমনকি সে ঠিকমতো হাঁটতেও পারে না। এগুলো সবই কণার অসচেতনতার ফল।
মা ও সন্তানের Rh উপাদানের মিল না থাকাকে Rh অসংগতা বা Rh incompatibility বলে।
শিশুর শারীরিক গঠন যদি স্বাভাবিক না হয়, হাত অথবা পা না থাকে, কথা বলতে না পারে, চোখে না দেখে অথবা কম দেখে, বুদ্ধিমত্তা কম থাকে, সামাজিক আচরণ ও ভাব বিনিময় ঠিকমতো করতে না পারে, তবে এই ধরনের শিশুদের প্রতিবন্ধী শিশু বলা হয়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!