সামান্তা তার বাড়ির আঙিনা ও বাড়ির পেছনের অংশের বনায়নে নকশা পরিকল্পনার যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
কোনো কাজ করার আগে কাজটির আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে ধারাবাহিক নমুনা পরিকল্পনা করা হয়। এটিই নকশা পরিকল্পনা। বাড়ির আঙিনায়, বারান্দায় ও ছাদে বাগান তৈরিতে সুপরিকল্পিত নকশা পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। বাড়ির সামনে যে খালি জায়গা থাকে তাই আঙিনা। আঙিনার যেদিকে রোদ থাকে সেদিকে বাগান করতে হয়। আর যেদিকে ছায়া থাকে সেদিকে হাঁস-মুরগি পালন করা হয়।
সামান্তা আঙিনায় বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছ ও মৌসুমি সবজি লাগিয়েছেন। সাধারণত বাড়ির আঙিনায় গোলাপ, রঙ্গন, কাঁঠালচাঁপা, জবা, বেলি, গন্ধরাজ ইত্যাদি গাছ লাগানো যায়। এসব গাছ প্রাচীরের ধারে বা পাশ দিয়ে লাগাতে হয় এবং মৌসুমি ফল লাগাতে হয় বাড়ির সম্মুখভাগে। এতে বড় গাছের ছায়া ছোট গাছে পড়বে না। ছোট গাছগুলো সতেজ হবে এবং বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
সামান্তা বাড়ির পেছনের অংশে আম, কাঁঠাল, নারকেল ও সুপারি গাছ লাগান। বাড়ির পেছনের অংশে সাধারণত বড় বৃক্ষ প্রাচীরের ধার দিয়ে লাগানো যায়; যেমন- নারকেল, সুপারি, কাঁঠাল, আম, জাম, পেয়ারা, সফেদা ইত্যাদি। বাকি অংশে মাচা করে লতানো গাছ, যেমন- লাউ, কুমড়া, শিম, করলা, শসা ইত্যাদি উৎপাদন করা যায়। গুল্মজাতীয় গাছ, যেমন- লেবু, কাঁচা মরিচ, বেগুন, টমেটো মটর শুঁটি ইত্যাদি গাছ প্রাচীরের ধার দিয়ে লাগাতে হবে। যে অংশে রোদ পড়ে সেখানে বেড তৈরি করে সবজি আবাদ করা যায়। এছাড়া ঘরের কোণে ছোট ছোট টবে ফার্ন, পাম, মানি প্ল্যান্ট, ক্যাকটাস, পাতাবাহার গাছ কক্ষের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। বারান্দায় ছিকা করে গাছ লাগালে লতা ছিকা বেয়ে ঝুলে
পড়ে, যা দেখতে ভালো লাগে। সুতরাং বলা যায়, সামান্তা তার বাড়ির আঙিনা ও বাড়ির পেছনের - অংশের বনায়নে নকশা পরিকল্পনার যথাযথ প্রয়োগ ঘটিয়েছেন।
Related Question
View Allকোনো কিছু তৈরি করার পূর্বে যে নমুনা তৈরি করা হয় তাই নকশা পরিকল্পনা।
বাড়ির সামনে যে খালি জায়গা থাকে তাকে আঙিনা বলে।
গ্রামাঞ্চলে বাড়ির আঙিনায় মাচা করে ফুল ও বিভিন্ন মৌসুমি সবজি উৎপাদন করা হয়। আঙিনার যে দিকে ছায়া থাকে সে দিকে হাঁস-মুরগি, কবুতর পালন করা যায়।
লায়লা ছাদ ও বারান্দার সঠিক ব্যবহার করে গৃহকে মনোরম করে তুলতে পারেন।
বিভিন্ন বিষয়ের প্রতি লক্ষ রেখে লায়লা বারান্দা ও ভাল ব্যবহার করতে পারেন। সাধারণত শহরের বাড়িতে ছাল ও বারান্দা হলো উন্মুক্ত স্বাস। পরিকল্পনা করে ছালে ও বারান্দায় সর্বজি এবং ফলের বাগান করা বার। বারান্দা ও ছাদের আয়তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাগান করতে হবে।
এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যেন সেখানে পর্যাপ্ত রোদ লাগে। জাবের আশেপাশে চলাচল করার পর্যাপ্ত জায়গা রেখে সবজি বাগাস ও ঈস-সুরপি পালন করতে হবে। নিয়মিত গাছে পানি দিতে হবে এবং সাংয়ে সাংয়ে সাটি আলগা করে দিতে হবে। শিশুরা সাধারণত বারান্দায় সেলাধুলা করে, তুই তাদের চলাচলের জায়গা রেখে বাগান করতে হবে। বারান্দা বা বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফুলের বাপাস করলে পরিবেশও মনোরম হয়।
এ সকল বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ রেখে লায়লার বারান্দা ও ভাস ব্যবহার করতে হবে
লায়লার বাড়িতে তার বান্ধবী বেড়াতে এসে বারান্দা ও ভাস অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে এর বস্তুমুদী ব্যবহারের কথা জানালেন।
বারান্দা ও ছাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাবার পাশাপাশি বাড়ির সৌন্দর্য বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়। তাই নিজের বসবাসের জায়গা যে রকমই হোক না কেন একটু চিন্তা করে পরিকল্পনা করলেই গৃহ প্রাঙ্গণ, ছাদ ও বারান্দার উপযোগিতা বৃদ্ধি করা যায়। লায়লা তার বান্ধবীর কাছ থেকে বারান্দা ও ছাদের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। লায়লার বারান্দায় মাটির টবে গোলাপ, বেলি, গন্ধরাজ, অপরাজিতা, সন্ধ্যামালতি, মানি প্ল্যান্ট ইত্যাদি গাছ লাগানো যায়। এই ধরনের গাছ বারান্দার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। আবার ছিকা বা রডের স্ট্যান্ড তৈরি করেও টব রাখা যায়। বারান্দায় ফুল ছাড়াও শাক, সবজি যেমন-টমেটো, বেগুন, কাঁচামরিচ, লেবু, লেটুস পাতা, ক্যাপসিকামম, পুঁইশাক, পালং শাক ইত্যাদি চাষ করা যায়। এক্ষেত্রে লায়লাকে খেয়াল রাখতে হবে বারান্দার গাছে যেন পর্যাপ্ত রোদ লাগে। তাকে নিয়মিত গাছে পানি এবং প্রায়ই মাটি আলগা করে দিতে হবে।
পরিকল্পনা করে লায়লার ছাদে সবজি ও ফলের বাগান করা যায়। ছাদে যেসব গাছ লাগানো যায় তা হলো- কলম করা আম, পেয়ারা, ডালিম, পেঁপে, বরই, লিচু, কামরাঙা, জামরুল ইত্যাদি। সবজির মধ্যে লাউ, কুমড়া, শিম, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, ধুন্দল, পুঁইশাক, শশা, করলা, মরিচ, লেবু, টমেটো, বেগুন ইত্যাদি গাছও লায়লা লাগাতে পারেন। এছাড়াও তিনি ছাদে হাঁস-মুরগি, কবুতর ও কোয়েল পাখি পালন করতে পারেন। লায়লার বান্ধবী তাকে উপরিউক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দিলেন।
বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে বন তৈরির প্রক্রিয়াকে বনায়ন বলে।
গ্রাম বা শহরের বাড়িতে ফুল ও ফলের বাগান তৈরি করা যায়। বাড়ির আঙিনায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ করা যায়। এভাবে বাড়ির চারপাশে গাছপালা বা বাগান করার মাধ্যমে বাড়ি পরিবেশবান্ধব করা যায়।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!