বাংলাদেশে এইচআইভির সংক্রমণ ধরা পড়ে ১৯৮৯ সালে।
দুর্নীতি বলতে অনৈতিক বা নীতিবহির্ভূত কাজকে বোঝায়। ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক অবৈধ পন্থায় নীতিবহির্ভূত বা জনস্বার্থবিরোধী কাজ সংঘটিত হলে তা দুর্নীতি বলে গণ্য হয়। রাজনৈতিক এবং সরকারি- বেসরকারি প্রশাসনে দুর্নীতি বলতে ব্যক্তিগত স্বার্থ বা লাভের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করাকে দুর্নীতি বলে। অবৈধ বা অতিরিক্ত সুবিধা লাভের জন্য নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালনে অবহেলাও দুর্নীতি। ঘুষ, বলপ্রয়োগ বা ভয় প্রদর্শন, স্বজনপ্রীতি, প্রভাব খাটানো ইত্যাদি দুর্নীতির উদাহরণ।
উদ্দীপকে উল্লিখিত ঘটনায় সামাজিক সমস্যা জঙ্গিবাদের প্রতিফলন ঘটেছে।
আচরণিক দৃষ্টিভঙ্গিতে জঙ্গি বলতে যুদ্ধবাজ, আক্রমণাত্মক, হিংসাত্মক এবং ধ্বংসকারীদের বোঝায়, যারা আক্রমণাত্মক উপায়ে কোনো অনুমোদিত সংস্কারকে সমর্থনে সমবেতভাবে কাজ করে। তারা নিজেদের উদ্দেশ্য পূরণে যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত থাকে। জঙ্গিরা তাদের কার্যক্রম বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণে পরিচালনা করে। তারা তাদের সংগঠন প্রণীত ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ধারণা বা দর্শন সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাদের আদর্শের সাথে অমিল হওয়ায় ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম চালায়। তাদের দ্বারা সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ ও ধ্বংসাত্মক কাজ প্রচার মাধ্যমে স্বীকারোক্তিমূলকভাবে প্রকাশ করে ভীতি প্রদর্শন করাতে চায়। উদ্দীপকের 'ক' রাষ্ট্রে এ ধরনের জঙ্গিবাদ দেখতে পাই। তাদের সাথে আদর্শের অমিল হওয়ায় খুন করা ও দায় স্বীকার একটি জঙ্গিবাদী কার্যক্রম।
উদ্দীপকে সামাজিক সমস্যা জঙ্গিবাদ প্রতিফলিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় ও সমাজ জীবনে জঙ্গি তৎপরতার প্রভাব ভয়াবহ ও মারাত্মক।
জঙ্গি তৎপরতার কারণে একটি দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে। আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনে জঙ্গিবাদ নানা প্রতিকূলতা সৃষ্টি করে মানুষের জীবন অচল করে দেয়। যেমন : আমরা বলতে পারি আমেরিকার টুইন-টাওয়ার ধ্বংসের কারণ এই জঙ্গিবাদ, মুম্বাইয়ের হোটেল তাজের হামলাও জঙ্গিবাদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের রাজধানী শহরের গুলশান এলাকায় একটি হোটেলে আক্রমণ, যশোরে উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান এবং পহেলা বৈশাখে রমনার বটমূলে বোমা বিস্ফোরণেও জঙ্গি আক্রমণ দায়ী। হাজার হাজার মানুষ হত্যা, বহু সম্পদ ধ্বংস প্রভৃতি জঙ্গিবাদের ফসল। একটি দেশে অব্যাহত জঙ্গি কর্মতৎপরতা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার জন্য হুমকিস্বরূপ। এমনকি জঙ্গি কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি তার নিজের পরিবারের জন্যও হুমকির কারণ। তাদের নিজেদের সংরক্ষিত বোমা-মারণাস্ত্র প্রভৃতি দুর্ঘটনায় নিজের পরিবার ধ্বংস হয়ে যায়। সামাজিকভাবে জঙ্গিরা ঘৃণিত।
তাদের কারণে শান্তিপ্রিয় মানুষের সমাজ জীবনে আতঙ্ক বিরাজ করে। রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য জঙ্গিবাদ একটি অভিশাপ। আদর্শ ও শান্তিময় জীবনের পথে জঙ্গিবাদ বিষফোঁড়ের ন্যায়।
Related Question
View Allএইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস, যার পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency Virus) ।
এইডস হচ্ছে এমন একটি ধ্বংসাত্মক ব্যাধি যা এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে রোগীর দেহে প্রবেশ করে। এইডস রোগটি ছড়ানোর বিভিন্ন উপায় থাকলেও এর অন্যতম একটি উপায় হচ্ছে যৌন মিলন। অর্থাৎ এইচআইভি সংক্রমিত পুরুষ বা মহিলার সাথে যৌন মিলনে এ রোগ ছড়াতে পারে।
ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হলেন যে, রিমির মা এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছেন।
এইচআইভি (HIV) হলো অতি ক্ষুদ্র এক বিশেষ ধরনের ভাইরাস। এ ভাইরাসের পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস (Human Immuno Deficiency virus) সংক্ষেপে এইচ আইভি (HIV)। এটি মানবদেহে প্রবেশ করে দেহের নিজস্ব, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয়। এ ভাইরাস অনেকদিন পর্যন্ত শরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে। সাধারণত এর সুপ্তিকাল ৬-৭ মাস। উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পিতার ছয় মাস পর তার মা অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ডাক্তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হয়ে তাকে এইডস আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করেন। এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায় হলো এইডস। যদি রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে কারও দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা যায় তবেই তাকে এইচআইভি পজিটিভ বলা হয়। এইচআইভি পজিটিভ ব্যক্তি এইডস রোগে আক্রান্ত হয়। যা ব্যক্তির অনিবার্য পরিণতি অকাল মৃত্যু। তাই বলা যায়, রিমির মায়ের রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডাক্তার নিশ্চিত হয়েছেন যে তিনি এইডস রোগে আক্রান্ত।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রিমির পরিবারের সমস্যা মোকাবিলায় 'নির্মল হাসি' সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রশংসনীয়, মানবিক ও সময়োপযোগী।
এইডস কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। তাই এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমাজ, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে সরিয়ে রাখা অনুচিত। এক্ষেত্রে উদ্দীপকে 'নির্মল হাসি' উন্নয়ন সংস্থার কার্যক্রম প্রশংসনীয়। রিমির বাবা সিঙ্গাপুরে চাকরিরত অবস্থায় অসুস্থতাবোধ করলে দেশে ফিরে আসেন এবং দুই সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। পিতার মৃত্যুর ছয় মাস পর তার মাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। নির্মল হাসি নামক উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় চিকিৎসা শুরু করলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তার তাকে এইডস রোগে আক্রান্ত বলে নিশ্চিত করলে পরিবারটি বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত হয়। এ সমস্যা প্রতিরোধে নির্মল হাসি সংস্থা পরিবারটির পাশে এসে দাঁড়ায় এবং- নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। যেমন- সামাজিক ও মানসিক সমর্থনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রোগীর প্রতি সমাজের অন্যান্যদের মানসিক ও সামাজিক সমর্থন আদায়ে প্রচেষ্টা চালায়। রোগীর সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখে এবং স্নেহ- ভালোবাসা দিয়ে রোগীর মনকে প্রফুল্ল রাখতে চেষ্টা করে। রোগীকে সবার কাছ থেকে আলাদা না করার জন্য পরিবারের সদস্যদের উপদেশ দেয় এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখে।
তাই বলা যায়, এইডস রোগীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির ফলে যে সমস্যাগুলো সৃষ্টি হয় সেগুলো মোকাবিলায় নির্মল হাসি সংস্থার গৃহীত পদক্ষেপগুলো প্রশংসার দাবিদার।
বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশের প্রতিবেদন অনুসারে ২০০১ সালে বাংলাদেশ ৪,০৯১টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
বাংলাদেশে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি। অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। গাড়ি চালানোর জন্য যেসব আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না। এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এসব চালকদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের, যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!