‘আমার বাড়ি’ কবিতায় প্রিয়জনকে কবির নিজের গ্রামের বাড়িতে নিমন্ত্রণ জানাচ্ছেন | বন্ধু যদি কবির বাড়িতে বেড়াতে যায় তাহলে বন্ধুকে নানা যত্নআত্তি ও আদর –সমাদর করবেন |কবি তাকে শালি ধানের চিড়ে,বিন্নি ধানের খই,বাড়ির গাছের কবরি কলা এবং গামছা-বাঁধা দই দিয়ে আপ্যায়ণ করাবেন |প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেমন করে অতিথির প্রাণ জুড়াবেন তারও বর্ণনা দিয়েছেন কবি| এছাড়াও কবি বন্ধুকে নিজ বাড়ির পথও বাতলে দিয়েছেন| কোন পথে তার বাড়ি যেতে হবে ,কীভাবে বাড়ি চিনতে হবে |কবিতায় প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার মনোভাব ও অতিথি সৎকারে বাঙ্গালি জীবনের সৌজন্যও ফুটে উঠেছে|
‘আমার বাড়ি’ প্রিয়জনের প্রতি ভালোবাসার মনোভাব ও অতিথি সৎকারে বাঙ্গালি জীবনের সৌজন্য ফুটে উঠেছে| আমার জীবনের সাথে কবিতার বেশ মিল রয়েছে| একবার ফেইসবুকে আমার একটা বন্ধু হয়েছিল | সে ঢাকা শহরে থাকত| সে কখনো গ্রাম দেখে নাই |আমি তাকে একবার আমাদের বাড়িতে তাকে নিমন্ত্রণ করেছিলাম | আমি তাকে বলেছিলাম , সে আসলে আমি তাকে আমাদের গাছের আম ,জাম ,কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফল পেরে খাওয়াবো|
এরপর আমাদের পুকুরের চিংড়ি মাছ তাকে রান্না করে খাওয়াবো | আমাদের এলাকায় খেজুরের রস ও গুড়ের বিভিন্ন পিঠা তাকে খাওয়াবো | এরপর আমাদের বাগানে সবাই মিলে গরমের দিনে আড্ডা দিবো এবং আমাদের বাড়ির পাশের নদীতে গোসল করবো | আমি আমাদের বাড়িতে কিভাবে আসতে হবে তাও বলে দিয়েছিলাম তাকে|এসব বিষয়ের সাথে ‘আমার বাড়ি’ কবিতার অনেক মিল রয়েছে |
Related Question
View Allলোকশিল্প আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারক। এসব পণ্য শুধু এদেশের মানুষের জীবন-জীবিকার সাথেই যুক্ত নয়, শিল্প-সৌন্দর্যেও অনন্য। সুপরিকল্পিত উপায়ে, প্রসারের দিকে মনোযোগ দিলে এসব পণ্যদ্রব্যই হয়ে উঠতে পারে আমাদের দারিদ্র্য বিমোচনের মোক্ষম হাতিয়ার। বিদেশিদের কাছে আমাদের ঐতিহ্যকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারলে রপ্তানির মাধ্যমে আমরা প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তাই লোকশিল্প সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণের দায়িত্ব আমাদের সকলেরই।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
আমাদের লোকশিল্পের অন্যতম দৃষ্টান্ত নকশিকাঁথা। সাধারণত গ্রাম বাংলার মেয়েরা এ কাঁথা সেলাই করে থাকে। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে যখন সারাদিন বৃষ্টি হয় তখন মেয়েরা বসত এ কাঁথা সেলাই করতে। এক একটি কাঁথা সেলাই করতে প্রায় ছয় মাস লেগে যেত। নকশিকাঁথা সেলাই করার সময়ে মেয়েরা তাদের নিজের জীবনের সুখ-দুঃখের কথা একে অন্যের সঙ্গে বিনিময় করত। আন্তরিকতার ও জীবনঘনিষ্ঠতার কারণেই বলা হয়-কাঁথার সেলাই বা সুচের ফোঁড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তাদের জীবনগাঁথা।
অতিথি হয়তো কবির বাড়িতে আসার পথ ভুল করতে পারেন তাই কবি তাকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে তার রথ (যাত্রা) থামাতে বলেছেন।
কবি তাঁর প্রিয় অতিথির আপ্যায়নের জন্য সব আয়োজন সম্পন্ন করে রেখেছেন। তারপরও কবি কোনোভাবেই দ্বিধামুক্ত হতে পারছেন, যদি অতিথি বাড়ির পথ ভুল করে অন্য পথে চলে যায়, তাই কবির বাড়িতে অতিথির আসার পথে যেন কোনো ভুল না হয় সেজন্য কবি অতিথিকে মৌরি ফুলের গন্ধ শুঁকে থামতে বলেছেন এবং বরাবর আসতে বলেছেন।
‘আমি সাগর পাড়ি দেবো’মাতৃপ্রেম ও দেশপ্রেমের কবিতা|কবিতায় মা ও স্বদেশ একাকার হয়ে আছে|কবি এখানে দুঃসাহসী সওদাগর হয়ে সপ্ত মধুকর সাগরে ভাসিয়ে দেশান্তরে যেতে ইচ্ছুক|পথের সকল বাধা অতিক্রম করে তিনি পৃথিবীতে সমুদয় দেশ থেকে ধনরত্ন বোঝাই করে দেশে ফিরতে চান|এমনকি নিজ দেশের সম্পদ অন্য দেশে রপ্তানি করতেও চান|আর নিজের দেশের অভাব ওমিটাতে চান অন্য দেশ থেকে সম্পদ আহরণ করে|কারণ কবির দেশমাতা বড়ো দুঃখী,বড়ো অভাবী|তাই মায়ের অভাব ও দুঃখ ঘুচিয়ে মাকে সুখি করাই কবির জীবনের একমাত্র ব্রত|
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!