প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত দক্ষ ও যোগ্য কর্মীদের উৎপাদন কাজে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে পণ্যের মান উন্নয়ন করে ক্রেতা বা ভোক্তার সন্তুষ্টিবিধান করাকে সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা বলে।
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Related Question
View Allপূর্বনির্ধারিত মান অনুযায়ী পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা এবং মানের বিচ্যুতি হলে তার সংশোধনমূলক ব্যবস্থাকে মান নিয়ন্ত্রণ বলে।
সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা একটি দর্শন যাতে মান উন্নয়ন ও ক্রেতাসন্তুষ্টি অর্জনের প্রতিষ্ঠানের সকল স্তরে গুণগত মান নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।
সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা হলো সেই মতবাদ, যা তিনটি নীতির ওপর গুরুত্ব দেয়। এগুলো হলো: ক্রেতাসন্তুষ্টি, কর্মীদের সম্পৃক্ততা এবং মানের ধারাবাহিক উন্নয়ন। অর্থাৎ সার্বিক মান ব্যবস্থাপনা হলো মানের ধারাবাহিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ক্রেতাদের প্রত্যাশা সন্তুষ্টিসহকারে পূরণার্থে পণ্যের নক্সাকরণ, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ক্রয়করণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে উন্নত জ্ঞান অর্জন, প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান এবং সকলকে সম্পৃক্ত করে উৎপাদন প্রক্রিয়া নির্ধারণ।
মি. সাফিক যে কাজগুলো সম্পাদন করেন সেগুলো মান ব্যবস্থাপনার উপাদান।
ভোক্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্যের মান নির্ধারণ, মান সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকে মান ব্যবস্থাপনা বলে। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য মান ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্রেতাদের প্রত্যাশা পূরণার্থে মান ব্যবস্থাপনা পণ্যের নক্সাকরণ, কাঁচামাল ক্রয়করণ, উৎপাদন প্রক্রিয়া নির্দিষ্টকরণ, প্রক্রিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট সমস্যার সমাধান এবং সর্বোপরি উৎপাদন প্রক্রিয়া নির্ধারণ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করে থাকে উদ্দীপকে মি. সফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এমবিএ অর্জন করে একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের মান পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ, মানের নিশ্চয়তা এবং মান উন্নয়নের সাথে জড়িত। তার এই কাজগুলো মান ব্যবস্থাপনা কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাই বলা যায়, মি. সাফিক যে কাজগুলো সম্পাদন করেন সেগুলো মান ব্যবস্থাপনার উপাদান।
পণ্যের মান নির্ধারণে মি. সাফিকের গৃহীত মান ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমে ক্রেতাগণের খুশি হওয়ার বিষয়টি যথার্থ।
বর্তমান প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিপণন পরিবেশে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য মান ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মান ব্যবস্থাপনা বলতে ভোক্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্যের মান নির্ধারণ, মান সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকে বোঝায়।
উদ্দীপকে মি. সাফিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে এমবিএ অর্জন করে একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের মান পরিকল্পনা, মান নিয়ন্ত্রণ, মানের নিশ্চয়তা এবং মান উন্নয়নের সাথে জড়িত। তিনি বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি ক্রেতাদের ওপর গুরুত্ব দিয়ে পণ্যের মান নির্ধারণ করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত পণ্যের মানে ক্রেতাগণ বেশ খুশি।
প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধি নির্ভর করে প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মানের ওপর। এক্ষেত্রে মান ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধিকল্পে ক্রেতাদের প্রয়োজন ও' অভাবকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এতে ক্রেতাগণ তাদের মনেরমতো পণ্য পেয়ে খুশি থাকে। উদ্দীপকের মি. সাফিকও তাই প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত পণ্যের মান নির্ধারণে মান ব্যবস্থাপনার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছে। তাই বলা যায়, পণ্যের মান নির্ধারণে মি. সাফিকের গৃহীত মান ব্যবস্থাপনার কার্যক্রমে ক্রেতাগণের খুশি হওয়ার বিষয়টি যথার্থ।
ভোক্তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্যের মান নির্ধারণ, মান সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকে মান ব্যবস্থাপনা বলে।
পণ্য ও সেবার মানের মধ্যে পণ্য ও সেবার কার্যকারিতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং স্থায়িত্বতা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। এসব গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য পণ্য ও সেবার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে কিনা তা দেখা মান ব্যবস্থাপনার কাজ। এ কাজে কোনো ত্রুটি কোনো অবস্থাতেই প্রতিষ্ঠানের জন্য কাম্য নয়। মান এমন একটি পরিমাপক যা দ্বারা প্রতিযোগী কোম্পানি থেকে কোনো কোম্পানিকে, পণ্যকে ও ব্র্যান্ডকে পৃথক করা যায়। তাই বলা হয়, মান ব্যবস্থাপনা পণ্য ও সেবার মানের সর্বোৎকৃষ্ট নিশ্চয়তা প্রদান করে।
আজম ইলেক্ট্রনিক্সের প্রথম পর্যায়ের ব্যয়টি নিবারণ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।
ত্রুটিপূর্ণ পণ্য উৎপাদনের পূর্বে ত্রুটি নিবারণ বা প্রতিহত করার জন্য যে ব্যয় করা হয় তাকে নিবারণ ব্যয় বলে। এই ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত হলো: প্রশিক্ষণ ব্যয়, পণ্য পুনঃ ডিজাইন ব্যয়, প্রক্রিয়ার পুনঃ ডিজাইন ব্যয়, ত্রুটি চিহ্নিতকরণ ব্যয় ইত্যাদি।
উদ্দীপকে আজম ইলেক্ট্রনিক্স একটি বিশ্বখ্যাত মোবাইল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। ক্রেতাদের নিকট প্রত্যাশিত মোবাইল- সরবরাহের জন্য তিনি প্রতিষ্ঠানে একটি মান নিয়ন্ত্রণ বিভাগ খুলেছেন। এছাড়াও তিনি কর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ বাবদ প্রতি বছর ৫০ লক্ষ টাকা ব্যয় করেন, যা নিবারণ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত। তাই বলা যায়, আজম ইলেক্ট্রনিক্সের প্রথম পর্যায়ের ব্যয়টি নিবারণ ব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!