সালমান সম্প্রতি ১৮ বছরে পদার্পণ করেছে। আগামী একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সে ভোট দিতে পারবে বলে খুবই উৎফুল্ল। সে ঠিক করেছে ভোটের আগে সমস্ত দিক লক্ষ্য রেখে তবেই যোগ্য প্রার্থীকে ভোট প্রদান করবে। কেননা যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। বাবার সাথে এসব বিষয় নিয়ে সে প্রায়শই আলোচনা করে।

Updated: 2 months ago
উত্তরঃ

যখন ধর্ম-বর্ণ, নারী-পুরুষ, গুণ বা উপযুক্ততা নির্বিশেষে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ভোটাধিকার দেওয়া হয়, তখন তাকে সর্বজনীন ভোটাধিকার বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

গণভোট বলতে কোনো বিষয়ে জনমত যাচাইকে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিধান সংশোধনের জন্য জাতীয় সংসদের আইনই যথেষ্ট বলে মনে না হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ কোনো বিলে সম্মতিদানের পূর্বে রাষ্ট্রপতি জনমত যাচাইয়ের ব্যবস্থা করেন। এটাই গণভোট নামে পরিচিত।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় নির্বাচনের জন্য নির্বাচকমন্ডলী বা ভোটার হবার যোগ্যতা এবং সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচনের গুরুত্ব বর্ণনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়। বাংলাদেশে ন্যূনতম ১৮ বছর বয়স্ক নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের ভোটাধিকার রয়েছে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভোটদান সম্পাদিত হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানে নিয়মিতভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। অর্থাৎ মেয়াদান্তে নির্ধারিত সময়ে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্দিষ্ট মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার আগে কোনো কারণে যদি আসন শূন্য হয়, নির্ধারিত সময়ে উপ-নির্বাচনের মাধ্যমে তা পূরণ করা হয়।
উদ্দীপকে বর্ণিত একাদশতম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সালমান নির্বাচনে ভোটপ্রদান করবে। সে উক্ত নির্বাচনে ভোট দেওয়ার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচন করবে। কেননা সঠিক প্রার্থী নির্ধাচিত করতে না পারলে উন্নয়ন সম্ভব হবে না। ভোটারদের সচেতনতার মাধ্যমে সৎ, দক্ষ ও উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হয়। মোটকথা, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে সর্বজনীন ভোটাধিকার ও সচেতন ভোটাররাই পারে উপযুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
উত্তরঃ

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় নাগরিকের ভূমিকা অত্যন্ত পুরত্বপূর্ণ। কারণ নাগরিকগণ সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচন করে।
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্বাচন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ থাকে। এরূপ একটি নির্বাচন আয়োজন করার দায়িত্ব প্রধানত নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু নির্বাচকমণ্ডলী অর্থাৎ ভোটারদের দায়িত্ব ও কর্তব্যও এক্ষেত্রে কোনো অংশে কম নয়। ভোটারদের সতর্ক দৃষ্টি একটি সুন্দর নির্বাচনের পূর্বশর্ত।
সৎ, দক্ষ ও উপযুক্ত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ভোটারদের পছন্দই প্রধান। কিন্তু যদি এ ভোটাররা অসচেতন থাকেন কিংবা কোনোরূপ প্রভাবিত হয়ে ভোট দিয়ে থাকেন, তবে নির্বাচন কমিশনের শত চেষ্টা সত্ত্বেও উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই করা সম্ভব নয়। ভোটারদেরকে যদি অর্থ দিয়ে প্রভাবিত করা যায় তবে নির্বাচনের পরিবেশ বিনষ্ট হতে বাধ্য। তাই ভোটারেরা না চাইলে অযোগ্য প্রার্থী নির্বাচিত হতে পারে না। গণতন্ত্রকে সংহত করতে চাইলে তাই সবার আগে ভোটারদের সচেতনতা প্রয়োজন। ওপরের আলোচনা থেকে বোঝা যায়, নির্বাচনে নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
18
**'Provide valuable content and get rewarded! 🏆✨**
Contribute high-quality content, help learners grow, and earn for your efforts! 💡💰'
Content

Related Question

View All
উত্তরঃ

প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য যারা প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদেরকে নির্বাচকমণ্ডলী বলে।
নির্বাচকমণ্ডলী বা ভোটাররাই হচ্ছে প্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য যোগ্য বিচারক। বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়স্ক যারা ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে তাদেরকে ভোটার বা নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
54
উত্তরঃ

উদ্দীপকে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এদেশের অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থার বেশকিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
বাংলাদেশে সর্বজনীন প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে এক্ষেত্রে ভোটার তালিকায় নাম থাকা আবশ্যক। এদেশে সকল নাগরিকের জন্য 'এক ব্যক্তি এক ভোট' নীতি প্রচলিত। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা থাকে। বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহ এবং জাতীয় সংসদের ৩৫০ আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারণ আসনের সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। আর বাকি ৫০ টি সংরক্ষিত আসনে মহিলা সদস্যগণ পরোক্ষভাবে ৩০০ জন সংসদ সদস্য কর্তৃক নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত সকল নির্বাচন গোপন ভোটদান পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। এ পদ্ধতিতে ভোটারগণ প্রার্থীর নাম ও প্রতীকের পাশে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক সরবরাহকৃত নির্ধারিত সীলমোহর ব্যবহার করেন। এতে ভোট গণনার কাজে সুবিধা হয়। এদেশের নির্বাচনে সমগ্রদেশকে জনসংখ্যার সমতার ভিত্তিতে ৩০০টি একক প্রতিনিধি নির্বাচনি এলাকায় বিভক্ত করা হয়। এছাড়া সকল জন প্রতিনিধিত্বশীল সংস্থায় একক নির্বাচনি এলাকা থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। বাংলাদেশে অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন রয়েছে। এই কমিশনই নির্বাচনি সকল কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এদেশের সংবিধানে নিয়মিতভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় EVM ব্যবহার করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর সাহায্যে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ ও গণনার কাজ করা হয়।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
31
উত্তরঃ

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় নাগরিকদের ভূমিকা অপরিসীম।
বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। এখানে সরকার নয়, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এ দেশের জনগণ নির্বাচনে সঠিক মাত্রায় অংশগ্রহণ করে বলেই রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে তাদের অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত আছে। জনগণের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখছে।বাংলাদেশের নাগরিকগণ জেনে, বুঝে সকল প্রভাবমুক্ত হয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। আর এভাবে ভোট প্রয়োগের ফলে সৎ যোগ্য ও দক্ষ প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়া সম্ভব। আর এমন জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে পারলে দেশে আইনের শাসন কায়েম হবে, দুর্নীতি দূর হবে। কেবল নিজের ভোটদানের মাধ্যমেই একজন নাগরিকের দায়িত্ব শেষ হয় না। অন্যকে ভোটাধিকার, রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে ভোটদানে উৎসাহিত করাও নাগরিকের কর্তব্য। নির্বাচনি কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করা কেবল সরকার বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে নির্বাচনকালীন সকল প্রকার সন্ত্রাসী অপতৎপরতা বন্ধে নাগরিক সচেতনতা একান্ত প্রয়োজন। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা। এক্ষেত্রে নাগরিকগণ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করে থাকে।
পরিশেষে বলা যায়, বাংলাদেশে সরকারি সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সকল পর্যায়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তা সত্ত্বেও নির্বাচনকে অর্থবহ, ফলপ্রসূ ও প্রাণবন্ত করার ক্ষেত্রে নাগরিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
34
উত্তরঃ

নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, গ্রাম-শহর, পেশা নির্বিশেষে প্রাপ্ত বয়স্ক সকল নাগরিকের ভোটাধিকার প্রাপ্তিকেই সর্বজনীন ভোটাধিকার বলে।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
38
উত্তরঃ

আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন পরিচালিত। নাগরিকগণ তাদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে প্রতিনিধি নিবার্চন করে আইন প্রণয়ন এবং সরকার পরিচালনায় অংশ্রহণ করে থাকে। আর প্রতিনিধি বাছাইয়ের জন্য নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ জনগণ তথা নাগরিকদের পক্ষেই শাসন পরিচালনা করে থাকে। আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের সফলতার পূর্বশর্তই হচ্ছে নির্বাচন। এজন্যই বর্তমান প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন ব্যবস্থায় নির্বাচনে নাগরিকের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

Md Durjoy islam
Md Durjoy islam
2 months ago
36
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews