সালমার ছেলের রোগ সম্পর্কে ডাক্তারের মন্তব্যটি ছিল সালমা তার ছেলের যত্নের ব্যাপারে একটু সচেতন হলে তার সন্তান এ রোগে আক্রান্ত হতো না- মন্তব্যটি অত্যন্ত যুক্তিসংগত বলে আমি মনে করি।কারণ শিশুদের খাদ্যে প্রোটিন ক্যালরির অভাবে এসব রোগ দেখা দেয়। ডাক্তারের ভাষ্যমতে সালমার একটু সচেতনতাই তার সন্তানদের এ রোগ থেকে মুক্ত রাখতে পারে। কেননা প্রোটিন ক্যালরি অপুষ্টির প্রতিরোধ করার জন্য ৬ মাস পর্যন্ত শুধু মায়ের বুকের দুধ দিতে হবে। ৬ মাস পূর্ণ হলে বুকের দুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর পারিবারিক খাবার দিতে হবে। ডায়রিয়া হলে খাবার স্যালাইন দিতে হবে, পাশাপাশি অন্যান্য খাবারও দিতে হবে।
সংক্রামক রোগ হলে চিকিৎসা করতে হবে' এবং সেই সাথে পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। নিয়মিত শিশুর ওজন নিতে হবে এবং তা রেকর্ড করতে হবে। কিন্তু যদি এ রোগ দেখা দেয় তাহলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে তা প্রতিকার সম্ভব। যেমন- ক্যালরি ও প্রাণিজ প্রোটিন সমৃদ্ধ যথাযথ পুষ্টিকর খাবার প্রদান করতে হবে। বারবার অল্প করে খাবার দিতে হবে। ধীরে ধীরে খাবারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। অসুস্থতা বেশি হলে খাবার নরম করে রান্না করে বারবার দিতে হবে। দুই বছরের শিশুকে অন্যান্য খাদ্যের পাশাপাশি মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। নিয়মিত ভিটামিন ও খনিজ লবণের ট্যাবলেট দিতে হবে এবং সংক্রামক রোগের চিকিৎসা করতে হবে।
তবে মনে রাখা উচিত যে, রোগ প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম।
Related Question
View Allদীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় আয়োডিনের অভাবে গয়টার রোগ হয়। এ রোগ প্রতিরোধে আয়োডিনসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ এবং এর পরিপূরক ট্যাবলেট নির্দিষ্ট মাত্রায় গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ রাখতে হবে এবং আয়োডিনযুক্ত লবণ দিয়ে রান্না করতে হবে।
পুষ্টি একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার খাদ্যবস্তু পরিমাপের মাধ্যমে বিশ্লেয়িত হয়ে সরল শোষণযোগ্য উপাদানে পরিণত হয়। এ শোষিত উপাদানগুলো হচ্ছে সরল শর্করা। যেমন- গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, স্নেহজ এসিড ইত্যাদি। এ পুষ্টি উপাদানগুলো কোষের বৃদ্ধি সাধন, ক্ষয়পূরণ, তাপশক্তি উৎপাদন প্রভৃতি জৈবিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। তাই পুষ্টি উপাদানসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করা প্রয়োজন।
বিভিন্ন ধরনের খনিজ লবণগুলো আমাদের খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত থাকে, যা গ্রহণের পর আমাদের শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগপ্রতিরোধে সহায়তা করে। লৌহ তেমনি একটি খনিজ লবণ। দীর্ঘদিন খাদ্য তালিকায় কলিজা, মাংস, ডিম, ডাল, শাকসবজি ইত্যাদি লৌহসমৃদ্ধ খাবার অনুপস্থিত থাকলে, ঘন ঘন সন্তান জন্ম দিলে
খাদ্যের মধ্যে উপস্থিত বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনগুলো আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করে। এ ভিটামিনগুলোর অভাবে, আমাদের নানা ধরনের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দেখা দেয়। যেমন- রিকেট একটি অপুষ্টিজনিত রোগ এবং ভিটামিন ডি-এর অভাবেই শিশুদের এ রোগ হয়ে থাকে।
কোয়াশিয়রকর রোগের কয়েকটি লক্ষণ নিম্নরূপ:
শরীরে পানি জমে, বিশেষত হাত, পা ও মুখ ফুলে যায়।
চামড়া ফেটে গিয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়।
চুল পাতলা হয়ে পড়ে এবং দুর্বল হয়ে যায়।
শিশুর মুখ গোল হয়ে যায়, যাকে 'মুনফেস' বলা হয়
ম্যারাসমাস রোগের কারণগুলো নিম্নরূপ:
- পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার গ্রহণ না করা।
- বুকের দুধের বিকল্প সুষম খাদ্য না দেওয়া।
- বারবার ডায়রিয়া বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া।
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!