সালমা একজন ধর্মপরায়ণ মহিলা। তিনি এমন একটি ইবাদত করেন যা তাকে প্রবৃত্তির তাড়না থেকে রক্ষা করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। হাদিসে যার পুরস্কার স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা দেবেন বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। পক্ষান্তরে জলিল একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। দেশ-বিদেশে প্রতিনিয়ত ভ্রমণ করলেও একটি দেশে গিয়ে সুনির্দিষ্ট ফরজ ইবাদত পালন করার সুযোগ তার ভাগ্যে এখনও হয়নি। জলিলকে ঐ ইবাদত পালনে পরামর্শ দেওয়া হলে সে বলল, 'আমি কারণে-অকারণে অনেক দেশ ভ্রমণ করেছি। আবার ইবাদতের জন্য দেশ ভ্রমণের দরকার কী?'

Updated: 10 months ago
উত্তরঃ

  اَلرَّکُوةُ শব্দের অর্থ- পবিত্র করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সময়মত সালাত আদায় জান্নাতপ্রাপ্তির অন্যতম মাধ্যম। ইসলামের মৌলিক ইবাদতসমূহের মধ্যে সালাত সর্বোত্তম এবং সার্বজনীন। সালাতের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক আল্লাহর জিকির সম্ভব। আর আল্লাহর জিকির আখেরাতে সাফল্য তথা জান্নাত লাভের পূর্ণ নিশ্চয়তা দান করে। সালাত আদায়কারী এবং আল্লাহর মধ্যে এক নিবিড় যোগসূত্র সৃষ্টি হয়। এটিই জান্নাতের পথ দেখায়। এজন্যই হাদিসে সালাতকে জান্নাতের চাবিকাঠি বলা হয়েছে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

সালমা প্রবৃত্তির তাড়না থেকে নিজেকে রক্ষা করতে সহায়ক ইবাদত সাওম পালন করেন। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম সাওম। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মুসলিম নারী-পুরুষের ওপর সাওম পালন করা ফরজ। উদ্দীপকের সালমার পালনকৃত ইবাদতে এরই প্রকাশ ঘটে। উদ্দীপকে সালমা এমন একটি ইবাদত করেন যা প্রবৃত্তির তাড়না থেকে তাকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। আবার এ ইবাদতের প্রতিদান স্বয়ং আল্লাহ নিজ ইচ্ছামত দান করবেন। অর্থাৎ সালমা সাওম পালন করেন। সাওম ফরজ হওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তায়ালার বাণী, 'হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর সাওম পালন ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর' (সুরা বাকারা-১৮৩)। এ আয়াতের আলোকে বোঝা যায়, সাওম অবশ্যপালনীয় ইবাদত। আবার সাওমের প্রতিদান সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, আল্লাহ তায়ালা বলেন, 'সাওম আমার জন্য, আমিই এর প্রতিদান দেবো' (বুখারি ও মুসলিম)। সুতরাং বলা যায়, সালমা সাওম পালন করেন যা তাকে প্রবৃত্তির তাড়না থেকে রক্ষা করতে পারে।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
উত্তরঃ

জলিল সাহেব ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত হজ আদায়ের ব্যাপারে যে উদাসীনতা দেখিয়েছেন তা সমর্থন করি না। হজ একটি ফরজ ইবাদত। প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক, স্বাধীন এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সংগতি আছে এমন মুসলমানের জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ। সামর্থ্য থাকলেও জলিল সাহেব এ ইবাদতটি পালন করেননি।

উদ্দীপকের জলিল সাহেব ব্যবসায়িক কাজে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করলেও হজব্রত পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাননি। হজ আদায়ের জন্য পরামর্শ দেয়া হলে তিনি বলেন, ইবাদতের জন্য দেশ ভ্রমণের দরকার নেই। অর্থাৎ তিনি হজ আদায়কে তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না। অথচ হজ ফরজ হওয়ার জন্য যেসব শর্ত প্রয়োজন তার সবই জলিল সাহেবের মধ্যে রয়েছে। হজ আদায়ের বাধ্যবাধকতা উল্লেখ করে আলাহ তায়ালা এরশাদ করেন, 'আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা এমন মানুষের ওপর ফরজ  করা হয়েছে যার ঐ পর্যন্ত যাতায়াতের ক্ষমতা আছে' (সুরা আলে ইমরান-৯৭)। মহানবি (স) বলেন, 'যার ওপর হজ ফরজ করা হয়েছে সে যদি ফরজ হজ না করে তাহলে আমি বলতে পারি না যে ইসলামের আদর্শের ওপর মৃত্যুবরণ করল কি না (বুখারি)। আল্লাহর রাসুলের বাণী থেকে বোঝা যায়, কেউ যদি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ আদায় না করেন তাহলে তার কঠিন পরিণতি হবে, এমনকি ধর্মচ্যুত হওয়ারও সম্ভাবনা আছে।

উপরের আলোচনার আলোকে আমরা বলতে পারি, ফরজ হওয়া সত্ত্বেও হজ আদায় না করার কারণে জলিল সাহেব অত্যন্ত গুনাহের কাজ করেছেন। তার উচিত যত দ্রুত সম্ভব হজ আদায় করা।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
137

Related Question

View All
উত্তরঃ

যেসব ইবাদতের ওপর ইসলামের মূল কাঠামো দাঁড়িয়ে রয়েছে তাই মৌলিক ইবাদত।

মহানবি (স) ইসলামের মৌলিক ইবাদত হিসেবে চার রকমের ইবাদতের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের ওপর প্রতিষ্ঠিত। সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স) তাঁর বান্দা ও রাসুল, সালাত কায়েম করা, জাকাত আদায় করা, হজ করা ও রমজানের রোজা পালন করা। এ পাঁচটি ইবাদতের মধ্যে প্রথমটি আকিদাগত বিষয়। বাকি চারটি হলো আনুষ্ঠানিক ইবাদত। আর মৌলিক ইবাদত বলতে সাধারণত এ চারটি ইবাদতকেই বোঝায়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
439
উত্তরঃ

জনাব মিরাজের এরূপ অস্বীকৃতি ইসলামের দৃষ্টিতে কুফর। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম সাওম। প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক, সুস্থ, স্থায়ী অধিবাসী বা মুকিম এবং সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন মুসলিম নারী, পুরুষের ওপর রমজান মাসের রোজা রাখা ফরজ। জনাব মিরাজের মধ্যে এই ফরজ ইবাদতটি অস্বীকারের দৃষ্টান্ত লক্ষ করা যায়। জনাব মিরাজ নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করেন। কিন্তু ক্ষুধা সহ্য করতে না পারার কারণে তিনি রোজা পালন করতে রাজি নন। অথচ শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণ ছাড়া সাওম পালন না করা কবিরা গুনাহ। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন- হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর সাওম পালন ফরজ করা হয়েছে যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর (আল বাকারা-১৮৩)।

কুরআনের এ আয়াতের আলোকে বোঝা যায়, এটি অবশ্যপালনীয়। শরিয়ত অনুমোদিত কোনো কারণে এটা পালন সম্ভব না হলেও পরে কাযা করতে হবে বা ফিদইয়া দিতে হবে। কেউ যদি ইসলামের এই ফরজ বিধানকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফির হয়ে যাবে। জনাব মিরাজ ইসলামের অন্যতম মৌলিক ইবাদত এবং বুনিয়াদি স্তম্ভ সাওম পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তাই তার মনোভাব কুফরির শামিল।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
298
উত্তরঃ

'আমি ক্ষুধা সহ্য করতে পারি না'- সাওম সম্পর্কে জনাব মিরাজের এরূপ মন্তব্য সম্পূর্ণরূপে শরিয়তসম্মত নয়। মানুষের অনন্ত ও স্থায়ী জীবন হলো পরকালীন জীবন। এই জীবনের সফলতাই প্রকৃত সফলতা। আর পরকালীন জীবনে সফলতার অন্যতম মাধ্যম হলো সাওম পালন করা। এ বিষয়টিই ইমাম সাহেবের মন্তব্যে পরিলক্ষিত হয়।

ইমাম সাহেব জনাব মিরাজের সাওম পালনে অস্বীকৃতির জবাবে বলেছেন, "হাশরের ময়দানে সাফল্য লাভ করতে হলে অন্যান্য মৌলিক ইবাদতের পাশাপাশি তোমাকে অবশ্যই সাওম পালন করতে হবে।” কথাটি অবশ্যই শরিয়তসম্মত এবং যৌক্তিক। এ পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবার পর সব মানুষ কিয়ামতের ময়দানে একত্রিত হবে। সূর্য অত্যন্ত নিকটবর্তী হওয়ায় এর প্রচণ্ড তাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কোনো ছায়া থাকবে না। এমতাবস্থায় সাওম পালনকারীরা পাবে আরশের ছায়া। সেখানে তারা অত্যন্ত নিরাপদে থেকে বিচারের অপেক্ষায় থাকবে আর বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রেও তারা বিশেষ সুবিধা পাবে। কারণ সাওম সেদিন মহান আল্লাহর কাছে তাদের মুক্তির জন্য সুপারিশ করবে এবং আল্লাহ সেই সুপারিশ কবুল করবেন। অবশ্যই এজন্য সাওম পালনের পাশাপাশি অন্যান্য ফরজ ইবাদতগুলোও পালন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে মহানবি (স) ইরশাদ করেন, সাওম ও কুরআন বান্দার জন্য সুপারিশ করবে। সাওম বলবে, হে প্রভু! আমি তাকে দিনের বেলায় পানাহার ও যৌন কামনা থেকে বিরত রেখেছি। কাজেই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। আর কুরআন বলবে, হে প্রভু! আমি তাকে রাতের বেলায় ঘুম থেকে বিরত রেখেছি। কাজেই তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করুন। তখন তাদের উভয়ের সুপারিশ কবুল করা হবে।

উপরের আলোচনার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়, ইসলামের দৃষ্টিতে জনাব মিরাজ সাহেবের এরূপ মন্তব্য যথার্থ নয়।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
333
উত্তরঃ

ইবাদত প্রধানত দুই প্রকার। যথা: হাক্কুল্লাহ এবং হাক্কুল ইবাদ।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
539
উত্তরঃ

হাক্কুল ইবাদ বলতে মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যকে বোঝায়। মানুষ সামাজিক জীব। তাই সমাজবদ্ধ হয়েই তাদেরকে বসবাস করতে হয়। আমরা পিতা-মাতা, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া- প্রতিবেশীদের নিয়ে সামাজিকভাবে এক সাথে বসবাস করি। একজনের দুঃখে অন্যজন সাড়া দিই। আপদে-বিপদে একে অপরকে সাহায্য-সহযোগিতা করি। পরস্পরের প্রতি এ সহানুভূতি ও দায়িত্বই হাক্কুল ইবাদ তথা বান্দার হক বা অধিকার।

Md Zahid Hasan
Md Zahid Hasan
1 year ago
483
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews